বাংলা বছরের প্রথমদিনে ক্রীড়াঙ্গনে বড় পরিসরে উৎসবের আয়োজন নেই অনেকদিন। আক্ষেপ ঘোচাতে আগামী ১৪ এপ্রিল দিনব্যাপী আয়োজিত হবে ‘কিউট বৈশাখী ক্রীড়া উৎসব-১৪৩৩।’ রোববার সংবাদ সম্মেলনে আয়োজনের কথা জানিয়েছেন ওয়ার্ল্ড আর্চারি এশিয়ার সভাপতি ও বাংলাদেশ আর্চারি ফেডারেশনের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক কাজী রাজীব উদ্দিন আহমেদ চপল।
দেশীয় খেলাধুলার ঐতিহ্যকে আবার জাগিয়ে তুলতে এবং নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে বাংলা নববর্ষ পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে আয়োজন করা হচ্ছে ‘বৈশাখী ক্রীড়া উৎসব’। ১৪ এপ্রিল রাজধানীর পল্টন ময়দানে দিনব্যাপী উৎসবের উদ্বোধন করবেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। আয়োজনের পৃষ্ঠপোষকতা করবে মৌসুমী ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড।
উৎসবে মোট ১০টি ইভেন্টে প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে। এর মধ্যে রয়েছে আর্চারি, কাবাডি, ভলিবল, কুস্তি, প্যারা ইভেন্ট, সেপাক টাকরো, খো খো, কান্ট্রি গেমস, লাঠি খেলা ও বলি খেলা। ৩০০ জনের অধিক খেলোয়াড় ও কর্মকর্তা অংশগ্রহণ করবেন। অংশগ্রহণকারী সকল খেলোয়াড়কে মেডেল দেয়া হবে।
বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের ডাচ-বাংলা অডিটরিয়ামে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে পৃষ্ঠপোষক প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান কাজী রাজীব উদ্দিন আহমেদ চপল বললেন, ‘বৈশাখী ক্রীড়া উৎসবের সকল ব্যয় বহন করবে কিউট ব্র্যান্ডের প্রতিষ্ঠানটি। অংশগ্রহণকারী সকল খেলোয়াড়কে প্রদান করা হবে মেডেল।’
সমাপনী অনুষ্ঠানে বিকেলে উপস্থিত থাকবেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মাহবুব উল আলম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের উপ-সচিব মোহাম্মদ আমিনুল এহসান।
উল্লেখ্য, ক্রীড়াঙ্গনে বৈশাখী ক্রীড়া উৎসব সবশেষ ২০০৬ সালে হয়েছিল।


