মোহনবাগান সুপার জায়ান্ট: ১ (মনবীর সিংহ) ইস্টবেঙ্গল এফসি: ১ (মহম্মদ বিলাল)

খবর অনলাইন ডেস্ক: প্রথম সারির একাধিক ফুটবলারকে নিয়ে মাঠে নেমেও কলকাতা লিগের ডার্বিতে ইস্টবেঙ্গলকে হারাতে পারল না মোহনবাগান। সোমবার বারাসত স্টেডিয়ামে ম্যাচ শেষ হল ১-১ গোলে। মোহনবাগানের হয়ে গোল করেন মনবীর সিংহ। দ্বিতীয়ার্ধে পরিবর্ত ফুটবলার মহম্মদ বিলালের হেডে সমতা ফেরায় ইস্টবেঙ্গল।

– বিজ্ঞাপন –

কলকাতা লিগে দু’দলই ইতিমধ্যে সুপার সিক্সে জায়গা করে নেওয়ায় ম্যাচটির গুরুত্ব তুলনামূলক কম ছিল। তবু ডুরান্ড কাপের ফাইনালে হারের বদলা নেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নেমেছিল মোহনবাগান। তবে শেষপর্যন্ত তা সম্ভব হল না। বরং দ্বিতীয়ার্ধে একাধিক সুযোগ নষ্ট করে জয়ের সুযোগ হাতছাড়া করে ইস্টবেঙ্গল।

মোহনবাগানকে এগিয়ে দেন মনবীর সিংহ।

প্রথমার্ধে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণে মোহনবাগানই

প্রথমার্ধে মোহনবাগানই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণে ছিল। মেহতাব সিংহ, রাহুল ভেকে, শুভাশিস বসু, আপুইয়া, সাহাল সামাদ ও মনবীর সিংহের মতো প্রথম দলের ফুটবলারদের নিয়ে খেলতে নামে তারা। অন্য দিকে ইস্টবেঙ্গল ভরসা রেখেছিল জয় বাজ, চাকু মান্ডি, আকাশ হেমব্রমদের উপর।

প্রচণ্ড বৃষ্টির কারণে মাঠ ছিল কাদায় ভরা। ফলে স্বাভাবিক পাসিং ফুটবল খেলতে দুই দলকেই সমস্যায় পড়তে হয়। এর মধ্যেই ৩৮ মিনিটে এগিয়ে যায় মোহনবাগান। দূর থেকে ভেসে আসা বল নিয়ন্ত্রণ করে অঙ্কন ভট্টাচার্য ও গোলকিপার গৌরব সাউকে পরাস্ত করে গোল করেন মনবীর।

বিজ্ঞাপন

আক্রমণে ইস্টবেঙ্গল।

দ্বিতীয়ার্ধে ইস্টবেঙ্গলের আক্রমণ

দ্বিতীয়ার্ধে অবশ্য ছবিটা বদলে যায়। আক্রমণের ঝাঁঝ বাড়ায় ইস্টবেঙ্গল। একের পর এক সুযোগ তৈরি করেও প্রথমে গোল করতে পারেনি তারা। অবশেষে ৫৩ মিনিটে মাঠে নামা মহম্মদ বিলাল ৬৯ মিনিটে বিজয়ের কর্নার থেকে হেডে গোল করে ম্যাচে সমতা ফেরান।

এর পরও জয়ের জন্য মরিয়া হয়ে আক্রমণ চালায় ইস্টবেঙ্গল। চাকু মান্ডির শট বাঁচান মোহনবাগানের গোলকিপার দীপ্রভাত ঘোষ। কর্নার থেকে উত্তমের হেড বারে লাগে। শেষ দিকে আরও কয়েকটি সুযোগ তৈরি হয়। অন্য দিকে ৮৪ মিনিটে কিয়ানের হেড থেকে সায়নের শট দুর্দান্ত দক্ষতায় রুখে দেন ইস্টবেঙ্গল গোলকিপার গৌরব সাউ।

ম্যাচের একটি মুহূর্ত।

গ্রুপ শীর্ষে ইস্টবেঙ্গল

শেষপর্যন্ত আর কোনও গোল হয়নি। ১১ ম্যাচে ২৭ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপ শীর্ষে থেকেই লিগপর্ব শেষ করল ইস্টবেঙ্গল। গোলপার্থক্যে তারা ভবানীপুরের আগে। মোহনবাগানের সংগ্রহ ২৩ পয়েন্ট। তবে ম্যাচের সুযোগের হিসাব বলছে, জয়টা ইস্টবেঙ্গলেরও হতে পারত।

ছবি: সঞ্জয় হাজরা



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *