দিল্লিতে পিএলও নেতা ইয়াসের আরাফাতের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী (২৯শে মার্চ ১৯৮০)

ছবির উৎস, Getty Images

ছবির ক্যাপশান, দিল্লিতে পিএলও নেতা ইয়াসের আরাফাতের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী (২৯শে মার্চ ১৯৮০)

পিএলও বা প্যালেস্টিনিয়ান লিবারেশন অথরিটির প্রবাদপ্রতিম নেতা ইয়াসের আরাফাত ভারতের তদানীন্তন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীকে সব সময় ‘আমার বড় বোন’ বলে সম্বোধন করতেন। ইন্দিরা গান্ধীর সময়ে দিল্লিতে যে নির্জোট আন্দোলনের (ন্যাম) শীর্ষ সম্মেলন হয়েছিল, তাতে তিনি ‘রাষ্ট্রনেতা’ হিসেবে উদ্বোধনী অধিবেশনে ভাষণ পর্যন্ত দিয়েছেন।

সমকালীন ইতিহাসের পর্যবেক্ষকরা সবাই মানেন ইন্দিরা ও আরাফাতের মধ্যে অসম্ভব পারস্পরিক শ্রদ্ধা ছিল, বিরাট ভরসার সম্পর্ক ছিল। আর সেই আস্থা ও বন্ধুত্ব শুধু ব্যক্তিগত পরিসরেই নয়, ভারতীয় ও ফিলিস্তিনি জাতিসত্তার মধ্যেও সম্প্রসারিত হয়েছিল।

আসলে ভারতের জাতির জনক হিসেবে স্বীকৃত মোহনদাস গান্ধী থেকে শুরু করে জওহরলাল নেহরু বা তার কন্যা ইন্দিরা – প্রত্যেকেই চিরকাল ফিলিস্তিনিদের অধিকারকে জোরালো সমর্থন জানিয়েছেন, তাদের কাছ থেকে যে ভূখণ্ড ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে সেই জমিতে মর্যাদার সঙ্গে তাদের বাঁচার অধিকারকে স্বীকৃতি দিয়েছেন।

স্বাধীনতার পর থেকেই শত শত ফিলিস্তিনি ছাত্র প্রতি বছর বৃত্তি নিয়ে ভারতে মেডিকেল বা ইঞ্জিনিয়ারিং পড়তে আসত, ভারতের নিজের আর্থিক অবস্থা যাই হোক, ফিলিস্তিনে ত্রাণ, রসদ ও সহায়তা পাঠানো হতো প্রতি বছরই। এই ধারা পুরো মাত্রায় বজায় ছিল ১৯৮০র দশক পর্যন্ত।





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *