কলকাতা: সম্প্রতি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেছেন, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সম্পত্তির তালিকা পেয়েছেন তিনি। তারপর থেকেই তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে পরপর দুবার নোটিস গিয়েছে পুরনিগমের তরফ থেকে। অবৈধ নির্মাণের অভিযোগে নোটিস পাঠানো হয়েছে, অভিষেকের মা লতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামেও। অভিষেকের একাধিক সম্পত্তি নিয়ে যখন চর্চা তুঙ্গে, তারই মধ্যে ‘ভাইরাল’ অভিষেক-সায়নীর সম্পত্তি। সোশ্যাল মিডিয়ায় জোর আলোচনা শুরু হয়েছে। বাধ্য হয়ে জবাবও দিয়েছেন তৃণমূল সাংসদ সায়নী ঘোষ।

কী বলেছেন সাংসদ সায়নী ঘোষ?

পুরনিগমের তরফ থেকে যে সব সম্পত্তি নিয়ে খোঁজখবর করা হচ্ছে, তার মধ্য একটির ঠিকানা দমদমের  ১৯ ডি, ৭ ট্যাঙ্ক লেন, কলকাতা-৭০০০৩০। বাড়ির যৌথ মালিকের নাম অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ও সায়নী ঘোষ। আর সেই নাম থেকে আলোচনার সূত্রপাত। দুটি নামই মিলে যাচ্ছে তৃণমূলের দুই সাংসদের নামের সঙ্গে। বুধবার এই চর্চায় জবাব দিয়েছেন যাদবপুরের সাংসদ সায়নী।

তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখেছেন, “আমি জানি না, এরা কারা। তবে এটুকু বলতে পারি, এটা সেই সায়নী ঘোষ নয়, যে খুব সাধারণ ব্যাকগ্রাউন্ড থেকে শুরু করেছে আর রাজনীতি থেকে কোনও লাভ খোঁজেনি। আমার সম্পত্তি হলফনামায় দেখে নিন। প্রমাণ ছাড়া আমাকে অপমান করবেন না।”

দমদমের ফ্ল্যাটে গিয়ে কী দেখলেন পুর আধিকারিকরা?

বুধবার দুপুরে দমদমের ওই ঠিকানায় পৌঁছে গিয়েছিলেন পুর আধিকারিকরা। দরজায় নেমপ্লেটে লেখা, ‘অভি-সানি’। দরজা খুলে বেরিয়ে আসেন এক ব্যক্তি। বলেন, আমার নাম অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, আমার স্ত্রীর নাম সায়নী ঘোষ। ওই ব্যক্তি জানান, তিনি এক বেসরকারি সংস্থায় কর্মরত। রাজনীতির সঙ্গে তাঁর কোনও সম্পর্ক নেই। আর তাঁর স্ত্রী সায়নী ঘোষ পেশায় স্কুল শিক্ষিকা। দুই সন্তান ও মা-কে নিয়ে ফ্ল্যাটে থাকেন অভিষেক।

নাম বিভ্রাটে যথেষ্ট বিরক্ত তিনি। চোখে-মুখে সেটা স্পষ্ট। অভিষেক বলেন, “আগেও ওঁরা এসেছিলেন। আমি সবরকম সহযোগিতা করেছি। এবারও করলাম। ২০২২ থেকে আমি এখানে থাকি। এই ঘটনায় আমি খুব আপসেট।”

Large Image Abhishek Sayani Flat 2

বেসরকারি সংস্থার কর্মী অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *