suvendu at baruipur: বারুইপুরে দ্বিতীয়বার সফর শুভেন্দু অধিকারীর। নিহত নির্যাতিতার বাড়িতে গেলেন। কথা বলেন গণপ্রহারে মৃত ইন্দ্রজিতের পরিবারের সঙ্গে। উদ্ধোধন করেন পুলিশ ফাঁড়ির।
বারুইপুরে নাবালিকা ধর্ষণ ও খুনের পরে কেটে ৫ দিন। কিন্তু এখনও থমথমে বারুইপুর। ৫ জুলাই বারুইপুরে সূর্যপুরে নাবালিকাকে ধর্ষণ করে খুন করা হয়। এই ঘটনার পর এই নিয়ে দ্বিতীয়বার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী গেলেন বারুইপুরে। প্রথমেই তিনি নির্যাতিতার বাড়িতে যান। সেখান থেকে তিনি যান বারুইপুর ঘটনার রেশে গণপ্রহারে মৃত ইন্দ্রোজিতের বাড়িতে। তাঁর পরিবারের সঙ্গে কথা বলেন।

শুভেন্দু অধিকারী দ্বিতীয়বার বারুইপুরে
শনিবার বেলা সাড়ে ১১টা নাগাদ বারুইপুরে পৌঁছান শুভেন্দু। প্রথমেই তিনি নাবালিকার বাড়িতে যান। প্রায় মিনিট দশেক তিনি নিহতের পরিবারের সঙ্গে কথা বলেন। তবে নিহতের বাড়ি থেকে বেরিয়ে তিনি সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেননি। সেখান থেকে বেরিয়ে শুভেন্দু অধিকারী সোজা চলে যান গণপ্রহারে মৃত ইন্দ্রজিতের বাড়িতে। ইন্দ্রজিতের দাদার হাতে সরকারি চাকরির নিয়োগপত্র তুলে দেন। প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী সূর্যপুরের পুলিশ ফাঁড়ির উদ্বোধন করেন। এই আউটপোস্টে আপাতত ২ জন এসআই, ৪জন এএসআই ও ৪ মহিলা পুলিশ-সহ ২০ জন থাকবেন।
বারুইপুরে ধর্ষণ, খুন, গণপ্রহারে মৃত্যু ও এনকাউন্টার
গত ৪ জুলাই বারুইপুরের সূর্যপুরের এক কিশোরী নিখোঁজ হয়। তারপরের দিন ৫ জুলাই তার নিহর দেহ উদ্ধার হয় পুকুর থেকে। অভিযোগ ধর্ষণের পর খুন করা হয়। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ৪ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। পুলিশের এনকাউন্টারে নিহত মূল অভিযুক্ত প্রভাস মণ্ডল। নিহতের মৃতদেহ উদ্ধারের পরই নাবালিকার দেহ নিয়ে সূর্যপুরে বিক্ষোভ দেখান স্থানীয়রা। সেই সময়ই উত্তেজিত জনতার গণপ্রহারে মৃত্যু হয় ইন্দ্রজিত নামে এক যুবকের। তিনি নিজেকে বারবার নির্দোষ হিসেবে দাবি করেন।
গত মঙ্গলবার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বারুইপুরে গিয়ে জানান, গণপিটুনিতে যাঁর মৃত্যু হয়েছে, তিনি নির্দোষ ছিলেন। দোষীদের কঠোর শাস্তির আশ্বাসও দিয়েছিলেন শুভেন্দু। পুরো গণপিটুনিতে সাম্প্রদায়িক উসকানি থাকতে পারে বলেও ইঙ্গিত মিলেছিল মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর কথায়। তারপরই ওই হিংসায় উসকানির ঘটনায় ধরপাকড় শুরু করে পুলিশ। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ৩৮ জন গ্রেপ্তার করা হয়।
