নয়া দিল্লি: উপনির্বাচনে জোট বাঁধতে চেয়েও কংগ্রেসের তরফে সাড়া পাননি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। তবে জোড়াফুল প্রতীক হারানোর পর সে সব ভুলে মমতার পাশে দাঁড়ালেন রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi)। লড়াইটা যে মমতার একার নয়, সে কথা লিখলেন দ্ব্যর্থহীন ভাষায়। রাহুলকে ধন্যবাদ জানিয়েছে কালীঘাট-শিবির। শুধু রাহুল গান্ধী বা কংগ্রেস নয়, প্রতীক-হারা মমতার পাশে দাঁড়াচ্ছে দেশের অন্যান্য রাজনৈতিক দলও।

বৃহস্পতিবার রাতে তৃণমূলের নাম ও প্রতীক নিয়ে নিজেদের সিদ্ধান্ত জানিয়ে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। মমতা ও ঋতব্রত- কোনও পক্ষকেই আপাতত জোড়াফুল চিহ্ন দেওয়া হচ্ছে না। উপ নির্বাচনে দুটি ভিন্ন প্রতীক নিয়ে লড়াই করবে দুই দল। ইতিমধ্যে বিকল্প বেছে নিয়েছে দুই শিবিরই।

এরপর শুক্রবার সকালে রাহুল গান্ধী মমতার পাশে দাঁড়িয়ে লিখেছেন, এই লড়াই শুধু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের একার নয়। এটি স্বাধীন ও নিরপেক্ষ নির্বাচন চায় এমন প্রতিটি রাজনৈতিক দল এবং প্রত্যেক ভোটারের লড়াই। একইসঙ্গে বিজেপিকেও নিশানা করেছেন তিনি। তাঁর দাবি, শিবসেনা, এনসিপি এবং এখন তৃণমূল কংগ্রেস- সবার ক্ষেত্রে একই প্যাটার্নে দলকে ভেঙে টুকরো করে, নির্বাচনী প্রতীক ছিনিয়ে নেওয়া হচ্ছে। সাংসদ লিখেছেন, “যখন পুরো একটা রাজনৈতিক দলই চুরি হয়ে যেতে পারে, তখন কোটি কোটি ভারতীয়ের ভোট চুরি হওয়াও আর অবাক করার মতো কিছু নয়।”

তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে পোস্ট করেছেন কংগ্রেস সাংসদ কে সি বেনুগোপালও। অবিলম্বে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ‘জোড়াফুল’ প্রতীক ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তিনি। ধাপে ধাপে গণতন্ত্রকে ধ্বংস করা হচ্ছে বলে সরব হয়েছেন। মমতার সমর্থনে পোস্ট করেছেন আপ সুপ্রিমো তথা দিল্লির প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরীবালও। কমিশনের রায় ও মমতার ছবি পোস্ট করে কেজরীবাল প্রশ্ন তুলেছেন, এভাবে কি ভোটে জিততে পারবে বিজেপি?





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *