
Published
পড়ার সময়: ৮ মিনিট
শেখ হাসিনার ডিসেম্বরে দেশে ফেরার পরিকল্পনাকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন দেশে অবস্থানরত আওয়ামী লীগের নেতারা ভারতে ফিরছেন; বিমান চলাচল সংক্রান্ত বিভিন্ন মাশুল বৃদ্ধির পরিকল্পনায় বিমান ভাড়া বৃদ্ধির শঙ্কা; দেশের ৩৭টি সরকারি মেডিকেল কলেজে প্রায় ৪৭ শতাংশ শিক্ষকের পদ খালি এবং পোশাকশিল্পে অস্থিরতা সৃষ্টির সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার সন্দেহে এনবিআরের ঢালাও ব্যাংক হিসাব জব্দে ব্যবসায়ী মহলে উৎকণ্ঠা — এ সংক্রান্ত খবর গুরুত্ব পেয়েছে আজ শনিবার ঢাকা থেকে প্রকাশিত পত্রিকায়।
টাইমস অব বাংলাদেশের দ্বিতীয় প্রধান খবর— Hasina’s return plan: AL leaders flock to Kolkata; অর্থাৎ হাসিনার দেশে ফেরাকে ঘিরে কলকাতায় জড়ো হচ্ছেন আওয়ামী লীগ নেতারা।
এই খবরে বলা হয়েছে, গণঅভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ডিসেম্বরে বাংলাদেশে ফেরার পরিকল্পনাকে কেন্দ্র করে পশ্চিমা বিভিন্ন দেশে অবস্থানরত আওয়ামী লীগের নেতারা একে একে ভারতে ফিরছেন।
তাদের অনেকে কলকাতায় জড়ো হতে শুরু করেছেন। শেখ হাসিনার সঙ্গে একই সময়ে দেশে ফিরতে চান তারা।
সম্প্রতি পশ্চিমা দেশগুলো থেকে যেসব নেতা কলকাতায় এসেছেন, তাদের বাইরে আরও অনেকে বিভিন্ন দেশ থেকে হাসিনার দেশে ফেরার দিনই বাংলাদেশে ফেরার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
দুই বছরের বেশি সময় ধরে কলকাতায় অবস্থান করা আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর দুইজন সদস্য, একজন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও দুইজন সাংগঠনিক সম্পাদক এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
এরই মধ্যে গত বুধবার বার্তা সংস্থা এপিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে হাসিনা ডিসেম্বরে দেশে ফেরার ইচ্ছা পুনর্ব্যক্ত করে বলেন, দেশে ফিরলে তাকে গ্রেপ্তার করা হতে পারে। এমনকি কার্যকর হতে পারে তার মৃত্যুদণ্ডও।
গ্রেপ্তার কিংবা মৃত্যু–ভাগ্যে যা-ই থাকুক, তা মেনে নিতে তিনি প্রস্তুত বলেও জানান।
দলটির নেতাকর্মীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, চলতি নভেম্বরের মাঝামাঝি অথবা শেষ দিকে লন্ডন থেকে পশ্চিমা দেশগুলোর গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে অনলাইনে যুক্ত হয়ে হাসিনা দেশে ফেরার দিনক্ষণ ও রোডম্যাপ ঘোষণা করতে পারেন।


দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের প্রধান খবর— Airfares may rise further as Caab plans up to 33% hike in airport charges; অর্থাৎ বিমানবন্দরের মাশুল ৩৩% পর্যন্ত বাড়ানোর পরিকল্পনা, বিমান ভাড়া আরও বাড়বে।
এই খবরে বলা হয়েছে, এমনিতেই এই অঞ্চলের মধ্যে বাংলাদেশে বিমান ভাড়া অন্যতম সর্বোচ্চ। তার ওপর বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) বিমান চলাচল সংক্রান্ত বিভিন্ন মাশুল ৩৩ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর কথা বিবেচনা করছে, যার ফলে বিমান ভাড়া আরও বাড়তে পারে।
দৈনিকটির হাতে আসা একটি খসড়া নথিতে বিমান অবতরণ, প্যাসেঞ্জার বোর্ডিং ব্রিজ, রুট নেভিগেশন এবং নির্ধারিত সময়ের বাইরে বিমানবন্দর পরিচালনার ফি বাড়ানোর সুপারিশ করা হয়েছে।
এছাড়া আন্তর্জাতিক ও অভ্যন্তরীণ যাত্রীদের জন্য এম্বারকেশন ফি বাড়ানোর প্রস্তাবও রয়েছে এতে।
শিল্প সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা সতর্ক করে বলেছেন, যদি এই বর্ধিত ফি অনুমোদিত ও কার্যকর হয়, তবে এয়ারলাইনগুলোর পরিচালন ব্যয় বেড়ে যাবে। এতে যেসব এয়ারলাইন বিমান ভাড়া প্রতিযোগিতামূলক পর্যায়ে রাখার চেষ্টা করছে, তাদের জন্য বড় ধরনের বাধা সৃষ্টি হবে।
তবে বেবিচক এই সম্ভাব্য মূল্যবৃদ্ধির পক্ষে যুক্তি দিয়েছে। তাদের ভাষ্যমতে, পরিচালন ব্যয় বৃদ্ধি, অবকাঠামো খাতে বড় বিনিয়োগ এবং আধুনিক নেভিগেশন ও নজরদারি ব্যবস্থা রক্ষণাবেক্ষণের উচ্চ খরচের কারণেই এই সমন্বয় প্রয়োজন।
সর্বশেষ ২০১৩ সালে অ্যারোনটিক্যাল মাশুলগুলো পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছিল। সাধারণত প্রতি ৭ থেকে ১০ বছর অন্তর এগুলো পর্যালোচনা করা হয়। এর আগে ২০২১ সালে বেবিচক মাশুল পরিবর্তনের একটি প্রস্তাব দিলেও মন্ত্রণালয় তা বাস্তবায়ন করেনি।

এই খবরে বলা হয়েছে, দেশের সরকারি মেডিকেল কলেজগুলো বছরের পর বছর ধরে শিক্ষকসংকটে ভুগছে। কোনো কোনো কলেজে অনুমোদিত পদের ৬০ থেকে ৭০ শতাংশই শূন্য। পাঁচ শ্রেণির পদ মিলিয়ে ৩৭টি সরকারি মেডিকেল কলেজে প্রায় ৪৭ শতাংশ পদ খালি।
এতে চিকিৎসাবিদ্যার মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের পাঠদান, ব্যবহারিক প্রশিক্ষণ এবং একাডেমিক তত্ত্বাবধানের মান নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের চলতি মাসের তথ্য অনুযায়ী, অধ্যাপক, সহযোগী অধ্যাপক, সহকারী অধ্যাপক, কিউরেটর ও প্রভাষক— এই পাঁচ শ্রেণির পদে অনুমোদিত জনবল ছয় হাজার ৫৫৫ জন। কর্মরত আছেন তিন হাজার ৫০৩ জন। অর্থাৎ শূন্য পদ তিন হাজার ৫২টি।
সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের আশঙ্কা, প্রয়োজনীয় শিক্ষক না থাকায় প্রভাব পড়তে পারে ভবিষ্যৎ চিকিৎসকদের পেশাগত দক্ষতায়।
স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের ভাষ্য অনুযায়ী, মেডিকেল শিক্ষায় সাধারণ নীতিমালা অনুসারে প্রতি ১০ জন শিক্ষার্থীর বিপরীতে ১ জন শিক্ষক এবং প্রতি ২৫ জন শিক্ষার্থীর জন্য অন্তত ১ জন স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারী শিক্ষক থাকার কথা।

এই খবরে বলা হয়েছে, দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোয় প্রকৃত শিক্ষার্থী কত, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়। প্রতিষ্ঠানের নথিতে যত নাম, বাস্তবে অনেক ক্ষেত্রেই সে সংখ্যক শিক্ষার্থী পাওয়া যায় না।
কোথাও সরকারি সুযোগ-সুবিধা পেতে একই শিক্ষার্থীকে ভর্তি দেখানো হচ্ছে একাধিক প্রতিষ্ঠানে। আবার কোথাও বিদ্যালয় একীভূতকরণ এড়াতে বাড়িয়ে লেখা হচ্ছে সংখ্যা।
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সাম্প্রতিক পর্যবেক্ষণে উঠে এসেছে এমন চিত্র। আট বিভাগের ৭৭ দশমিক ৫ শতাংশ মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তার মতে, প্রায়শই শিক্ষার্থীর সংখ্যা বাড়িয়ে দেখানোর ঘটনা ঘটছে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোয়।
দেশে বর্তমানে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সংখ্যা ৬৫ হাজার ৫৬৭, যা প্রাথমিক স্তরের মোট প্রতিষ্ঠানের ৫৫ দশমিক ৩ শতাংশ। বিদ্যালয়গুলোয় অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীর সংখ্যা ১ কোটি ৬ লাখ ১৭ হাজার ৯৬২। অর্থাৎ এ স্তরের মোট শিক্ষার্থীর ৫২ দশমিক ৬ শতাংশই সরকারিতে পড়ে।
তবে এ পরিসংখ্যানের যথার্থতা নিয়েই প্রশ্ন তুলেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সাম্প্রতিক মাঠপর্যায়ের পর্যবেক্ষণ।

প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, তৈরি পোশাকশিল্পে অস্থিরতা সৃষ্টির সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার সন্দেহে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) যেসব ব্যবসায়ী ও প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাব জব্দ করেছে, তাতে দেশের শীর্ষস্থানীয় ব্যবসায়ীদেরও নাম রয়েছে। ব্যবসায়ী মহলে এসব ব্যবসায়ীর রয়েছে ইতিবাচক ভাবমূর্তি।
আবার তালিকায় এমন কয়েকজন ব্যবসায়ীর নাম রয়েছে, যাদের রাজনৈতিক দলের সঙ্গে কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই। ফলে এ তালিকা নিয়ে আলোচনা–সমালোচনার পাশাপাশি ব্যবসায়ীদের মধ্যে দেখা দিয়েছে উদ্বেগ।
ব্যাংক হিসাব জব্দের বিষয়ে একাধিক ব্যবসায়ী জানান, সব সরকারের আমলেই পোশাকশ্রমিকদের মজুরি আন্দোলনে বাইরে থেকে ইন্ধনের অভিযোগ ওঠে। ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগের আমলে এ প্রবণতা বেশি ছিল। তখন দেশি-বিদেশি ইন্ধনের অভিযোগও করা হতো। যদিও এ ধরনের অভিযোগের সুনির্দিষ্ট তথ্যপ্রমাণ সামনে আনা হতো না।
এবার রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে দুই শতাধিক ব্যবসায়ী ও প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাব জব্দের ঘটনা নজিরবিহীন। এভাবে ঢালাও পদক্ষেপ না নিয়ে সুনির্দিষ্ট তথ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে ব্যবস্থা নেওয়া হলে তাতে কারও আপত্তি থাকত না বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।

এই খবরে বলা হয়েছে, রাজধানীর অভিজাত শপিং মলগুলোতে এখন আশানুরূপ ক্রেতা মিলছে না। কোথাও বেচাবিক্রি না থাকায় কর্মচারী ছাঁটাই করতে বাধ্য হয়েছেন মালিকরা।
বিশ্ববাজারে জ্বালানি ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব, দেশে মূল্যস্ফীতি, মানুষের ক্রয়ক্ষমতা হ্রাস, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা এবং অনলাইন কেনাকাটার প্রসারে রাজধানীর শপিং মলগুলোতে ক্রেতাসংকট তীব্র হয়েছে।
যার ফলে দোকানভাড়া, কর্মচারীদের বেতন, বিদ্যুৎ বিল ও অন্যান্য পরিচালন ব্যয় মেটাতে হিমশিম খাচ্ছেন ব্যবসায়ীরা।
কেউ ঋণ করে ব্যবসা টিকিয়ে রাখছেন, কেউ বিকল্প পেশায় যাওয়ার কথা ভাবছেন। পরিস্থিতির উন্নতি না হলে আরো অনেক দোকান বন্ধ হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
এরই মধ্যে দীর্ঘদিনের ব্যবসায়িক মন্দা, ক্রেতাসংকট ও আর্থিক লোকসানের কারণে বন্ধ হয়ে গেছে শান্তিনগর-কাকরাইলের একসময়ের অভিজাত বিপণিবিতান কর্ণফুলী গার্ডেন সিটি।

এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২০-২১ অর্থবছরে কক্সবাজার সমুদ্রসৈকত ঘিরে নেওয়া সমন্বিত উপকূলীয় সড়ক পরিকল্পনায় ছিল কলাতলী মেরিন ড্রাইভ থেকে নাজিরারটেক পর্যন্ত সৈকতের তীর ঘেঁষে ১২ কিলোমিটার দীর্ঘ একটি সুড়ঙ্গ সড়ক তৈরি করা।
এর মধ্যে কলাতলী থেকে লাবনী পয়েন্ট পর্যন্ত হওয়ার কথা ছিল মাল্টিফাংশনাল সড়ক। যেখানে থাকবে শপিংমল, দোকানপাট, ওয়াশরুম, লকার, কফিশপ ও রেস্তোরাঁ। থাকার কথা ১০ ফুট প্রস্থের সাইকেলওয়ে, ৯০-১০০ ফুট প্রশস্ত ওয়াকওয়ে।
২০৫১ কোটি ২০ লাখ ৫৪ হাজার টাকা ব্যয়ে সড়ক প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করার কথা ছিল বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো)।
সেই পরিকল্পনার পাঁচ বছর পর কক্সবাজার পৌরসভা এখন সুগন্ধা থেকে কলাতলী পর্যন্ত সৈকতের বালিয়াড়ি কোথাও ভরাট ও কোথাও কেটে তৈরি করছে সড়ক।
প্রশ্ন উঠেছে, আগের পরিকল্পনায় সৈকতের সঙ্গে সমন্বিত, পর্যটনবান্ধব সুড়ঙ্গের আদলে সড়ক ও মাল্টিফাংশনাল সড়কের কথা থাকলেও সেটি বাস্তবায়ন না করে কক্সবাজার পৌরসভা কেন বালিয়াড়ি কেটে নতুন করে চার লেনের সড়ক নির্মাণ করছে?
পাশাপাশি প্রশ্ন, কক্সবাজারের প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন (ইসিএ) এলাকায়, যেখানে বালিয়াড়ি সমুদ্রের ঢেউ ও জলোচ্ছ্বাসের বিরুদ্ধে ‘প্রাকৃতিক প্রতিরক্ষা’ হিসেবে কাজ করে, সেই বালিয়াড়ি কেটেই কেন উপকূল রক্ষার অবকাঠামো নির্মাণ করা হচ্ছে?

এতে বলা হয়েছে, তিস্তার দুর্বল শাখা নদীর প্রবাহ বন্ধ করে মূল চ্যানেলকে স্থিতিশীল করার সম্ভাবনা যাচাই করতে যাচ্ছে সরকার। এজন্য শাখা চ্যানেলে আড়াআড়ি কাঠামো নির্মাণ, পলি আটকে রাখা ও নদী খননের কার্যকারিতা পরীক্ষা করা হবে।
একই সঙ্গে নদীর প্রবাহ নির্দিষ্ট চ্যানেলে কেন্দ্রীভূত করে ভূমি উদ্ধারের সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখা হবে।
এ কাজে স্থিতিশীল চরে আইনগতভাবে বসবাসরত মানুষকে স্থানান্তর করতে হলে পুনর্বাসন, সামাজিক অবকাঠামো ও নাগরিক সুবিধা পুনঃপ্রতিষ্ঠায় কত ব্যয় হবে, তাও নিরূপণ করা হবে।
তিস্তা অববাহিকার সমন্বিত ও টেকসই পানি ব্যবস্থাপনার সম্ভাব্যতা সমীক্ষার প্রস্তাবনায় এসব বিষয় রেখেছে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)।
সমীক্ষায় ব্যয় ধরা হয়েছে ২৩ কোটি ৩৪ লাখ টাকা। তবে শাখা চ্যানেল বন্ধ, ভূমি উদ্ধার কিংবা বাসিন্দাদের স্থানান্তরের বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।
পাউবোর মহাপরিচালক মো. রুহুল আমিন জানান, কারিগরি কমিটির তৈরি প্রাথমিক ধারণাপত্র পরিকল্পনা কমিশনে জমা দেওয়া হয়েছে। অনুমোদন পেলে পরামর্শক নিয়োগের মাধ্যমে বিস্তারিত সমীক্ষা করা হবে।

এই খবরে বলা হয়েছে, পার্বত্য চট্টগ্রামের সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর হাতে সাধারণ আগ্নেয়াস্ত্রের গণ্ডি পেরিয়ে অত্যাধুনিক রাইফেল, স্নাইপার, মর্টার শেল, নাইট ভিশন সরঞ্জামসহ যুদ্ধক্ষেত্রে ব্যবহৃত বিভিন্ন অস্ত্র ও গোলাবারুদ মজুদের তথ্য পাওয়া যাচ্ছে।
পাহাড়ের গভীর জঙ্গল ও উঁচু চূড়াকে ঘাঁটি হিসেবে ব্যবহার করে এসব অস্ত্রের মহড়া, আধিপত্য বিস্তার, চাঁদাবাজি, অপহরণ ও হত্যাকাণ্ডের অভিযোগও রয়েছে।
এতে শুধু নিরাপত্তা বাহিনী নয়, সাধারণ পাহাড়ি-বাঙালি জনগোষ্ঠী এবং পর্যটনশিল্পের নিরাপত্তাও নতুন করে উদ্বেগের মুখে পড়েছে।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, স্নাইপার রাইফেল পরিচালনায় বিশেষ প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা প্রয়োজন। ফলে শুধু অস্ত্র উদ্ধারই নয়, এসব অস্ত্র ব্যবহারের জন্য প্রশিক্ষিত জনবল তৈরি হচ্ছে কি না, সেটিও নিরাপত্তা বিশ্লেষণের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

খবরটিতে বলা হয়েছে, বিগত চারদলীয় জোট ক্ষমতায় আসার পর ৯০ মেগাওয়াটের টঙ্গী বিদ্যুৎকেন্দ্রটি নির্মাণ করে। উদ্দেশ্য ছিল ঢাকার লোডশেডিং কমানো। বিদ্যুৎকেন্দ্রটি চালু হওয়ার পর চারদলীয় জোট সরকার ক্ষমতা হারায়। এরপর বিদ্যুৎকেন্দ্রটি বৈরী রাজনীতির কোপে পড়ে।
এটির নির্মাণ পর্যায়ে দুর্নীতি হয়েছে উল্লেখ করে দুদক মামলাও করে। এমনকি এই মামলার বিচারও শেষ হয়। তবে সামান্য যান্ত্রিক ত্রুটি না সারিয়ে ফেলে রাখা হয় টঙ্গীর বিদ্যুৎকেন্দ্রটি।
রাজনীতির পালাবদলে বিদ্যুৎকেন্দ্রটির ভাগ্যও বদলাচ্ছে। টানা ১০ বছর উৎপাদনে না থাকা কেন্দ্রটিকে টঙ্গী থেকে ভোলায় সরিয়ে নিচ্ছে সরকার।
পিডিবির এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা নিশ্চিত করেছেন, এরই মধ্যে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) এই পরিকল্পনা অনুমোদন করেছে সরকার। চলতি বছরের মধ্যে ভোলায় কেন্দ্রটি স্থানান্তরের কাজ শুরু হবে।
