বিমানবন্দর থেকে মরদেহ সংগ্রহ করে নিয়ে যাচ্ছেন স্বজনরা

ছবির উৎস, www.facebook.com/probashi.gov.bd

ছবির ক্যাপশান, ঢাকায় হযরত শাহজালালআন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে মরদেহ সংগ্রহ করে নিয়ে যাচ্ছেন স্বজনরা

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জের ওমর ফারুক সৌদি আরবের রিয়াদে সড়ক দুর্ঘটনায় মারা গিয়েছিলেন। কয়েকদিনের তৎপরতায় ও দূতাবাস কর্মকর্তাদের সহায়তায় তার মরদেহ ঢাকায় এসে পৌঁছেছিল গত ডিসেম্বরের একদিন রাত দুটায়। সেই মরদেহ তার স্বজনরা ঢাকায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বুঝে পেয়েছিল পরদিন বেলা চারটায়।

“ঢাকা এয়ারপোর্ট থেকে লাশ নিতেই পারছিলাম না। কাগজের জটিলতা। একবার বলে এটা লাগবে, একবার এই রুম- আরেকবার ওই রুম, চেয়ারম্যানের কাগজ তো ওয়ারিশ সার্টিফিকেট। এমন নানা কাহিনীর কারণে লাশটা এয়ারপোর্টেই ছিল ১৪ ঘণ্টা। এরপর আমরা নিয়ে দাফন করতে পারলাম,” বিবিসি বাংলাকে বলছিলেন তার ভায়রা নুর ইসলাম।

দুর্ঘটনা ছাড়াও প্রবাসে অনেকের স্বাভাবিক মৃত্যু হয়। সাধারণত বিদেশে বাংলাদেশ মিশন ও বাংলাদেশি কমিউনিটি মরদেহ দেশে পাঠাতে সহায়তা করেন।

কিন্তু মরদেহ ঢাকায় পৌঁছানোর পর বিমানবন্দর থেকে তা গ্রহণের ক্ষেত্রে মৃতের স্বজনরা জটিলতার মুখে পড়েন এবং কোনো কোনো ক্ষেত্রে এসব নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগও পাওয়া যাচ্ছে।

বাংলাদেশ সরকারের ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের মহাপরিচালক মোঃ আসাদুজ্জামান অবশ্য বিবিসি বাংলাকে বলছেন, প্রবাসী কর্মীদের মরদেহ দেশে এসে পৌঁছানোর পর তা গ্রহণে অহেতুক বিলম্ব কিংবা এই প্রক্রিয়ায় হেনস্থার কোনো সুযোগ এখন আর নেই।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *