লিঙ্গোত্থানজনিত সমস্যাকে একটি নীরব মহামারি হিসেবে বর্ণনা করা যেতে পারে

ছবির উৎস, Serenity Strull/BBC

ছবির ক্যাপশান, লিঙ্গোত্থানজনিত সমস্যাকে একটি নীরব মহামারি হিসেবে বর্ণনা করা যেতে পারে

ইরেক্টাইল ডিসফাংশন বা লিঙ্গোত্থানজনিত সমস্যা, যেটাকে অনেকে পুরুষত্বহীনতাও বলেন- সেটা হার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোক, ডায়াবেটিস ও ডিমেনশিয়ার প্রাথমিক সতর্কবার্তা হতে পারে। গবেষকদের মতে, এখন রোগী ও চিকিৎসক উভয়েরই এ বিষয়ে মনোযোগ দেওয়ার সময় এসেছে।

এই সমস্যাকে একটি নীরব মহামারি হিসেবে বর্ণনা করা যেতে পারে। একাধিক সমীক্ষা অনুসারে, ৪০ বছরের বেশি বয়সী অর্ধেকেরও বেশি প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষ এতে আক্রান্ত।

তবে, খুব কম সংখ্যক মানুষই তাদের প্রিয়জনদের সাথে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করতে ইচ্ছুক।

যদি কথোপকথনে বিষয়টি উঠেও আসে, তাহলেও এটিকে আসন্ন অসুস্থতার প্রাথমিক সতর্ক সংকেত হিসেবে না দেখে প্রায়শই ঠাট্টা-তামাশার বিষয় হিসেবে দেখা হয়।

অথচ, প্রচুর নতুন গবেষণার তথ্য বলছে, পুরুষাঙ্গ প্রায়শই একজন পুরুষের সামগ্রিক স্বাস্থ্যের একটি ব্যারোমিটার বা পরিমাপক হিসেবে কাজ করে এবং লিঙ্গোত্থানজনিত সমস্যা অনেক গুরুতর রোগের পূর্বাভাস দেয়।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *