খালের ধারে পড়ে কয়েকশো আধার কার্ডImage Credit: TV9 Bangla
নিউটাউন: আর কয়েকদিন পর বিধানসভার ভোটগ্রহণ। তার আগে নিউটাউনে খালের ধার থেকে উদ্ধার হল কয়েকশো আধার কার্ড। কোথা থেকে এই আধার কার্ড খালের ধারে এল, তা নিয়ে শোরগোল পড়ে এলাকায়। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, এসআইআর কাজে নিযুক্ত বিএলও কার্ডগুলি খালের ধারে ফেলে গিয়েছেন। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে নিউটাউন থানার পুলিশ।
এদিন নিউটাউনের সুলংগুড়ি দক্ষিণপাড়া খালের ধারে বস্তাবন্দি হয়ে পড়েছিল আধার কার্ডগুলি।রাজারহাট নিউটাউন বিধানসভা কেন্দ্রের জ্যাংড়া হাতিয়ারা ২ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের গৌরাঙ্গনগর এলাকার বাসিন্দারা বস্তাটি দেখতে পান। বস্তা খুলতেই কয়েকশো আধার কার্ড দেখা যায়। খবর ছড়িয়ে পড়তেই ঘটনাস্থলে ভিড় করেন স্থানীয় বাসিন্দারা। আধার কার্ডগুলি খতিয়ে দেখেন তাঁরা।
কী বলছেন স্থানীয় বাসিন্দারা?
স্থানীয় বাসিন্দারা দেখেন, আধার কার্ডগুলি এলাকারই লোকজনের। অর্থাৎ আধার কার্ডগুলো সুলংঘড়ি দক্ষিণপাড়া এলাকারই বাসিন্দাদের। কিন্তু, এলাকার বাসিন্দাদের আধার কার্ডগুলি খালের ধারে ফেলে গেলেন কেন? এই নিয়ে স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, “এই আধার কার্ডগুলি আমাদের পাড়ারই বাসিন্দাদের। প্রায় তিনশো আধার কার্ড ফেলা হয়েছে।” এসআইআর কাজে নিযুক্ত স্থানীয় বিএলও-কে অভিযুক্ত করে তিনি বলেন, “আমাদের বিএলও কার্ডগুলি খালের ধারে ফেলেছেন। আমরা থানায় খবর দিয়েছি।” খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় নিউটাউন থানার পুলিশ। কিন্তু, স্থানীয় ওই বিএলও কেন আধার কার্ডগুলি খালের ধারে ফেলবেন, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
গত বছরের নভেম্বরের শুরুতে বাংলায় এসআইআর প্রক্রিয়া শুরু হয়। বিএলও-রা বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটারদের এনুমারেশন ফর্ম বিলি করেন। সেইসময় বিভিন্ন জায়গা থেকে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের এলাকা ছেড়ে চলে যাওয়ার কথা শোনা যায়। এমনকী, সীমান্ত পারাপারের জন্য উত্তর ২৪ পরগনার স্বরূপনগরে বাংলাদেশি নাগরিকদের ভিড় দেখা যায়। ফলে এদিন আধার কার্ড উদ্ধারের পর নানা জল্পনা ছড়ায়। তবে স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, বস্তাবন্দি আধার কার্ডগুলি এলাকার বাসিন্দাদেরই। এখন পুলিশি তদন্তে কী উঠে আসে, সেটাই দেখার।
