হাজার হাজার বছর ধরে মানুষ নিজের উত্তরাধিকার বা স্মৃতি ধরে রাখার প্রতি আচ্ছন্ন।
মিশরের পিরামিড ও গ্রেট স্ফিংক্স  অফ গিজা (মানুষের মাথা ও সিংহের দেহবিশিষ্ট এক পৌরাণিক মূর্তি)- তারই এক উদাহরণ।

ছবির উৎস, Getty Images

ছবির ক্যাপশান, মানুষ হাজার হাজার বছর ধরে তাদের উত্তরাধিকার সংরক্ষণ করার প্রতি গভীরভাবে আচ্ছন্ন

যখন বেথ হান্টারের বাবার আলঝেইমার রোগ ধরা পড়ে, তখন তিনি তার বাবাকে জিজ্ঞেস করেছিলেন যে তারা কি একসঙ্গে কথোপকথন রেকর্ড করে রাখতে পারেন -যাতে ভবিষ্যতে তিনি সেই কণ্ঠস্বর শুনতে পারেন। কিন্তু তার বাবা রাজি হননি।

হান্টার বলেন, তিনি সম্পর্ক নিয়ে গভীর আবেগপূর্ণ টাইপের লোক ছিলেন না। তিনি নিজের অসুস্থতা বা মৃত্যু নিয়েও মুখোমুখি হতে চাইতেন না। বরং তিনি নিজের যুদ্ধের স্মৃতিগুলো হাতে লিখে রাখতে বেশি গুরুত্ব দিয়েছিলেন, পরে সেগুলো টাইপ করার জন্য অন্য কাউকে নিয়োগ করেছিলেন।

উত্তরাধিকার রেখে যাওয়ার ইচ্ছা বয়স্কদের মধ্যে বেশি তীব্র হতে পারে, কারণ তারা সময়ের সীমাবদ্ধতা বেশি অনুভব করেন। কিছু গবেষক মনে করেন, এই ইচ্ছা জীবনের আরও আগের সময় থেকেই শুরু হতে পারে এবং হয়তো হওয়াও উচিত।

এছাড়া গবেষণা ইঙ্গিত দেয় যে, মৃত্যুর পর ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য কিছু রেখে যাওয়ার যে সহজাত আকাঙ্ক্ষা মানুষের মধ্যে আছে, সেটিকে ভালোভাবে বোঝা গেলে মানসিক স্বাস্থ্য উন্নত করার নতুন উপায়ও খুঁজে পাওয়া যেতে পারে।

ওহাইওর বোলিং গ্রিন স্টেট ইউনিভার্সিটির সহযোগী অধ্যাপক এবং ক্যান্সার-পরবর্তী জীবনে উত্তরাধিকার বিষয়ে বিশেষজ্ঞ বেথ হান্টার বলছিলেন যে, “অধিকাংশ মানুষ এ বিষয়টি নিয়ে ভাবেই না”।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *