ইস্টবেঙ্গল এফসি: ৫ (দানি রামিরেজ, মহমদ রাশিদ, হার্দিক ভাট, বিপিন সিংহ, ডেভিড লালহানসাঙ্গা) সাউথ ইউনাইটেড: ০
খবর অনলাইন ডেস্ক: ইস্টবেঙ্গল ডুরান্ড কাপের গ্রুপ পর্বে আরও একটি দাপুটে জয় তুলে নিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠার সম্ভাবনা আরও জোরালো করল। দক্ষিণ ইউনাইটেড এফসিকে ৫-০ গোলে হারিয়ে লাল-হলুদ শিবির গ্রুপ পর্ব শেষ করল +১২ গোল ব্যবধানে। দলের হয়ে দুরন্ত পারফরম্যান্স করেন দানি রামিরেজ। অন্যদিকে, অস্ট্রেলিয়ান ফুটবলার ক্রিস ইকোনোমিডিস ইস্টবেঙ্গলের জার্সিতে অভিষেক ম্যাচেই একটি গোলে সহায়তা করে নজর কাড়েন।
– বিজ্ঞাপন –
প্রথমার্ধে ২-০ গোলে এগিয়ে
এ দিন কলকাতার বিবেকানন্দ যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে আয়োজিত ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে অস্কার হাবাসের দল। ষষ্ঠ মিনিটেই বক্সের বাইরে থেকে বাঁ পায়ের দুর্দান্ত বাঁকানো শটে গোল করে ইস্টবেঙ্গলকে এগিয়ে দেন দানি রামিরেজ। প্রথমার্ধে তিনি একাধিক আক্রমণ গড়ে তুলে দক্ষিণ ইউনাইটেডের রক্ষণকে চাপে রাখেন।
বল দখল এবং আক্রমণে একচেটিয়া আধিপত্য বজায় রাখলেও প্রথমার্ধে কয়েকটি সহজ সুযোগ নষ্ট করে ইস্টবেঙ্গল। তবে ২৪তম মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ হয়। এডমন্ডের ডিফ্লেক্ট হওয়া হেডার থেকে বল পেয়ে কাছ থেকে হেডে জালে বল জড়ান মহমদ রাশিদ।
বিরতির আগে ইস্টবেঙ্গল ৮১ শতাংশ সময় বলের দখল ধরে রাখে। মাঝমাঠে বিষ্ণু পি ভি-র পারফরম্যান্সও ছিল প্রশংসনীয়। তিনি আক্রমণ গড়ে তোলার পাশাপাশি প্রতিপক্ষকে নিজেদের অর্ধেই আটকে রাখেন।
দ্বিতীয়ার্ধে আরও ৩ গোল
দ্বিতীয়ার্ধেও একই ছন্দ বজায় রাখে লাল-হলুদ। ৬৯তম মিনিটে ইস্টবেঙ্গলের জার্সিতে বহু প্রতীক্ষিত অভিষেক হয় অস্ট্রেলিয়ান ফরোয়ার্ড ক্রিস ইকোনোমিডিসের। এর চার মিনিট পরেই স্কোরলাইন ৩-০ করেন হার্দিক ভাট। দূরপাল্লার একটি শট দক্ষিণ ইউনাইটেডের গোলরক্ষক ঠিকমতো সামলাতে না পারায় বল গড়িয়ে জালে ঢুকে যায়।
বিজ্ঞাপন
৮১তম মিনিটে নিজের প্রথম অবদান রাখেন ইকোনোমিডিস। ডান দিক থেকে তাঁর নিচু ক্রসে হেড করে গোল করেন বিপিন সিংহ। এতে ব্যবধান দাঁড়ায় ৪-০। অতিরিক্ত সময়ে পঞ্চম গোলটি করেন ডেভিড লালহানসাঙ্গা। তাঁর গোলে ৫-০ ব্যবধানে বড় জয় নিশ্চিত করে ইস্টবেঙ্গল।
সেরা দ্বিতীয় স্থানাধিকারী দল হতে পারে লাল-হলুদ
এই জয়ের ফলে গ্রুপ পর্ব শেষ করল ইস্টবেঙ্গল +১২ গোল ব্যবধানে। এখন কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠা নির্ভর করবে বাকি গ্রুপগুলির ফলাফলের উপর। তবে দুর্দান্ত গোল ব্যবধানের সুবাদে সেরা দ্বিতীয় স্থানাধিকারী দলগুলির অন্যতম হিসেবে শেষ আটে ওঠার দৌড়ে লাল-হলুদই এখন অন্যতম ফেভারিট।
