ছবির উৎস, Getty Images
Published
পড়ার সময়: ৭ মিনিট
কিছুদিন আগে এক দুপুরে চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউজে কর্তব্যরত অবস্থায় মুকসেমুল হাকিম স্ট্রোক করেন। কিন্তু তাৎক্ষণিকভাবে বিষয়টি বুঝতে পারেননি তিনি। রাতে বাসায় ফেরার পর অসুস্থ বোধ করলে পরিবারের সদস্যরা তাকে হাসপাতালে নিয়ে যায়। পরে সেখানেই মারা যান ৪২ বছর বয়সী মি. হাকিম।
চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসকরা পরিবারের সদস্যদের জানান, দুপুরে একবার তিনি স্ট্রোক করেছিলেন।
হাসপাতালে নেওয়ার সময় স্বজনদের মি. হাকিম জানিয়েছিলেন, দুপুর ১২টায় অফিসে শরীর খুব খারাপ হয়েছিল।
স্বজনদের তিনি জানিয়েছিলেন, দুপুরে ঘাড় ও হাত-পা ব্যথা, বমিভাব এবং মাথা ঝিম ঝিম করার মতো উপসর্গ দেখা দিয়েছিল।
তবে, আগে থেকে তার বড় কোন অসুস্থতা ছিল না।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, বাংলাদেশের মোট মৃত্যুর প্রায় ৭১ শতাংশই ঘটছে স্ট্রোক, ডায়াবেটিস, কার্ডিওভাসকুলার ডিজিজ বা হৃদরোগ, ক্রনিক রেসপিরেটরি ডিজিজ বা দীর্ঘস্থায়ী শ্বাসতন্ত্রের রোগ এবং ক্যান্সার ও কিডনি জটিলতার মত রোগে।
আর এসব রোগে আক্রান্ত হয়ে বাংলাদেশে মানুষের মৃত্যু বাড়ছে।
এই ৭১ শতাংশের প্রায় অর্ধেক মানুষেরই আকস্মিক বা অকাল মৃত্যু হয় বলে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।
এদিকে, বাংলাদেশের সরকারি প্রতিষ্ঠান রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইন্সটিটিউটের এক গবেষণাপত্রে, মানসিক সমস্যাও আকস্মিক মৃত্যুর একটি কারণ বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
ছবির উৎস, Getty Images
অসংক্রামক রোগ কী
নন-কমিউনিকেবল ডিজিজ (এনসিডি) বা অসংক্রামক রোগ। এটিকে দীর্ঘমেয়াদী রোগও বলা হয়। জিনগত, শারীরিক, পরিবেশগত এবং আচরণগত বিভিন্ন বিষয়ের সমন্বিত প্রভাবে এ রোগগুলো হয়ে থাকে।
বয়স, অঞ্চল বা দেশ নির্বিশেষে সব ধরনের মানুষই অসংক্রামক রোগে আক্রান্ত হন। এর মধ্যে প্রধানতম হচ্ছে, হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোক, ডায়াবেটিস, দীর্ঘস্থায়ী শ্বাসতন্ত্রের রোগ – যেমন ক্রনিক অবস্ট্রাক্টিভ পালমোনারি ডিজিজ ও হাঁপানি, ক্যান্সার এবং কিডনি জটিলতা।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, এ রোগগুলোকে সাধারণত বয়স্কদের সমস্যা বলে মনে করা হলেও, প্রায় এক কোটি ৮০ লাখ মানুষের মৃত্যু হয় ৭০ বছর বয়স হওয়ার আগেই।
এ বয়সে অন্য সব কারণে যত মানুষ মারা যায়, অসংক্রামক রোগের কারণে তার চেয়ে বেশি মারা যান। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, এসব অকাল মৃত্যুর প্রায় ৮২ শতাংশই ঘটে নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশগুলোতে।
বিশ্বের মোট অসংক্রামক মৃত্যুর প্রায় তিন-চতুর্থাংশ বা তিন কোটি ২০ লাখ মানুষই এসব দেশে মারা যায়।
বাংলাদেশে ইদানীং প্রায়ই এমন ঘটনার কথা শোনা যায় যে, অফিসে কাজ করছিলেন, হঠাৎ ঢলে পড়ে সেখানেই মারা গিয়েছেন তিনি।
পরে চিকিৎসকদের বরাতে জানা যায়, কী কারণে ওই ব্যক্তি মারা গিয়েছেন।
বাংলাদেশের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইন্সটিটিউটের এক গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রতি বছর ৩০ থেকে ৬৯ বছর বয়সী দেড় কোটি লোক অসংক্রামক রোগে মারা যান।
ছবির উৎস, Getty Images
হৃদরোগ বা হার্ট অ্যাটাক
রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইন্সটিটিউট আইইডিসিআরের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশে কার্ডিওভাসকুলার ডিজিজ বা সিভিডি রোগ, বিশেষ করে করোনারি আর্টারি ডিজিজ ধীরে ধীরে মহামারীর রূপ নিচ্ছে।
একইসঙ্গে, উচ্চ রক্তচাপ ও হার্ট ফেইলিউরও বৃদ্ধি পাচ্ছে।
হৃদযন্ত্রের কার্যক্রম সঠিকভাবে পরিচালিত হওয়ার জন্য হার্টে পর্যাপ্ত রক্ত সরবরাহ দরকার হয়।
হার্টে রক্ত সরবরাহকারী রক্তনালী যদি বন্ধ হয়ে যায় এবং এর ফলে যদি রক্ত হার্টে পৌঁছাতে না পারে, তাহলে হার্টের মাংসপেশিতে পর্যাপ্ত অক্সিজেন পৌঁছাতে পারে না। আর তখনই হয় হার্ট অ্যাটাক।
হার্ট অ্যাটাক হওয়ার জন্য আগে থেকেই অসুস্থ থাকাটা জরুরি নয়। বরং আপাত দৃষ্টিতে সুস্থ মানুষেরও হার্ট অ্যাটাক হতে পারে।
হার্ট অ্যাটাকের প্রথম উপসর্গই হচ্ছে বুকে ব্যথা। বুকের ডান বা বাম পাশে ব্যথা হবে না। একেবারে বুকের মাঝ বরাবর ব্যথা হবে। একে ‘সেন্ট্রাল চেস্ট পেইন’ বলে থাকেন চিকিৎসকরা। এ ব্যথা ক্রমাগত বাড়তে থাকবে।
বুকের ব্যথা একসময় বাম হাত ও ঘাড়ের দিকে ছড়িয়ে পড়ে।
এছাড়া যদি চোয়াল ও পিঠেও ব্যথা অনুভব হয়, তাহলে সেটি হার্ট অ্যাটাকের লক্ষণ হতে পারে। নারীদের মধ্যে এই উপসর্গ বেশি দেখা দেয়।
এছাড়া পেটে তীব্র ব্যথা, শ্বাসকষ্ট, অতিরিক্ত ঘাম, বমি বমি ভাব ও বমিও হার্ট অ্যাটাকের লক্ষণ হতে পারে।
দেরি না করে এসব ক্ষেত্রে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে।
ছবির উৎস, Getty Images
স্ট্রোক
হৃদরোগের পর স্ট্রোক মৃত্যুর আরেকটি বড় কারণ। অনেকে স্ট্রোকের সাথে হার্ট অ্যাটাককে গুলিয়ে ফেলেন। কিন্তু দুটি বিষয় সম্পূর্ণ আলাদা।
স্ট্রোক মূলত মানুষের মস্তিষ্কে আঘাত হানে। ব্রিটেনের জাতীয় স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, মস্তিষ্কের কোন অংশে রক্ত সরবরাহ বন্ধ হয়ে মস্তিষ্কের কোষগুলো মরে গেলে স্ট্রোক হয়।
সুস্থভাবে বেঁচে থাকার জন্য শরীরের প্রতিটি কোষে রক্ত সঞ্চালন প্রয়োজন। কারণ এই রক্তের মাধ্যমেই শরীরের কোষে কোষে অক্সিজেন পৌঁছায়।
কোন কারণে মস্তিষ্কের কোষে যদি রক্ত সঞ্চালন বাধাগ্রস্ত হয়, রক্তনালী বন্ধ হয়ে যায় বা ছিঁড়ে যায় তখনই স্ট্রোক হওয়ার ঝুঁকির সৃষ্টি হয়।
সাধারণত ৬০-বছরের বেশি বয়সী রোগীদের স্ট্রোকের ঝুঁকি বেশি থাকলেও তবে ইদানীং তরুণ এমনকি শিশুরাও স্ট্রোকে আক্রান্ত আক্রান্ত হচ্ছেন।
স্ট্রোক তিন ধরনের হয়ে থাকে। মাইল্ড স্ট্রোক, ইসকেমিক স্ট্রোক ও হেমোরেজিক স্ট্রোক।
স্ট্রোক, মস্তিষ্কে কতোটা ক্ষতি করবে এটা নির্ভর করে এটি মস্তিষ্কের কোথায় ঘটেছে এবং কতোটা জায়গা জুড়ে হয়েছে, তার ওপর।
তবে এখানে সবচেয়ে জরুরি হল ‘সময়’। যদি তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেয়া হয় তাহলে মৃত্যুমুখ থেকে রোগীকে স্বাভাবিক জীবন যাপনে ফিরিয়ে আনা সম্ভব।
চিকিৎসকরা বলছেন, রোগী যতো দ্রুত চিকিৎসা পাবে, ক্ষতির আশঙ্কা ততোই কমবে।
স্ট্রোকের সাধারণ কিছু লক্ষণ হল:
* আচমকা হাত, পা বা শরীরের কোনও একটা দিক অবশ হয়ে যাওয়া। হাত ওপরে তুলতে না পারা।
* চোখে ঝাপসা দেখা।
* কথা বলতে অসুবিধা হওয়া বা কথা জড়িয়ে যাওয়া।
* ঢোক গিলতে কষ্ট হওয়া।
* জিহ্বা অসাড় হয়ে, মুখ বেঁকে যাওয়া।
* শরীরের ভারসাম্য হারিয়ে ফেলা, নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পড়ে পড়ে যাওয়া/জ্ঞান হারানো।
* বমি বমি ভাব, বমি, খিঁচুনি হওয়া।
ছবির উৎস, Getty Images
ডায়াবেটিস
বাংলাদেশে সব বয়সী মানুষের মাঝেই ডায়াবেটিস রোগের হার বাড়ছে। আন্তর্জাতিক ডায়াবেটিস ফেডারেশনের(আইডিএফ) তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশে প্রাপ্তবয়স্ক ডায়াবেটিস রোগীর সংখ্যা এক কোটি ৩৮ লাখেরও বেশি।
ডায়াবেটিস রোগীর মোট সংখ্যার দিক থেকে বাংলাদেশ বর্তমানে বিশ্বে অষ্টম স্থানে রয়েছে।
আইডিএফের এক অনুমান করছে, ২০৪৫ সালের মধ্যে এই অবস্থান সাত নম্বর স্থানে চলে যাবে অর্থাৎ ডায়াবেটিস রোগীর সংখ্যা বেড়ে দুই কোটি ২৩ লাখে পৌঁছাবে।
এই সংস্থাটি বলছে, বাংলাদেশে ৪৩ শতাংশ মানুষই জানেন না যে তারা ডায়াবেটিসে আক্রান্ত অর্থাৎ রোগ নির্ণয়ের বাইরে রয়েছেন তারা।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অসংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণ বিভাগ ২০২২ সালে দেশের আটটি বিভাগে একটি গবেষণা পরিচালনা করে।
ওই গবেষণায় দেখা গেছে, দেশে ১৫ থেকে ৩৫ বছর বয়সী প্রতি একশো তরুণ-তরুণীর মধ্যে সাতজনেরও ডায়াবেটিসে আক্রান্ত।
পুরুষদের তুলনায় তরুণ নারীরা এই রোগে বেশি আক্রান্ত হচ্ছেন বলে ওই গবেষণায় পাওয়া গেছে।
অতিরিক্ত ওজন, স্থুলতা এবং উচ্চ রক্তচাপ টাইপ-২ ডায়াবেটিসের সাথে উল্লেখযোগ্যভাবে সম্পৃক্ত বলেও জানিয়েছে আইডিএফ।
দীর্ঘমেয়াদী শ্বাসতন্ত্রের রোগ
সাধারণত অ্যাজমা এবং ক্রনিক অবস্ট্রাকটিভ পালমোনারি ডিজিজ বা ফুসফুসজনিত রোগে মানুষ আক্রান্ত হন।
বাংলাদেশে প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ রোগী জানতেই পারেন না যে তারা অনিরাময়যোগ্য ফুসফুসের সমস্যায় ভুগছেন।
এ রোগের হার শহুরে মানুষদের চেয়ে গ্রামাঞ্চলের মানুষের মাঝে বেশি দেখা যায়। গোবর, ঘুঁটে, লাকড়ি এমন সব জ্বালানির ব্যবহার এবং ধূমপান এ দীর্ঘমেয়াদী শ্বাসতন্ত্রের রোগের সাথে সম্পর্কিত বলে আইইডিসিআরের গবেষণায় দেখা গেছে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, দেশে ৩০ শতাংশের বেশি মানুষ ফুসফুসজনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান।
নারীর তুলনায় পুরুষরা বেশি এ রোগে আক্রান্ত হন।
ছবির উৎস, Getty Images
ক্যান্সার
বাংলাদেশে প্রতিবছরই বাড়ছে ক্যান্সারে আক্রান্তের সংখ্যা। পরিসংখ্যান ব্যুরোর হিসেবে বাংলাদেশে মৃত্যুর ষষ্ঠতম কারণ ক্যান্সার।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, প্রতিবছর বিভিন্ন ধরনের ক্যান্সারে ভুগে এক লাখ ১৬ হাজার পাঁচশ’ জনের বেশি মানুষ প্রাণ হারাচ্ছেন।
সংস্থাটির হিসাবে, একই সময়ে নতুন করে আক্রান্ত হচ্ছেন এক লাখ ৬৭ হাজারেরও বেশি মানুষ। যদিও বাস্তবে সংখ্যাটি আরও বেশি হবে বলে জানাচ্ছেন চিকিৎসকরা।
শুধু ঢাকার জাতীয় ক্যান্সার গবেষণা ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালেই গত বছর সাড়ে ৪২ হাজারের মতো ক্যান্সার রোগী চিকিৎসা নিয়েছেন। তাদের মধ্যে ৩১ হাজারই নতুন রোগী।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার হিসেবে, বাংলাদেশে বর্তমানে ক্যান্সারে আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা তিন লাখ ৪৬ হাজারের মতো, যা ২০১৮ সালের তুলনায় প্রায় ১১ শতাংশ বেশি। একই সময়ে ক্যান্সার আক্রান্তদের মধ্যে মৃত্যুর হার বেড়েছে প্রায় আট শতাংশ।
পুরুষদের মাঝে ফুসফুস ও মুখের এবং নারীদের মাঝে স্তন ও জরায়ু মুখের ক্যান্সার বেশি দেখা যায়।
গত বছর বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের এক গবেষণায় পাওয়া গেছে, বছরে ১১ দশমিক ৯ শতাংশের মৃত্যুর কারণ ক্যান্সার।
ওই গবেষণায় দেখা গেছে, দেশে ৩৮ ধরনের ক্যান্সার থাকলেও ফুসফুসের ক্যান্সার, কণ্ঠনালীর ক্যান্সার এবং পাকস্থলীর ক্যান্সার সবচেয়ে বেশি মানুষের মৃত্যুর প্রধান কারন।
গবেষণায় যে পাঁচটি ক্যানসার বেশি দেখা গেছে তার মধ্যে ছিল স্তন ক্যান্সার, ঠোঁট ও মুখগহ্বরের ক্যান্সার, পাকস্থলীর ক্যান্সার, কণ্ঠনালীর ক্যান্সার এবং সার্ভিক্স ক্যান্সার।
ছবির উৎস, Getty Images
রোগের কারণ এবং প্রতিরোধ
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জীবনযাত্রার পদ্ধতিতে পরিবর্তন, তামাক ব্যবহার, খাদ্যাভ্যাসে বদল, বায়ু দূষণসহ নানা কারণ ইদানীং তুলনামূলকভাবে কম বয়সীদের ভেতর আকস্মিক মৃত্যুর হার বেড়ে যাওয়ার জন্য দায়ী।
জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ডা. মুশতাক হোসেন বলেন, প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা, প্রাথমিকভাবে রোগ নির্ণয় করা এবং জরুরি স্বাস্থ্যসেবার সহজলভ্যতা এই তিনটি পদক্ষেপ গ্রহণ করলে অকালমৃত্যু প্রতিরোধ করা সম্ভব।
মি. হোসেন বলছিলেন, বাংলাদেশে জরুরী স্বাস্থ্য সেবা সহজলভ্য না। তাই রোগ মোকাবেলায় সুস্থ থাকার জন্য ধাপে ধাপে পদক্ষেপ নিতে হবে।
* প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা – শৈশব থেকেই স্বাস্থ্যকর জীবন-যাপনে উদ্বুদ্ধ করতে হবে।
* আর্লি ডিটেকশন – উপসর্গ বা লক্ষণ গুরুত্ব দিয়ে যত দ্রুত সম্ভব যদি রোগ নির্ণয় করা যায়, তাহলে চিকিৎসা শুরু করা সম্ভব। এজন্য নিয়মিত রক্তচাপ, ডায়াবেটিস পরীক্ষা করা, প্রস্রাব পরীক্ষা ইত্যাদি করা দরকার।
* জরুরি ভিত্তিতে স্বাস্থ্যসেবা দেওয়ার সক্ষমতা থাকতে হবে। তাহলে অনাকাঙ্খিত মৃত্যু কমিয়ে আনা যাবে।
