
Published
পড়ার সময়: ৭ মিনিট
প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, ভর্তুকির চাপ কমাতে বিদ্যুৎ উৎপাদন ও যানবাহনে ব্যবহৃত সংকুচিত প্রাকৃতিক গ্যাসের (সিএনজি) দাম বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে পেট্রোবাংলা।
সংস্থাটি বিদ্যুৎকেন্দ্রে ব্যবহৃত গ্যাসের দাম প্রতি ঘনমিটার ১৬ টাকা থেকে ২৫ টাকা এবং সিএনজির দাম ৪৩ টাকা থেকে প্রায় ৬৫ টাকা করার প্রস্তাব জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিভাগে পাঠিয়েছে।
গ্যাস বিতরণকারী কোম্পানিগুলোও বিতরণ মাশুল বাড়ানোর আবেদন করেছে।
আন্তর্জাতিক বাজারে এলএনজির দাম বৃদ্ধি, আমদানি ব্যয় বেড়ে যাওয়া এবং ভর্তুকির চাপ সামাল দিতেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, পেট্রোবাংলার প্রস্তাব বর্তমানে পর্যালোচনার পর্যায়ে রয়েছে।
যাচাইবাছাই শেষে এটি বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) কাছে পাঠানো হবে। এরপর কমিশন গণশুনানি করবে এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষের মতামত ও আর্থিক বিশ্লেষণ পর্যালোচনা করে গ্যাসের নতুন দাম নির্ধারণ করবে।


এই খবরে বলা হয়েছে, স্বাভাবিক উৎপাদনের জন্য যেখানে ৭-৮ পিএসআই চাপ প্রয়োজন, সেখানে অনেক শিল্প কারখানায় মিলছে শূন্যের কাছাকাছি।
ফলে নারায়ণগঞ্জ, আশুলিয়া, সাভার, গাজীপুর ও চট্টগ্রামের বহু শিল্পপ্রতিষ্ঠান এখন গ্যাস সংকটের মুখোমুখি।
গ্যাসের প্রয়োজনীয় চাপ না থাকায় অনেক কারখানায় স্বাভাবিক উৎপাদন চালানো সম্ভব হচ্ছে না। পরিস্থিতি সামাল দিতে অনেক উদ্যোক্তা দিনের শিফট সীমিত বা পুরোপুরি বন্ধ রেখে রাতের বেলায় উৎপাদন চালানোর চেষ্টা করছেন, কারণ ওই সময়ে কিছু এলাকায় তুলনামূলক বেশি গ্যাস পাওয়া যাচ্ছে।
তবে রাতের শিফটেও অনেক ক্ষেত্রে গ্যাসের চাপ মিলছে না। ফলে উৎপাদন কমে যাচ্ছে, রফতানি আদেশের শিপমেন্ট বিলম্ব হচ্ছে এবং প্রতিদিন গুনতে হচ্ছে বড় অঙ্কের আর্থিক ক্ষতি।
কোথাও কোথাও ডিজেল ও এলপিজির মতো ব্যয়বহুল বিকল্প জ্বালানি ব্যবহার করে উৎপাদন সচল রাখার চেষ্টাও চলছে। আবার অনেক কারখানা আংশিক বা পুরোপুরি বন্ধ রাখতে বাধ্য হচ্ছে।
শিল্পোদ্যোক্তাদের আশঙ্কা, দ্রুত গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক না হলে বিভিন্ন শিল্প খাতের উৎপাদন ও রফতানি আরো বড় সংকটে পড়বে, যার প্রভাব পড়বে দেশের অর্থনীতিতে। চলমান এ সংকট কবে নাগাদ কাটবে, সে বিষয়ে নিশ্চিত করে কিছু বলতে পারছে না তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষও।

এই খবরে বলা হয়েছে, তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলএনজি) সরবরাহ কমায় এক সপ্তাহের বেশি সময় ধরে সারাদেশে গ্যাসের বড় ধরনের সংকট তৈরি হয়েছে।
গ্যাসের অভাবে ধুঁকছে শিল্পের চাকা ও রান্নার চুলা। কমে গেছে বিদ্যুৎ উৎপাদনও। এতে গ্যাসের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে লোডশেডিংয়ের ভোগান্তি। দিনে সর্বোচ্চ লোডশেডিং আড়াই হাজার মেগাওয়াট ছাড়িয়েছে।
জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ সূত্র বলছে, আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত বন্ধ এলএনজি টার্মিনালটি পুরোপুরি চালু করতে আগামী ১০ই অগাস্ট পর্যন্ত সময় চেয়েছে এক্সিলারেট এনার্জি।
এর আগে বন্ধ টার্মিনালের অক্ষত বয়লারটি চালুর চেষ্টা করা হচ্ছে। এটি চালু করা গেলে দিনে ৩০ কোটি ঘনফুট গ্যাসের সরবরাহ বাড়ানো যাবে। এতে সংকট কিছুটা কমবে।

এই খবরে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক বিশেষ দূত সার্জিও গোর ঢাকা-ওয়াশিংটন সম্পর্কের ভবিষ্যৎ নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন। গতকাল বৃহস্পতিবার ঢাকায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানের সঙ্গে বৈঠক শেষ তিনি এই আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
এদিন দুপুরে ঢাকায় পৌঁছে সন্ধ্যায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করেন সার্জিও গোর।
বৈঠকের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া পোস্টে এই মার্কিন বিশেষ দূত লিখেছেন, ‘বাংলাদেশে আমার প্রথম সফরে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে একসঙ্গে কাজ করার বিষয়ে আলোচনা করতে পেরে ভালো লেগেছে। অনেক ইতিবাচক অগ্রগতি হয়েছে।’
পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র অংশীদারত্ব আরও এগিয়ে নেওয়ার বিষয়ে দুই পক্ষের আলোচনার পর এ মন্তব্য করেন সার্জিও গোর। এতে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক সম্প্রসারণে ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গির প্রতিফলন ঘটেছে।

দ্য ডেইলি স্টারের দ্বিতীয় প্রধান খবর— Heat cost country up to $1.8b in lost productivity; অর্থাৎ তীব্র গরমে বছরে ১৮০ কোটি ডলার ক্ষতি বাংলাদেশের।
এই খবরে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে তীব্র গরমের কারণে শ্রমের উৎপাদনশীলতা মারাত্মকভাবে কমে যাচ্ছে এবং নষ্ট হচ্ছে বিপুল কর্মঘণ্টা।
২০২৪ সালে তাপপ্রবাহের কারণে দেশের অর্থনীতির আনুমানিক ১৩০ কোটি থেকে ১৮০ কোটি মার্কিন ডলার ক্ষতি হয়েছে, যা মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) শূন্য দশমিক ৩ থেকে শূন্য দশমিক ৪ শতাংশের সমান।
বিশ্বব্যাংকের ‘এ লিভেবল ফিউচার: প্রটেক্টিং জবস অ্যান্ড গ্রোথ ফ্রম এক্সট্রিম হিট ইন সাউথ এশিয়াস সিটিজ’ শীর্ষক প্রতিবেদনে ওঠে এসেছে এমন তথ্য।
এতে আরও বলা হয়, তীব্র তাপপ্রবাহের কারণে সবচেয়ে বেশি ক্ষতির মুখে পড়ছে রাজধানী ঢাকা। এই শহরে প্রতি বছর মোট কর্মঘণ্টার প্রায় ৩ শতাংশ কার্যকরভাবে নষ্ট হচ্ছে, যা ৪ লাখ ৬৫ হাজার পূর্ণকালীন কর্মসংস্থান বা চাকরির সমপরিমাণ।
বিদ্যমান পরিস্থিতি বজায় থাকলে ২০৮০ সালের মধ্যে এই ক্ষতির পরিমাণ অর্ধেকেরও বেশি বাড়বে। তখন ঢাকা শহরের মোট উৎপাদনশীল কর্মঘণ্টার প্রায় ৭ দশমিক ৪ শতাংশই নষ্ট হবে।
জলবায়ু পরিবর্তনের এই প্রভাব বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্পের জন্য বড় বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে বলে প্রতিবেদনে সতর্ক করা হয়।
তাপজনিত কারণে কর্মক্ষমতা কমে যাওয়ার এই সংকট সমাধান করা না গেলে বাংলাদেশ, পাকিস্তান, ভিয়েতনাম ও কম্বোডিয়ার পোশাক খাত ২০৩০ সালের মধ্যে প্রায় ৬ হাজার ৫৮০ কোটি ডলারের রপ্তানি আয় হারানোর ঝুঁকিতে পড়বে।
তবে বিশ্বব্যাংক মনে করে, সঠিক ও লক্ষ্যভিত্তিক অর্থায়নের মাধ্যমে এই সংকট কাটানো সম্ভব।

এতে বলা হয়েছে, সাইবার পরিসরে অপরাধ নিয়ন্ত্রণ ও শাস্তির মাত্রা আরও কঠোর করতে পাস হওয়ার মাত্র তিন মাসের মাথায় আবারও ‘সাইবার সুরক্ষা আইন’ সংশোধনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।
প্রস্তাবিত নতুন সংশোধনীতে ‘গুজব’, ‘অপতথ্য’, ‘মানহানি’ ও ‘হেয় প্রতিপন্ন’ সংক্রান্ত অপরাধের পরিধি ব্যাপকভাবে সম্প্রসারণ করার পাশাপাশি সর্বোচ্চ ১০ বছরের কারাদণ্ড এবং ৪০ লাখ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ডের মতো কঠোর শাস্তির বিধান রাখা হচ্ছে।
একই সঙ্গে আইনটি বাস্তবায়নে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর পাশাপাশি তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় এবং সরকারের ক্ষমতাপ্রাপ্ত বিশেষায়িত সংস্থাকেও সরাসরি সম্পৃক্ত করার প্রস্তাব রয়েছে।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি (আইসিটি) বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, সংশোধিত আইনের বিলটি এরই মধ্যে চূড়ান্তকরণের কাজ চলছে এবং জাতীয় সংসদের আগামী অধিবেশনেই এটি উত্থাপিত হতে পারে।

এই খবরে বলা হয়েছে, রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর দু’টি সরকার দায়িত্ব নিলেও বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) বাস্তবায়নে দৃশ্যমান কোনও গতি আসেনি। উল্টো বিদায়ী ২০২৫-২৬ অর্থবছরে এডিপি বাস্তবায়নের হার নেমে এসেছে বিগত এক দশকের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে।
পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় এবং বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগের (আইএমইডি) তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে সংশোধিত এডিপির মোট বরাদ্দ ছিল দুই লাখ আট হাজার ৯৩৫ কোটি ৫৩ লাখ টাকা। তবে বছর শেষে ব্যয় করা সম্ভব হয়েছে মাত্র এক লাখ ৪১ হাজার ৭০৭ কোটি ৮০ লাখ টাকা।
অর্থাৎ, বিদায়ী অর্থবছরে এডিপি বাস্তবায়নের হার ছিল মাত্র ৬৭.৫২ শতাংশ। যা টানা দ্বিতীয়বারের মতো এডিপি বাস্তবায়ন ৭০ শতাংশের নিচে নামার ঘটনা, এটি বৈশ্বিক মহামারি ও সাম্প্রতিক রাজনৈতিক আন্দোলনকালের হারকেও ছাড়িয়ে গেছে।

দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের দ্বিতীয় প্রধান খবর— BB cuts policy rate by 50 basis points after 2 years; অর্থাৎ দুই বছর পর নীতি সুদহার ৫০ বেসিস পয়েন্ট কমাল বাংলাদেশ ব্যাংক।
এই খবরে বলা হয়েছে, প্রায় দুই বছর পর বাংলাদেশ ব্যাংক স্বল্পমেয়াদি ঋণ প্রদানের হার নির্ধারণকারী নীতিগত সুদহার (পলিসি রেট) ৫০ বেসিস পয়েন্ট কমিয়ে ৯.৫০ শতাংশ করেছে। উচ্চ মুল্যস্ফীতির মধ্যেও বেসরকারি খাতে বিনিয়োগ বাড়াতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
গতকাল বৃহস্পতিবার মনিটারি পলিসি কমিটির বৈঠকে নীতি সুদহার পরিবর্তন বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়। আগামী শনিবার থেকে এই নীতি সুদহার কার্যকর হবে।
এর আগে, ২০২৪ সালের অক্টোবরে রেপো রেট ৯.৫০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১০ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছিল। এরপর থেকে দীর্ঘদিন ধরে একই হারেই নীতি সুদহার বহাল ছিল।

নিউ এইজের প্রধান খবর— Counterfeit drugs keep claiming lives; অর্থাৎ নকল ওষুধে প্রাণহানি চলছেই।
এই খবরে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে কয়েক দশক ধরে নকল ও ভেজাল ওষুধের কারণে প্রাণহানির ঘটনা ঘটছে। এর বিস্তার রোধ করা না গেলে তা জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক হুমকি হয়েই থাকবে বলে সতর্ক করেছেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা।
২০২২ সালে আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান সাময়িকী ‘নেচার’-এ প্রকাশিত এক গবেষণায় দেখা গেছে, ঢাকায় বিক্রিত অ্যান্টিবায়োটিকের প্রায় ১০ শতাংশই ছিল নকল, ভেজাল বা নিম্নমানের।
ফার্মাকোলজিস্টরা বলছেন, নামী ব্র্যান্ডের বাজারজাত করা দামি ও বহুল ব্যবহৃত ওষুধ— যেমন অ্যান্টিবায়োটিক, ইনসুলিন, ব্যথানাশক ও জ্বরের ওষুধ দীর্ঘদিন ধরে নকল করে আসছে অসাধু চক্র।
এসব নকল ওষুধ সাধারণত অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে অস্থায়ী কারখানা বা ভাড়া করা কক্ষে তৈরি করা হয়। এতে ওষুধ তৈরির উপযুক্ত মানের বদলে রাসায়নিক ও নিম্নমানের উপাদান ব্যবহার করা হয়, যা সেবন বা প্রয়োগের ফলে গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হতে পারে।
এ ধরনের ওষুধের অব্যাহত উৎপাদন ও বিক্রির জন্য দুর্বল তদারকি ব্যবস্থাকে দায়ী করা হলেও ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর ও অন্যান্য নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর দাবি, তারা নিয়মিতভাবে এগুলোর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিচ্ছে।

এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হবিগঞ্জের পর এবার সিলেটেও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতাকর্মীদের গাড়িবহরে দুই দফা হামলা হয়েছে।
গতকাল বৃহস্পতিবার সিলেটের গোলাপগঞ্জে এক মতবিনিময় সভা থেকে বের হতেই তাদের গাড়ির ওপর ইটপাটকেল ও বোতল ছুড়ে ভাঙচুর করা হয়।
পরে পাঁচমাইল নামক এলাকায় গেলে সেখানেও হামলা হয়। এতে দলটির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলমের গাড়ির পেছনের গ্লাস ভেঙে গেছে।
হামলার ঘটনায় বিএনপি নেতাকর্মীদের দায়ী করেছেন সারজিস আলমসহ এনসিপি নেতারা। তবে এ ঘটনায় সারজিস আলম বা তার সঙ্গে থাকা কেউ আহত হননি।
এদিকে, নিজের কথা বলাকে কেন্দ্র করে হামলার শিকার হওয়ার অভিযোগ তুলে নীরব থাকার ঘোষণা দিয়েছেন এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী।
তিনি বলেছেন, ‘এখন থেকে আর কোনো কথা বলব না। চুপ থাকব। পুরো বাংলাদেশে দেখি উনারা কতটুকু বাড়তে পারে, কতটুকু যাইতে পারে। আমরা সেই মাত্রাটা দেখব।’
