নদিয়া: এবার সীমান্ত থেকে এল বড় অভিযোগ। বিএসএফ-এর বিরুদ্ধে উঠল বড় অভিযোগ। বাংলাদেশি সন্দেহে এক ভারতীয় কৃষককে তুলে নিয়ে গিয়ে বেধড়ক মারধরের অভিযোগ সীমান্তরক্ষী জওয়ানদের বিরুদ্ধে। গুরুতর জখম অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন তিনি। এই ঘটনায় চাপড়া থানায় বিএসএফের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন ওই ভারতীয় কৃষক।
আহত ব্যক্তির নাম রফিকুল মোল্লা। ঘটনাটি ঘটেছে নদিয়ার চাপড়া গ্রাম সীমান্তবর্তী হাটখোলা গ্রামে। রফিকুলের দাবি, তিনি বসেছিলেন চায়ের দোকানে। তারপর তুলে নিয়ে যায় BSF। এরপর এক জায়গায় তিন-চারঘণ্টা বসিয়ে রেখেছিল। তারপর মেরেছে। এই এলাকায় আগেও বিএসএফ এমন করেছে বলে দাবি রফিকুলের।
রফিকুল বলেন, “তিন ঘণ্টা বসিয়ে রাখার পর আমায় ব্যাপক মেরেছে। তারপর তিন চারটে কনস্টেবল আমার পায়ে শিকল বেঁধে দেন। একজন টেনে ধরে ছিলেন। আমার নিতম্বে মেরেছে। আমার নিতম্ব ফেটে গেছে। খালি বলছে বল তুই বাংলাদেশি। হঠাৎ করেই আমায় তুলে নিয়ে চলে গেছে।” এ দিকে আজ আবার এই উত্তর ২৪ পরগনায় বাংলাদেশে ফেরত যেতে গিয়ে সীমান্তরক্ষী বাহিনীর হাতে ধরা পড়লেন ১১ জন বাংলাদেশি। উত্তর ২৪ পরগনার স্বরূপনগরের তারালি সীমান্ত থেকে তাঁদের ধরল বিএসএফ। ধৃতদের স্বরূপনগর থানার হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। এমনকি, তাঁদের সঙ্গে শিশু ও নাবালকও রয়েছে। ভারতে ঢোকার পর বিভিন্ন কাজ করতেন তাঁরা। এসআইআর ঘোষণার পরই তাঁরা বাংলাদেশে ফিরে যেতে চাইছিলেন। চোরাপথে ভারতে ঢুকেছিলেন, তাই তারালি সীমান্ত দিয়ে চোরাপথেই বাংলাদেশে পালানোর ছক করছিলেন।
