
15 August Independence Day: স্বাধীনতা দিবসে সারা দেশ উৎসবমুখর এবং দেশপ্রেমের আবেশে মগ্ন। কাশ্মীর থেকে কন্যাকুমারী পর্যন্ত শহরগুলি ত্রিবর্ণের আলোয় সজ্জিত হয়েছে এবং দেশজুড়ে “তিরঙ্গা যাত্রা” ও বিশেষ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই দিনটি পালিত হচ্ছে।
15 August Independence Day: স্বাধীনতা দিবসে সারা দেশ উৎসবমুখর। মানুষ দেশপ্রেমের আবেশে মগ্ন । দেশজুড়ে ত্রিবর্ণ প্রজ্জ্বলন, তিরঙ্গা যাত্রা এবং বিশেষ অনুষ্ঠানগুলিতে স্বাধীনতা দিবসের চেতনা প্রতিফলিত হচ্ছে। বর্ণে আলোকিত দেশের প্রতিটি কোনা। কাশ্মীর থেকে কন্যাকুমারী পর্য ন্ত আসমুদ্রহিমাচল তিন রঙে সেজে উঠেছে। ত্রিবর্ণে সজ্জিত এই প্রতিটি শহরের দর্শণীয় স্থান দেশবাসী গর্বের সঙ্গে পোস্ট করছেন সোশ্যাল মিডিয়ায়।
স্বাধীনতা দিবস এবং দেশপ্রেমের চেতনা প্রতিফলিত করে এমন এই সজ্জা দেখে মানুষও উচ্ছ্বসিত ছিল। কলকাতার ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল থেকে বাইপাসের বেশকিছু বিল্ডিং এই ত্রিবর্ণের আলোকসজ্জার ছবি কেয়কদিন আগে থেকেই সমাজ মাধ্যমের পেজে ভাইরাল। একই সঙ্গে দেশের রাজধানীতে ভিড় জমেছে কুচকা আওয়াজে অংশগ্রহণ করার জন্য। সব মিলিয়ে দেশ জুড়ে উৎসবমুখর পরিবেশ।
দেশপ্রেমে স্নাত দেশ
স্বাধীনতা দিবসের আগে, দেশের প্রধান সড়ক এবং বিভিন্ন স্থানে, যেমন রাজভবন, রাজপথ থেকে লাল কেল্লা-সহ বিভিন্ন জায়গায় আলো প্রদর্শন করা হয়েছে। স্বাধীনতা দিবসের রঙে সেজে উঠেছে দেশের প্রতিটি শহর। ১৫ই আগস্টের আগে শহর জুড়ে ত্রিবর্ণের এই সজ্জা জনসাধারণের আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। দেশের ৮০তম স্বাধীনতা দিবস উদযাপনের আগে শুক্রবার থেকেই দেশের বিভিন্ন স্কুল কলেজে “তিরঙ্গা যাত্রা”-র অনুষ্ঠান শুরু হয়েছে। এছাড়া “ঘর ঘর তিরঙ্গা” শোভা পাচ্ছে।
তিরঙ্গা যাত্রা আয়োজিত
বিভিন্ন রাজ্যের সাংস্কৃতিক দল, ছাত্রছাত্রী এবং যুবকরা ঐতিহ্যবাহী পোশাকে সজ্জিত হয়ে যাত্রাপথ জুড়ে বর্ণাঢ্য দেশাত্মবোধক পরিবেশনা উপস্থাপন করেন এবং অংশগ্রহণকারীদের উৎসাহের সঙ্গে স্বাগত জানান। ৮০তম স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে জম্মু ও কাশ্মীরের গ্রীষ্মকালীন রাজধানী শ্রীনগর এবং উপত্যকার অন্যান্য জেলাগুলি জাতীয় পতাকার রঙে ছেয়ে গিয়েছিল।
জাতীয় পতাকার রঙে রাঙানো কাশ্মীর
উপত্যকার অন্যান্য অংশেও ত্রিবর্ণ র্যালি অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে ছাত্রছাত্রীসহ বিপুল সংখ্যক মানুষ অংশ নেন। প্রধান স্থাপনা, সরকারি ও অন্যান্য ভবন, রাস্তা এবং মিনারগুলোকে ত্রিবর্ণ দিয়ে সাজানো হয়। এলওসির নিকটবর্তী বিভিন্ন স্থানে জাতীয় পতাকাও উত্তোলন করা হয়। শান্তিপূর্ণ স্বাধীনতা দিবস উদযাপন নিশ্চিত করতে উপত্যকা জুড়ে নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে।
