ছবির উৎস, Tajnur Islam
বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া ঢাকার যেই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন, তার পাশের একটি মাঠে পরীক্ষামূলকভাবে হেলিকপ্টার অবতরণ ও উড্ডয়ন নিয়ে বিভ্রান্ত না হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে পাঠানো এক বিবৃতিতে এই আহ্বান জানানো হয়।
এতে বলা হয়, বাংলাদেশের বিশেষ নিরাপত্তা বাহিনীর (এসএসএফ) নিরাপত্তা প্রটোকল অনুযায়ী বৃহস্পতিবার সেনাবাহিনী ও বিমান বাহিনীর হেলিকপ্টার পরীক্ষামূলক অবতরণ ও উড্ডয়ন পরিচালনা করবে। দুপুর ১২টা থেকে চারটার মধ্যে এভারকেয়ার হাসপাতালের কাছে দুটি উন্মুক্ত মাঠে এটা হবে।
এ বিষয়ে কোনো ধরনের অপপ্রচার বা বিভ্রান্তি থেকে বিরত থাকার জন্য অনুরোধ করা হয়।
উল্লেখ্য,
গত ২৩শে নভেম্বর এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি হন বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া। ২৭শে নভেম্বর থেকে তিনি এই হাসপাতালের সিসিইউতে আছেন।
তার ব্যক্তিগত চিকিৎসক ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য এ জেড এম জাহিদ হোসেন জানিয়েছিলেন, ফুসফুস ও হৃদযন্ত্রের গুরুতর সংক্রমণ নিয়ে সংকটাপন্ন অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন তিনি।
এদিকে মঙ্গলবার খালেদা জিয়াকে রাষ্ট্রের অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি
(ভিভিআইপি) হিসেবে ঘোষণা করেছে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার।
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে জানানো হয়, খালেদা জিয়ার বর্তমান শারীরিক অবস্থা বিবেচনায় হাসপাতালে তার নির্বিঘ্ন চিকিৎসা, প্রয়োজনে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা, তার নিরাপত্তা ও যাতায়াতের সুবিধা এবং উচ্চ মর্যাদা বিবেচনায় তাকে রাষ্ট্রের অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি (ভিভিআইপি) ঘোষণা করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
ভিভিআইপি হিসেবে ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারির পর রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর মতো খালেদা জিয়ার নিরাপত্তায় এসএসএফ মোতায়েন করা হয়েছে।
এদিকে, গতকাল ডা. এ জেডএম জাহিদ হোসেন সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে জানান, “মেডিকেল বোর্ডের সদস্যরা উনাকে (খালেদা জিয়াকে) দেখেছেন…পরবর্তীতে উনাকে যদি ট্রান্সফারেবল মনে হয়, আমাদের যদি ট্রান্সফার করার প্রয়োজন পড়ে— মেডিকেল বোর্ড মনে করে, তখনই সেই যথাযথ সময়ে উনাকে চিকিৎসার জন্য দেশের বাইরে নিয়ে যাওয়া হবে”।
