গ্রেফতার নন্দীগ্রামের কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধানImage Credit: TV9 Bangla

নন্দীগ্রাম: কংগ্রেস প্রার্থীকে নন্দীগ্রামে সমর্থনের কথা জানিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তারপরই নন্দীগ্রাম থেকে এল বড় খবর। গ্রেফতার করা হয়েছে নন্দীগ্রামের কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধানকে। জানা গিয়েছে, ২০০৭ সালে নন্দীগ্রামে জমি অধিগ্রহণ বিরোধী আন্দোলনের সময় একটি খুনের মামলায় তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই মামলায় অভিযুক্ত মিলন প্রধান। ওয়ারেন্টও বেরিয়েছিল তাঁর নামে। শুক্রবার তার প্রেক্ষিতে গ্রেফতার করা হয়েছে কংগ্রেস প্রার্থীকে। 

বিশেষ সূত্রে জানা গিয়েছে, তিনি এদিন বাড়ি বাড়ি প্রচার করছিলেন নন্দীগ্রাম দু’নম্বর ব্লকের রেয়াপাড়া সংলগ্ন এলাকায়। বিকেল সাড়ে পাঁচটার পর তাঁকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে বলে জানা যাচ্ছে।

মিলন প্রধানের গ্রেফতারি নিয়ে প্রাক্তন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী বলেন, “নির্বাচনকে প্রহসনে পরিণত করা হচ্ছে। গ্রেফতার করার অর্থ, কংগ্রেস প্রার্থীকে ভয় পাচ্ছে বিজেপি। গ্রেফতার করার মাধ্যমে বিজেপি প্রমাণ করে দিল, তারা নৈতিকভাবে পরাজিত।”

এদিকে, দলের প্রার্থীকে গ্রেফতার করা নিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হওয়ার কথা জানালেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকার। তিনি বলেন, “আগামিকাল মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষদিন। আজকে আমাদের প্রার্থী মিলন প্রধান সকাল থেকেই প্রচার করেছে। চণ্ডীপুরের যে হোটেলে সে থাকত, সেখান থেকে পুলিশ গ্রেফতার করে। কেন, কী কারণে গ্রেফতার, নন্দীগ্রাম থানা বা চণ্ডীপুর থানা কেউই সঠিক তথ্য দিতে পারছে না।” এরপরই তিনি বলেন, “যেদিন থেকে ভোটের বিজ্ঞপ্তি জারি হয়, সেদিন থেকে পুরো আইন ব্যবস্থা নির্বাচন কমিশনের আওতায় চলে যায়। আমরা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হব। নির্বাচন কমিশনের কাছে লিখিত জানতে চাইব, আমাদের প্রার্থীকে কেন গ্রেফতার করা হল? আমাদের প্রার্থী এখন কোথায়?”

ঋতব্রতদের গণতান্ত্রিক তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়ক মদন মিত্র বলেন, “সম্পূর্ণ প্রশাসনের ব্যাপার। কেউ প্রার্থী হোন কিংবা না হোন, প্রশাসন মনে করলে গ্রেফতার করতে পারেন। তবে আমি বলব, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আমাদের প্রার্থীকে সমর্থনের কথা বলতে পারতেন। কংগ্রেসের ওখানে কিছু নেই।”

কংগ্রেস প্রার্থীকে সমর্থন নিয়ে কী বলেছিলেন মমতা?

মমতার দলের প্রার্থী সঞ্চিতা প্রধান দে এদিন মনোনয়ন প্রত্যাহার করেন। তারপরই সাংবাদিক বৈঠকে মমতা বলেন, “আমরা ঠিক করেছি নন্দীগ্রামে কংগ্রেসকে সমর্থন করব। দেশের কথা চিন্তা করেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই নিয়ে আগেই সিদ্ধান্ত নেওয়া ছিল। কংগ্রেস এই বিষয়ে কিছু জানত না। ওদের প্রার্থী ভাল, সেই জন্য সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।”



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *