রোজ ভাপা-পাতুরি খেয়ে বোর? বর্ষায় এবার ট্রাই করুন সুগন্ধি ইলিশ বিরিয়ানি। ৩০ মিনিটে রেডি, স্বাদে একদম রেস্টুরেন্ট ফেল।

বর্ষা মানেই ইলিশ। আর ইলিশ মানেই কি শুধু ভাপা আর পাতুরি, তা কিন্তু নয়। রোজ একই স্বাদ খেতে খেতে মুখও বোর হয়ে গেছে। তাই এই বর্ষায় কিচেনে নিয়ে আসুন নতুনত্ব – ইলিশ বিরিয়ানি।

শুনে অবাক হচ্ছেন? ইলিশ দিয়ে আবার বিরিয়ানি? হ্যাঁ! ইলিশের পেটির তেল যখন বাসমতী চালের সাথে মিশে দমে বসে, সেই গন্ধে পাড়ার লোক জিজ্ঞেস করবে “কী রাঁধছো গো?”

বিরিয়ানি মানেই মাংস ভাবেন তো? ইলিশ বিরিয়ানি একবার খেলে সেই ধারণা পাল্টে যাবে। হালকা, সুগন্ধি আর পেট ভরে খেয়েও অস্বস্তি নেই।

কীভাবে বানাবেন? একদম সহজ:

উপকরণে লাগছে:

* ইলিশ মাছ (কয়েক টুকরো) * বাসমতি বা ভালো মানের বিরিয়ানির চাল * টক দই * বাটা মশলা (পেঁয়াজ, আদা-রসুন ও কাঁচা লঙ্কা বাটা) * গুঁড়ো মশলা (জিরে, ধনে ও কাশ্মীরি লঙ্কার গুঁড়ো) * সাদা তেল ও স্বাদমতো নুন * পেঁয়াজ কুচি (বেরেস্তা ভাজার জন্য)

প্রণালী: প্রথমে ইলিশের পিসগুলো দই, নুন, হলুদ আর অল্প বিরিয়ানি মশলা এবং গুঁড়ো মসলা দিয়ে 15 মিনিট ম্যারিনেট করে রাখুন। তারপর কড়াইতে সরষের তেল গরম করে ইলিশগুলো হালকা করে ভেজে তুলে নিন। একদম কড়া ভাজবেন না, নাহলে শক্ত হয়ে যাবে।

এবার ওই তেলেই পেঁয়াজ বেরেস্তা ভেজে তুলুন,তারপর ওতে আদা-রসুন লঙ্কা বাটা দিয়ে একটু ফ্রাই করুন। আর মাছগুলো দিয়ে একটু হালকা গা মাখা জল দিয়ে সাতলিয়ে নিন। তারপর বাসমতী চালটা 70% সেদ্ধ করে নিন। এরপর একটা হাঁড়িতে প্রথমে ভাতের লেয়ার, তারপর ইলিশের লেয়ার, উপর থেকে ভাজা পেঁয়াজ, কাঁচা লঙ্কা, কেওড়া জল আর গলানো ঘি ছড়িয়ে দিন।

সবশেষে আটা দিয়ে মুখ বন্ধ করে একদম কম আঁচে 20 মিনিট দমে বসিয়ে দিন।

সার্ভ করার সময়: গরম গরম ইলিশ বিরিয়ানি সঙ্গে রায়তা। বৃষ্টির দিনে এর থেকে ভালো কম্বিনেশন আর হয় না।

ভাপা-পাতুরি তো সারা বছরই খাওয়া যায়। কিন্তু বর্ষার এই স্পেশাল ইলিশ বিরিয়ানি মিস করলে আফসোস হবে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *