এভিক্টেড হয়েও ফিরে এসেছিলেন নন্দিনী দত্ত। কিন্তু এক সপ্তাহও টিকতে পারলেন না তিনি। প্রেমিক রাজবীর দের সঙ্গে চরম দুর্ব্যবহার, মারধরের জেরে আচমকাই ‘দাদা’র নির্দেশে দুর্গ ছাড়তে হল নন্দিনীকে। ‘দাদার দরবারে’ দাদা সরাসরি বললেন, “তোমার সময় এসেছে দুর্গ ছাড়ার। তুমি এবার আসতে পারো।” যদিও শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত প্রেমিকার পাশে থাকার চেষ্টা করেছেন রাজবীর। বলতে শোনা গিয়েছে, “ভালোবাসা হারাতে চাই না।” যদিও বিগ বসের সিদ্ধান্তকে মেনে নিয়েছেন রাজবীর। তাঁর কথায়, “এতে ও শিক্ষা পাবে, ঘর থেকে বেরিয়ে দেখা করব। আমরা ভালো থাকব।”

আরও পড়ুন:
‘বিগ বস বাংলা’ শুরুর কয়েকদিন পর থেকেই শুরু রাজবীব-নন্দিনীর প্রেম। তবে শুরু থেকেই তাঁদের মধ্যে নানারকম কথা কাটাকাটি দেখা গিয়েছে। গত সপ্তাহে দর্শকদের ভোটে দুর্গ থেকে বেরিয়ে গিয়েছিলেন নন্দিনী। যদিও পরবর্তীকালে দেখা যায়, তাঁকে সিক্রেট রুমে রাখা হয়। গত বুধবার ফের দুর্গে ফেরানো হয় তাঁকে। এরপর চরমে ওঠে রাজবীর-নন্দিনীর লড়াই। দিন কয়েক আগে সামান্য বিষয়ে রাজবীরকে রীতিমতো মারধর করতে দেখা যায় নন্দিনীকে। সেই সময় রোমিও সাফ বলেন, “অনেক হয়েছে। আর পোষাচ্ছে না। তুমি সব সীমা পেরিয়ে গিয়েছ। আমার মা তোমাকে মানবে না।” যদিও পরবর্তীকালে ফের বরফ গলে। কাছাকাছি আসেন প্রেমিক যুগল।
কিন্তু জাতীয় টেলিভিশনে এই ধরণের আচরণ একেবারেই ভালোভাবে নেননি দর্শকরা। সোশাল মিডিয়ায় অভিনেত্রীকে বের করে দেওয়ার দাবি ওঠে। যার ফল হাতেনাতে পেলেন নন্দিনী। শনিবার দাদার দরবারে তাঁকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন সঞ্চালক। সাফ বলেন, “বাড়ির রুল আছে, হাতাহাতি-ধাক্কাধাকি হবে না। আর রাজবীর এমন কিছু করেনি ২ দিনে, তাহলে এরকম আচরণ কেন? তোমার ব্যবহার আমি হতাশ।” সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়কে বলতে শোনা যায়, “দুর্নিবার, সৌরভ বা কোনও পুরুষ প্রতিযোগী এই আচরণ করলে আমি বিগ বসকে বলতাম কলার ধরে বের করে ট্রেনে কলকাতা পাঠাও।” এরপর একে ঘরের সদস্যরাও নন্দিনীর আচরণে মুখ খোলেন। এরপরই নন্দিনীকে দুর্গ ছাড়ার নির্দেশ দেন ‘মহারাজ’। স্পষ্ট বলেন, “তুমি এবার আসতে পারো।” চোখের জলে অভিনেত্রী সুযোগ চাইলেও লাভ হয়নি।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
