তীব্র গরমের পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে রাজ্যের বিভিন্ন স্কুলে চালু হওয়া মর্নিং শিফটের সময়সীমা আরও বাড়াল স্কুল শিক্ষা দফতর। নতুন নির্দেশিকা অনুযায়ী, যে সমস্ত স্কুল বর্তমানে সকালে চলছে, সেগুলি আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত একই সময়সূচি বজায় রাখবে। ইতিমধ্যেই বিকাশ ভবন থেকে এই সংক্রান্ত নির্দেশ সমস্ত জেলার শিক্ষা কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে।

শিক্ষা দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, গরমের তীব্রতা এখনও পুরোপুরি কমেনি। পাশাপাশি আবহাওয়ার অনিশ্চিত পরিস্থিতির কথা বিবেচনা করেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ফলে শিক্ষক-শিক্ষিকা এবং পড়ুয়াদের স্বাস্থ্যের কথা মাথায় রেখে আপাতত সকালের শিফটেই ক্লাস চলবে।

– বিজ্ঞাপন –

এর আগে রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় তাপপ্রবাহ ও অস্বাভাবিক গরমের কারণে স্কুলের সময়সূচি পরিবর্তনের অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। জেলা স্কুল পরিদর্শকদের প্রয়োজন অনুযায়ী স্কুলগুলিকে মর্নিং শিফটে চালানোর সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা দেওয়া হয়। সেই অনুযায়ী বহু স্কুলে সকালবেলা ক্লাস শুরু করা হয়েছিল। এবার সেই ব্যবস্থার মেয়াদ আরও বাড়ানো হল।

স্কুল শিক্ষা দফতরের নির্দেশ অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট স্কুল কর্তৃপক্ষকে শিক্ষক, শিক্ষাকর্মী, অভিভাবক ও পড়ুয়াদের আগাম জানিয়ে সংশোধিত সময়সূচি কার্যকর করতে হবে। বর্তমানে যে সময়সূচিতে ক্লাস চলছে, তা ৩০ জুন পর্যন্ত বহাল থাকবে।

উল্লেখ্য, চলতি বছর গরমের তীব্রতার কারণে রাজ্যের স্কুলগুলিতে গরমের ছুটিও বাড়ানো হয়েছিল। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে শিক্ষা দফতর ছুটির মেয়াদ বৃদ্ধি করে। প্রথমে নির্ধারিত সময়ের চেয়ে বেশি দিন স্কুল বন্ধ রাখা হয়।

স্কুল শিক্ষা দফতরের ১৩ মে-র বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, পাহাড়ি এলাকা বাদ দিয়ে রাজ্যের সমস্ত সরকারি, সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত, প্রাথমিক, উচ্চ প্রাথমিক, মাধ্যমিক এবং উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে গরমের ছুটি ৩১ মে পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছিল। ১১ মে থেকে শুরু হওয়া ছুটি পরে বর্ধিত করে মাসের শেষ দিন পর্যন্ত করা হয়।

বিজ্ঞাপন

পরবর্তীতে ১ জুন থেকে স্কুলগুলি পুনরায় খুললেও গরমের পরিস্থিতি বিবেচনা করে বহু জায়গায় মর্নিং শিফট চালু রাখা হয়। সেই ব্যবস্থাই এখন জুন মাসের শেষ দিন পর্যন্ত বহাল রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

শিক্ষা মহলের একাংশের মতে, বর্ষা পুরোপুরি সক্রিয় না হওয়া পর্যন্ত এই সিদ্ধান্ত ছাত্রছাত্রীদের জন্য স্বস্তিদায়ক হবে। বিশেষ করে দুপুরের প্রখর গরম এড়িয়ে সকালে ক্লাস হলে পড়ুয়াদের শারীরিক অসুবিধা অনেকটাই কমবে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *