মৌ বসু
অন্তরালে চলে যাওয়া কৃষ্ণগহ্বরের খোঁজ মিলেছে। এআই বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তির সাহায্যে সাম্প্রতিক মহাকাশ বিজ্ঞান গবেষণা ক্ষেত্রে এক অভিনব ঘটনা ঘটেছে। কেন না, এআই প্রযুক্তির সাহায্যে এক বৃহদাকার বা সুপার ম্যাসিভ আকৃতির কৃষ্ণগহ্বরের খোঁজ মিলেছে। পৃথিবী থেকে অনেক আলোকবর্ষ দূরে নক্ষত্রপুঞ্জ বা গ্যালাক্সির কেন্দ্রস্থল থেকে ৩০ হাজার আলোকবর্ষ দূরে ওই কৃষ্ণগহ্বরের খোঁজ মিলেছে।
আমেরিকার মহাকাশ গবেষণা কেন্দ্র নাসার বিজ্ঞানীরা জানান, মহাজাগতিক ঘটনা ‘টাইডাল ডিসরাপশন ইভেন্ট’ ঘটার সময় একটি নক্ষত্র কৃষ্ণগহ্বরের খুব কাছাকাছি চলে যায়। কৃষ্ণগহ্বর সেই নক্ষত্রকে গিলে খেতে চায়। কৃষ্ণগহ্বরের মাধ্যাকর্ষণ শক্তি এতই বেশি ছিল যে নক্ষত্র ছিন্নভিন্ন হয়ে যায়। নক্ষত্র যা পদার্থ দিয়ে তৈরি তা কৃষ্ণগহ্বরের প্রভাবে জ্বলন্ত গ্যাসের চক্রে পরিণত হয়ে চক্রাকারে ঘুরতে থাকে। কৃষ্ণগহ্বরের যত বেশি ভেতরে ঢুকতে থাকে ততই আলোর ঝলকানি দেখা যায়। দীর্ঘ সময় ধরে একটানা স্থায়ী হয় বিস্ফোরণ।
ক্যালিফোর্নিয়ার পালমোরার অবজারভেটরিতে Zwicky Transient Facility ২০২৫ সালের নভেম্বরে প্রথম বার আলোর বিচ্ছুরণ দেখে। প্রতি রাতে ৫ লাখের বেশি আলোর ঝলকানি রেকর্ড হয়। বিজ্ঞানীরা নতুন আবিষ্কৃত এআই অ্যালগোরিদমের সাহায্যে কৃষ্ণগহ্বরের খোঁজ পান। তবে গ্যালাক্সির কেন্দ্রস্থলে নয় কেন্দ্রস্থল থেকে ৩০ হাজার আলোকবর্ষ দূরে ওই কৃষ্ণগহ্বরের খোঁজ মিলেছে।
