দিল্লি ও সংলগ্ন এলাকায় একের পর এক ধর্ষণ ও গণধর্ষণের ঘটনায় পুলিশকে আরও কঠোর মনোভাব নেওয়ার বার্তা দিল সুপ্রিম কোর্ট। সোমবার মামলার শুনানিতে বিচারপতি জে বি পার্দিওয়ালা ও বিচারপতি কে বিনোদ চন্দ্রনের বেঞ্চের পর্যবেক্ষণ, যৌন অপরাধে অভিযুক্ত বা এমন অপরাধের প্রবণতা রয়েছে— এমন ব্যক্তিদের মনে আইনের কঠোর শাস্তির ভয় তৈরি করতে হবে। আদালতের কথায়, “এমন কিছু করেছো, তো মরেছো”— এই ভয়টা থাকতে হবে।

রাজধানীতে মহিলাদের নিরাপত্তা নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছে শীর্ষ আদালত। প্রত্যেক মহিলা যাতে রাত ১০টাতেও দিল্লির রাস্তায় বা মেট্রোয় নিরাপদ বোধ করেন, তা নিশ্চিত করার কথা বলেছে বেঞ্চ।

– বিজ্ঞাপন –

শুধু নির্দেশ জারি করলেই হবে না, তা মাঠস্তরে কার্যকর করার উপরেও জোর দিয়েছে আদালত। পুলিশি নজরদারির পরিকাঠামো নিয়ে প্রশ্ন তুলে আদালত জানতে চেয়েছে, নজরদারি না থাকলে সিসিটিভি কী ভাবে অপরাধ ঠেকাবে? একই ভাবে ‘ওয়ার রুম’ না থাকলে দ্রুত অপরাধ প্রতিরোধ ও নজরদারি কী ভাবে সম্ভব, সেই প্রশ্নও ওঠে।

গত দেড়-দুই মাসে দিল্লি ও আশপাশের এলাকায় ধর্ষণ ও গণধর্ষণের একাধিক অভিযোগ সামনে এসেছে। চলন্ত বাসে কিশোরীকে গণধর্ষণ, পুলিশের পরিচয়ে পার্কে কিশোরীকে ধর্ষণ এবং টেম্পোয় গণধর্ষণের পর কিশোরীকে খুনের অভিযোগও রয়েছে। এই ঘটনাগুলির প্রেক্ষিতে আগের শুনানিতে ২০১২ সালের নির্ভয়াকাণ্ডের প্রসঙ্গও তুলেছিল আদালত।

পর্যাপ্ত আলো, সিসিটিভি ও অন্যান্য নাগরিক নিরাপত্তা পরিকাঠামোর অভাব নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে সুপ্রিম কোর্ট। আদালতের বক্তব্য, রাজধানীর সাম্প্রতিক ঘটনাগুলি জননিরাপত্তা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে পুলিশ ও প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তুলছে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *