লিওনেল মেসি, ভিনিসিয়াস জুনিয়র, ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো, এমবাপ্পে

ছবির উৎস, Getty Images

ফিফা যখন ঘোষণা দিয়েছিলো যে ২০২৬ সালের বিশ্বকাপে ৪৮টি দল খেলবে এবং খেলার সংখ্যা বেড়ে মোট ১০৪টি হবে, তখন অনেকেই আশঙ্কা করেছিলেন যে অনেকগুলো ম্যাচ একপেশে হবে, আর নতুন ও র‍্যাংকিং পিছিয়ে থাকা দলগুলো বড় দলের সামনে উড়ে যাবে।

কিন্তু, রাউন্ড অফ ৩২ পর্যন্ত তেমন কিছু ঘটেনি। বরং তথাকথিত ছোটদলগুলো পাল্লা দিয়ে লড়েছে র‍্যাংকিংয়ে শীর্ষে থাকা দলগুলোর সাথে, টান টান উত্তেজনার সব খেলা উপভোগ করেছে সারা দুনিয়ার দর্শকেরা।

বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনার সাথে কেপ ভার্দের ম্যাচটার কথাই ধরা যাক। মাত্র লাখ পাঁচেক জনসংখ্যার দেশ কেপ ভার্দে এইবার প্রথম বিশ্বকাপে খেলছে, বিশ্ব র‍্যাংকিং কিংবা ফুটবলের ঐতিহ্য কোনো কিছুতেই আর্জেন্টিনার সঙ্গে দলটির তুলনা চলে না। কিন্তু, গ্রুপ পর্যায়ে প্রাক্তন দুই চ্যাম্পিয়ন স্পেন আর উরুগুয়ের বিপক্ষে ড্র করার পর লিওনেল মেসির দলের বিরুদ্ধেও সেয়ানে সেয়ানে লড়াই করেছে আফ্রিকার দলটি।

নির্ধারিত সময়ে ১-১ গোলে ড্র করার পর অতিরিক্ত সময়ের শুরুতেই আবার পিছিয়ে যায় কেপ ভার্দে। কিন্তু, ১০৩ মিনিটের মাথায় সিডনি লোপেস কার্বাল তর্কযোগ্যভাবে এই টুর্নামেন্টের সেরা গোলটি করে আবার সমতা ফেরান। যদিও শেষতক এক আত্মঘাতী গোলে তারা হেরে যায়, কিন্তু ছাপ রেখে যায় লড়াকু মানসিকতার, আর প্রমাণ করে দেয় যে এই বিশ্বকাপে কোনো দলকেই ছোট করে দেখার সুযোগ নেই।

ব্যাপারটি টের পেয়েছে চারবারের চ্যাম্পিয়ন জার্মানি। মানসিক দৃঢ়তার জন্য বিখ্যাত দলটিকে টাইব্রেকারে হারিয়ে দিয়েছে দারুণ লড়াই করা প্যারাগুয়ে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *