বর্ধমান:  মারধরের সাত দিন পর একটি নার্সিংহোমে মৃত্যু হল তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতি। মারধরের অভিযোগ বিজেপির বিরুদ্ধে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃতের নাম মিহির ঘোষ। মঙ্গলকোটের তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতিকে পিটিয়ে খুনের অভিযোগ পরিবারের। পরিবারের সদস্যদের দাবি, ঘটনার দিন রাত্রে সালিশি সভা ডেকে লাইট অফ করে অন্ধকারে মারধর করা হয়। পরে তাঁকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে নার্সিংহোমে নিয়ে যাওয়া হয়। ৭ দিন পর মৃত্যু হয় তাঁর। রবিবার বিকালে মৃতদেহ গ্রামের বাড়িতে আনা হয়। তবে বিজেপির বিধায়কের বক্তব্য, এই খুনের সঙ্গে বিজেপির কেউ যুক্ত নয় বিক্ষুব্ধ তৃণমূলরা এই ঘটনা ঘটিয়েছে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

এই ঘটনায় মৃতের ছেলে প্রবীর ঘোষ জানান, আটদিন আগে তাঁর বাবাকে যাঁরা ইট,লাঠি অস্ত্র দিয়ে মারধর করেছিলেন,  তাঁদের কয়েকজনের নাম দিয়ে থানায় অভিযোগ জানানোর পরও কাউকে এখনও পুলিশ গ্রেফতার করেনি। তিনি বলেন, “আমি চাই পুলিশ দোষীদের গ্রেফতার করুক, তাঁদের শাস্তি হোক।”

ছেলে প্রবীর ঘোষ বলেন, “আমার বাবা মঙ্গলকোটের অঞ্চল সভাপতি ছিল, তাকে গত রবিবার বিজেপির কিছু দুষ্কৃতী গ্রামের মন্দিরে ডেকে নিয়ে গিয়ে সালিশি সভা শেষে, লাইট অফ করে মারধর করে।” প্রথমে মঙ্গলকোট ব্লক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হয়ে কলকাতার হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। পরে বর্ধমানের একটি নার্সিংহোমে ভর্তি করা হয়। রবিবার সকালে মিহির ঘোষের মৃত্যু হয়।

মঙ্গলকোটের ব্লক সভাপতি রামকেশব বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “মিহির ঘোষের মর্মান্তিক মৃত্যু খুবই দুঃখের। প্রশাসনের কাছে আবেদন দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিক।”



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *