ইস্টবেঙ্গল: ৭ (ডেভিড লালানসাঙ্গা ৩, রোহিত কুমার, ক্রিস ইকনোমিডিস, আকে লোবা, লুকাস জিয়োলিনস্কি) নর্থইস্ট ইউনাইটেড: ২ (আলাদিন আজারাই ২)

খবর অনলাইন ডেস্ক: আইএফএ শিল্ডের ফাইনালে উঠল ইস্টবেঙ্গল। সোমবার দ্বিতীয় সেমিফাইনালে নর্থইস্ট ইউনাইটেডকে ৭-২ গোলে হারিয়ে শেষ দুইয়ে জায়গা করে নিল লাল-হলুদ। আগের দিনই ফাইনালে উঠেছিল মোহনবাগান। ফলে ডুরান্ড কাপের পর আইএফএ শিল্ডের ফাইনালেও দেখা যাবে কলকাতা ডার্বি।

– বিজ্ঞাপন –

ইস্টবেঙ্গলের জয়ে সবচেয়ে বড় ভূমিকা ডেভিড লালানসাঙ্গার। হ্যাটট্রিক করেন তিনি। এ ছাড়া গোল করেছেন রোহিত কুমার, ক্রিস ইকনোমিডিস, অভিষেককারী আকে লোবা এবং লুকাস জিয়োলিনস্কি। নর্থইস্টের হয়ে দুটি গোলই করেন আলাদিন আজারাই।

ম্যাচের শুরুতেই গোল খেয়ে চাপে পড়ে ইস্টবেঙ্গল। দ্বিতীয় মিনিটে আলাদিন আজারাইয়ের গোলে এগিয়ে যায় নর্থইস্ট। তবে ১১ মিনিটে ডেভিডের হেডে সমতা ফেরায় লাল-হলুদ। এর পর ২৩ মিনিটে রোহিত কুমার এবং বিরতির ঠিক আগে ক্রিস ইকনোমিডিস গোল করলে ৩-১ ব্যবধানে এগিয়ে যায় ইস্টবেঙ্গল।

দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই নিজের দ্বিতীয় গোল করেন ডেভিড। ৫৬ মিনিটে তৃতীয় গোল করে হ্যাটট্রিকও পূর্ণ করেন তিনি। পরে নর্থইস্ট একটি গোল শোধ করলেও ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ আর হাতছাড়া করেনি ইস্টবেঙ্গল। শেষ দিকে অভিষেক ম্যাচে গোল করেন আকে লোবা। সংযুক্ত সময়ে ইস্টবেঙ্গলের সপ্তম গোলটি করেন লুকাস জিয়োলিনস্কি। 

মোহনবাগান বনাম পঞ্জাবের ম্যাচের একটি মুহূর্ত।

বিজ্ঞাপন

বিশালের নায়কোচিত পারফরম্যান্সে মোহনবাগানের জয়

রবিবার পঞ্জাব এফসির বিরুদ্ধে নির্ধারিত ৯০ মিনিট এবং অতিরিক্ত সময়েও গোলশূন্য ছিল ম্যাচ। শেষ পর্যন্ত টাইব্রেকারে ৪-৩ ব্যবধানে জিতে ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করে সবুজ-মেরুন।

ম্যাচে মোহনবাগানের পারফরম্যান্স অবশ্য আশানুরূপ ছিল না। প্রথমার্ধে দুই দলই ছন্দহীন ফুটবল খেলায় গোলের সুযোগও তৈরি হয়নি। দ্বিতীয়ার্ধে লিস্টন কোলাসোর পরিবর্তে মিগুয়েলকে নামানো হলেও আক্রমণে খুব বেশি উন্নতি দেখা যায়নি। ৮৫ মিনিটে শুভাশিস বোস গোল করলেও অফসাইডের কারণে তা বাতিল হয়।

অতিরিক্ত সময়েও গোল না হওয়ায় ম্যাচ গড়ায় টাইব্রেকারে। সেখানেই নায়ক হয়ে ওঠেন মোহনবাগানের গোলকিপার বিশাল কাইথ। পঞ্জাবের সাইজার এবং বিশাল যাদবের শট আটকে দেন তিনি। অন্য দিকে মোহনবাগানের রাহুল ভেকে, শুভাশিস, আলবার্তো এবং মিগুয়েল নিজেদের সুযোগ কাজে লাগান। ৪-৩ জয়ে ফাইনালে জায়গা করে নেয় মোহনবাগান।

ছবি: সঞ্জয় হাজরা



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *