আজ কৌশিকী অমাবস্যা, যে তিথিতে সাধক বামদেব তারাপীঠে সিদ্ধিলাভ করেন। এই উপলক্ষে তারাপীঠে ভক্তদের বিপুল সমাগম হয়েছে এবং মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। ভিড় সামলাতে ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ৪ হাজারের বেশি পুলিশ হয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার কৌশিকী অমাবস্যা। এই তিথিতেই তারাপীঠ মহাশ্মশানে সাধনা করে সিদ্ধিলাভ করেছিলেন সাধক বামদেব। আজ সরকার থেকেই তারাপীঠে ভক্তদের সমাগম চোখে পড়ে। ভোরবেলার মঙ্গল আরতি দিয়ে শুরু হয় দিন। এরপর দিনভর চলে পুজো।

কৌশিকী অমাবস্যার পুণ্যতিথিতে মা তারার চরণে শতকোটি প্রণাম জানিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় রাজ্যবাসীকে শুভেচ্ছা জানান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তার পোস্টে মুখ্যমন্ত্রী শুভেচ্ছা বার্তায় লেখেন, ‘মা তারার অশেষ কৃপায় সকলের জীবন সুখ, শান্তি, সমৃদ্ধি ও মঙ্গলময় হয়ে উঠুক। দূর হোক সময় অশুভ ও অন্ধকার। তারা মায়ের আশীর্বাদ সকলের ওপর বর্ষিত হোক। সকলকে জানাই কৌশিকী অমাবস্যার আন্তরিক শুভেচ্ছা ও শুভকামনা। জয় না তারা।’

কৌশিকী অমাবস্যার তিথি শুরু হচ্ছে ১০ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার সকাল ১০ টা ১১ মিনিটে এবং শেষ হচ্ছে ১১ সেপ্টেম্বর শুক্রবার সকাল ৮টা ৫০ মিনিট গতে। এবছর ভিড় সামলাতে ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় ৪ হাজারের বেশি পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। সেই সঙ্গে রয়েছে সহায়তা কেন্দ্র ও ওয়াচ টাওয়ার। ২৭ টি পুলিশ সহায়তা কেন্দ্র এবং ১১টি ওয়াচ টাওয়ার করা হয়েছে। সিসিটিভি ও ড্রোন দিয়ে নজরদারি চলছে। অগ্নি নির্বাপণ ব্যবস্থার কড়াকড়িও চোখে পড়ার মতো। নিরাপত্তার অংশ হিসেবে বিশেষ অগ্নি নির্বাপণ রোবট টেন্ডার, দমকল বাহিনী এবং মন্দির চত্বরে ৩০ টি অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র রাখা হয়েছে। এছাড়া ২৫ জনের বিপর্যয় মোকাবিলা দল ও ৮টি সেবাশিবির প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

এবার তারাপীঠের মন্দিরে মা তারার দর্শনে এবার আর কাগুজে কুপনের ঝক্কি নয়। তিরুপতি-বেনারসের ধাঁচে তারাপীঠ মন্দিরেও চালু হল ডিজিটাল ভিআইপি দর্শনের ব্যবস্থা। ঘরে বসেই কেটে নেওয়া যাবে বিশেষ দর্শনের টিকিট। নির্দিষ্ট মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে অনলাইনেই বুক করা যাবে টিকিট। মন্দিরে ঢোকার সময় স্ক্যান করলেই মিলবে প্রবেশের সুযোগ। এতদিন ৫০০ টাকা দিয়ে কাগুজে কুপন নিয়ে বিশেষ লাইনে দাঁড়াতে হত পুণ্যার্থীদের। নতুন ব্যবস্থায় সেই কাগুজে কুপনের বদলে হাতে থাকবে ডিজিটাল টিকিট। ফলে টিকিট সংগ্রহের প্রক্রিয়াও হবে অনেক সহজ।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *