আরজি করের তরুণী চিকিৎসকের ধর্ষণ-খুনের ঘটনার পর তড়িঘড়ি সৎকারের অভিযোগের তদন্তে নয়া মোড়। কলকাতা হাই কোর্টের নির্দেশে খড়দহ থানায় শুরু হওয়া তদন্ত এবার CBI-এর হাতে যাচ্ছে। আদালতের নজরদারিতে আগে থেকেই CBI এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত বিষয়গুলি খতিয়ে দেখছে। নতুন করে পুলিশের তদন্ত শুরু হওয়া নিয়েই বৃহস্পতিবার প্রশ্ন তোলে হাই কোর্ট।
শুনানিতে বিচারপতি পুলিশের তদন্তের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে জানতে চান, আদালত যখন CBI তদন্তে নজরদারি করছে, তখন নতুন করে FIR করে তদন্ত শুরু হল কীভাবে। খড়দহ থানার তদন্তকারী আধিকারিককে মামলার কেস ডায়েরি-সহ যাবতীয় নথি আদালতে পেশের নির্দেশও দেওয়া হয়েছিল।
– বিজ্ঞাপন –
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৯ অগস্ট আরজি কর হাসপাতালে তরুণী চিকিৎসককে ধর্ষণ ও খুনের পর তাঁর দেহ দ্রুত সৎকার করা হয়েছিল বলে পরিবারের তরফে অভিযোগ ওঠে। এই অভিযোগ খতিয়ে দেখতে চলতি বছরের মে মাসেই হাই কোর্ট CBI-এর তিন সদস্যের SIT গঠনের নির্দেশ দিয়েছিল। তদন্তের আওতায় রাখা হয়েছিল ঘটনার আগের রাত থেকে পরের দিন সৎকার পর্যন্ত পুরো ঘটনাক্রম।
এরপর তড়িঘড়ি সৎকারের অভিযোগে নতুন FIR করে রাজ্য পুলিশ। সেই মামলায় প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক নির্মল ঘোষ এবং পানিহাটি পুরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যান সোমনাথ দে-সহ কয়েকজনের নাম ওঠে। দু’জনকেই পরে গ্রেফতার করা হয়।
এবার সেই তদন্তও CBI-এর হাতে যাওয়ায় সৎকার-পর্ব ঘিরে ওঠা সমস্ত অভিযোগ ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ভূমিকা কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার নজরে এল।
