রাজারহাট: রাজ্যে পালাবদল হতেই তৃণমূল নেতাদের বিরুদ্ধে ভূরি ভূরি অভিযোগ উঠছে। গ্রেফতারও হচ্ছেন তৃণমূল নেতারা। এই পরিস্থিতিতে রাজারহাট গোপালপুরে গিয়ে এক ‘ডাকাতের’ কথা উল্লেখ করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। কারও নাম নিলেন না। ‘ডাকাতের’ বিষয়টি পুলিশমন্ত্রী অর্থাৎ তাঁর উপর ছেড়ে দেওয়ার কথা বললেন। কিন্তু, কে এই ডাকাত? মুখ্যমন্ত্রী নাম না নিলেও খোলসা করলেন রাজারহাট গোপালপুরের বিজেপি বিধায়ক তরুণজ্যোতি তিওয়ারি।

কী বললেন শুভেন্দু অধিকারী?

রবিবার সন্ধেয় রাজারহাট গোপালপুর বিধানসভা আয়োজিত এক রক্তদান শিবির অনুষ্ঠানে আসেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু। সেই অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বিজেপি বিধায়ক তরুণজ্যোতির প্রশংসা করেন। তারপরই টেনে আনেন ‘ডাকাতের’ প্রসঙ্গ। শুভেন্দু বলেন, “বর্তমানে আপনারা কার্যত দ্বিতীয় স্বাধীনতার স্বাদ পেয়েছেন ২০২৬ সালে। তাই, আপনারা এই বৃষ্টিতেও কেউ বাড়িতে বসে নেই। বেরিয়ে এসেছেন। তরুণ আইনজীবী, প্রতিবাদী যাঁকে আপনারা ২৭ হাজারের বেশি ভোটে জিতিয়ে একটা ডাকাতকে হারিয়ে দিয়েছেন। ওই ভাইপোর যে টেনিয়াটা এখানে ছিল। কোথায় গিয়েছে? অনেক মামলা দিয়েছে। অত্যাচার করেছে। ছোট ছোট কাজ যারা করত, কেড়ে নিয়েছে। একুশের পরের যে অত্যাচার, আমি তো বলব ব্রিটিশরাও এত অত্যাচার করেনি, যা ওরা করেছে। তারপরও আমাদের নেতা শমীক ভট্টাচার্য ও আপনাদের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলছি, আইন হাতে তুলে নেবেন না। কুকুর মানুষের পায়ে কামড়ায়, মানুষ কখনও কুকুরের পায়ে কামড়ায় না।”

তারপরই হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি বলেন, “পুষ্পা ঝুঁকেগা নেহি বলে ঝুঁকতে ঝুঁকতে হারিয়ে গিয়েছে। এখানে যে ডাকাতটা রয়েছে, তার বিষয়টা পুলিশমন্ত্রীর (তিনি নিজেই) উপর ছেড়ে দিন।”

কে এই ‘ডাকাত’?

মুখ্যমন্ত্রী নাম না নিলেও বিধায়ক তরুণজ্যোতি বললেন, “ডাকাতের নাম দেবরাজ চক্রবর্তী। ছিল পূর্ণেন্দু বসুর আপ্ত সহায়ক। সেখান থেকে কোটি কোটি টাকার সম্পত্তি। তাঁর স্ত্রীর নামে কোনওদিন কিছু বলিনি। বলতেও চাই না। কিন্তু, তার মানে এই নয়, তার স্ত্রী কিছু জানত না। স্ত্রীর নামে এত সম্পত্তি কোথা থেকে হল? দেবরাজ চক্রবর্তী কোথায়? তাঁকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না কেন? অপেক্ষা করুন, দেবরাজ চক্রবর্তী আজ নয় কাল জেলে যাবে।”



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *