গণনার একদিন আগেও স্ট্রংরুম সংঘাত! শনিবার মাঝরাতে বিধাননগর কলেজে স্ট্রংরুমের সামনে তুমুল সংঘর্ষে জড়াল তৃণমূল-বিজেপি। পরিস্থিতি এতটাই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে যে তা সামলাতে কেন্দ্রীয় বাহিনী ও র্যাফ নামানো হয়। রীতিমতো লাঠিচার্জ করে অশান্তি আয়ত্ত্বে আনেন জওয়ানরা। এলাকায় উত্তেজনার পরিবেশ। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছন রাজারহাট-নিউটাউনের তৃণমূল প্রার্থী তাপস চট্টোপাধ্যায়। তিনি দলীয় কর্মীদের শান্ত থাকার বার্তা দেন।
ভোট শেষ হওয়ার পর থেকেই স্ট্রং রুম নিয়ে তৃণমূল ও বিজেপির মধ্যে সংঘাত প্রকাশ্যে এসেছে। বৃহস্পতিবার ভিডিও বার্তা দিয়ে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রার্থী ও এজেন্টদের সতর্ক করেছিলেন, স্ট্রংরুম রাতভর পাহারা দিতে হবে। তারপরই ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রের স্ট্রংরুমে সন্দেহজনক গতিবিধির অভিযোগ তুলে ধরনায় বসেছিলেন দুই তৃণমূল প্রার্থী শশী পাঁজা, কুণাল ঘোষ। পরে সেখানে যান তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাত পর্যন্ত সমস্ত গতিবিধি নজরে রাখেন। পরে অবশ্য কমিশন জানায়, তৃণমূলের সংশয় অমূলক, স্ট্রংরুমে পোস্টাল ব্যালট ভাগাভাগি করছিলেন আধিকারিকরা, সেটা গণনার প্রস্তুতি।
আরও পড়ুন:
শুধু কলকাতা নয়, জেলার একাধিক জায়গায় এই স্ট্রংরুম নিয়ে কমবেশি ঝামেলার খবর মিলেছে। তবে শনিবার মাঝরাতে বিধাননগর কলেজের সামনে তৃণমূল-বিজেপির সংঘর্ষ নতুন মাত্রা নিল। এই সরকারি কলেজে বিধাননগর, রাজারহাট-নিউটাউন কেন্দ্রের ইভিএমগুলি রাখা হয়েছে। তার সামনে বিজেপি ও তৃণমূলের কর্মী, সমর্থকরা পাহারায় ছিলেন। আচমকাই দু’দলের মধ্যে সংঘর্ষ বাঁধে। তখন রাত সাড়ে ১১টা বেজে গিয়েছে। নিমেষের মধ্যে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। তা সামলাতে পুলিশ, কেন্দ্রীয় বাহিনী,র্যাফকে নামতে হয়। চলে লাঠিচার্জ। এনিয়ে কমিশনে অভিযোগ দায়ের করতে চলেছে দু’পক্ষই।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
