অজন্তা চৌধুরী
বেঙ্গল ওয়েব সলিউশনের আয়োজনে ১৬ মে শনিবার সন্ধে ৬টায় কলামন্দিরে অনুষ্ঠিত হতে চলেছে ‘গানে মিলে দুই’ শীর্ষক অনুষ্ঠান। অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করবেন শ্রীকান্ত আচার্য ও জয়তী চক্রবর্তী। এই অনুষ্ঠান প্রসঙ্গে তাঁরা জানালেন বেশ কিছু কথা।
অনুষ্ঠানের কেন এই নামকরণ? সে নিয়ে কথা বলতে গিয়ে প্রথমেই শ্রীকান্ত আচার্য বলেন, “‘গান তুমি কবি’ নামে একটি অনুষ্ঠান এর আগে একাধিক বার হয়েছে। কলকাতায় সেই অনুষ্ঠানে শ্রীজাতও একবার অংশগ্রহণ করেছিলেন। এ বার এই শীর্ষ নামটার বদলে আমরা ‘গানে মিলে দুই’ নামটা নিয়ে এলাম এ কারণেই, যাতে একটা নির্দিষ্ট সময়ের ব্যবধানে আমরা দু’জনে মিলে কলকাতা এবং তার বাইরেও অনুষ্ঠানটি করতে পারি। এ নিয়ে একটা পরিকল্পনাও আমাদের রয়েছে। এই অনুষ্ঠানের নাম ‘গানে মিলে দুই’ রাখব বলেই আমরা ঠিক করেছি।” শুধু তা-ই নয়, এই গোটা সিরিজটার নামই তাঁরা গানে মিলে দুই রাখবেন বলে জানালেন।
এ কথায় সম্মতি জানিয়ে জয়তী চক্রবর্তী বলেন, “এর সঙ্গে আমি আরও একটা কথা অ্যাড করতে চাই যে, ‘গান তুমি কবি’ বা ‘গানে মিলে দুই’ এই নামকরণ যাঁর মস্তিষ্কপ্রসূত তিনি অর্ণা শীল। এই নামকরণের সঙ্গে তাঁর ভাবনার নিশ্চয়ই একটা সম্পর্ক রয়েছে। সেই সম্পর্কের জায়গাটা যদি বুঝি তা হলে এটাই দাঁড়াচ্ছে, সেখানে শুধু রবীন্দ্রনাথের গানই থাকছে না, নানা আঙ্গিকের, নানা ধরনের গানও সেখানে থাকবে। সেটা গজল হতে পারে, লোকগান হতে পারে, অন্য যে কোনো ধরনের বাংলা গান বা হিন্দি গান থাকতে পারে। সব মিলিয়ে গানের যে ব্যাপ্তি, সেই বিষয়টাকে ধরার চেষ্টা করা। আসলে গান করাটাই আমাদের মূল উদ্দেশ্য।”
শ্রীকান্ত আচার্যের কথায়, যেহেতু প্রথম অনুষ্ঠান কবিপক্ষের মধ্যে, তাই এবারে আমাদের নির্বাচনে থাকছে শুধুমাত্র রবীন্দ্রনাথের গান। জয়তির কথায়, এই অনুষ্ঠানের গান নির্বাচনের ক্ষেত্রে কোনো পর্যায় বা থিম নির্বাচন করা হয়নি। এ দিনের অনুষ্ঠানের সবটাই কবিগুরুকে কেন্দ্র করে আবর্তিত হবে – গান গাওয়া, চিঠিপত্র পড়া, পাঠ এবং আলাপচারিতার মধ্যে দিয়ে।
প্রায় আড়াই ঘণ্টা ধরে চলবে এ দিনের অনুষ্ঠান। শ্রীকান্ত আচার্য আরও জানান, এই অনুষ্ঠানের শুরুটা হতে চলেছে কলকাতা থেকে। এর পর এই অনুষ্ঠান নিয়ে অন্য জেলা এমনকি অন্য রাজ্যে যাওয়ারও পরিকল্পনা রয়েছে তাঁদের। সেটা পশ্চিমবঙ্গের বাইরে কোনো মেট্রো সিটি কিংবা উত্তর-পূর্ব ভারতেও হতে পারে।
