কোটা আন্দোলন ঘিরে সহিংসতা চলার সময় গুলিতে নিহত চারজন। ওপরে ডান দিক থেকে, ঘড়ির কাটার ক্রম অনুসারে- মাহমুদুর রহমান সৈকত, মোঃ মেরাজ, মাহমুদুর রহমান সৈকত ও তাহির জামান প্রিয়
ছবির ক্যাপশান, জুলাইয়ের মামলার ধীরগতি নিয়ে হতাশ নিহত ও আহতদের পরিবারের সদস্যরা

নারায়নগঞ্জের আড়াইহাজারে দুস্তারা ইউনিয়ন বিএনপির সহ-সভাপতি বাবুল মিয়া ২০২৪ সালে মারা যান। কিন্তু পরের বছর জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় চৌঠা অগাস্ট আন্দোলনে অংশ নিয়ে তিনি নিহত হয়েছেন এমন অভিযোগে একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়।

আড়াইহাজার থানায় দায়ের করা এই হত্যা মামলায় ১৩১ জনকে আসামি করা হয়েছে, যাদের অনেকেই রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ ছিলেন।

পুলিশের তদন্তে বিষয়টি প্রমাণিত হলে মামলাটিতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে আদালতের একটি সূত্র। তবে, এমন মামলার সংখ্যা একটি নয় বরং শতাধিক।

জুলাইয়ের ঘটনায় দায়ের করা মামলাগুলোর তদন্ত করতে গিয়ে তদন্ত কর্মকর্তারা এমন মিথ্যা, অসত্য, ভুয়া মামলা যেমন পাচ্ছেন ঠিক তেমনি দুই বছরের বেশি সময় পার হলেও হত্যা মামলাগুলোর তদন্তের গতি খুব ধীর বলে ক্ষোভ প্রকাশ করে আসছেন স্বজন ও সংশ্লিষ্টরা।

জুলাইয়ের ঘটনায় মামলাগুলো নিয়ে বিভিন্ন সময় মানবাধিকার কর্মী ও আইনজ্ঞরা অতীতের মতো ঢালাও মামলা বলে সমালোচনা করে আসছেন। একই ফরম্যাটে এবং একই ধরনের আসামিরা এসব মামলাগুলোতে রয়েছেন বলে বিভিন্ন সময় বিবিসি বাংলাও প্রতিবেদন করেছে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *