সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে ১২টি কোম্পানিকে কার্যাদেশ দেয়া হয়

ছবির উৎস, Getty Images

ছবির ক্যাপশান, সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে ১২টি কোম্পানিকে কার্যাদেশ দেয়া হয়

    • Author, আবুল কালাম আজাদ
    • Role, বিবিসি নিউজ বাংলা
  • Published

  • পড়ার সময়: ৬ মিনিট

জ্বালানি তেলের সংকট সমাধান ও জরুরি ভিত্তিতে তেলের মজুত বৃদ্ধি করতে বাংলাদেশ সরকার প্রথাগত ব্যবস্থার বাইরে ডিপিএম (ডিরেক্ট পারচেজ মেথড) পদ্ধতিতে ১২টি কোম্পানিকে তেল সরবরাহের অনুমতি দিয়েছিল, যাদের কোনোটি মে মাসের মাঝামাঝি সময় পর্যন্ত তেল দিতে পারেনি।

বিপিসির তথ্য অনুযায়ী, কার্যাদেশ পাওয়া কোম্পানিগুলো যুক্তরাষ্ট্র, দুবাই, নেদারল্যান্ড, হংকং, কাজাখস্তান, মালয়েশিয়া ও জাপানের। জরুরিভাবে এসব কোম্পানির ডিজেল, অকটেন ও ক্রুড অয়েল সরবরাহের কথা ছিল।

সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে কার্যাদেশ পাওয়া মাত্র দুটি কোম্পানি পিজি (পারফরম্যান্স গ্যারান্টি) বা জামানত দিয়েছে। একটি কোম্পানি পিজি দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

ইরান যুদ্ধের কারণে মার্চ মাসে তেল সংকটের সময় দরপত্র ছাড়াই তেল কেনার উদ্যোগ নিয়েছিল সরকার।

জ্বালানি মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ বিবিসি বাংলাকে বলেন, যুদ্ধের কারণে সংকট সমাধানে সরকার এই উদ্যোগ নেয়। মানুষ যাতে আতঙ্কিত হয়ে তেল কিনে সংকট সৃষ্টি করতে না পারে সেজন্য মজুত বৃদ্ধির লক্ষ্যেই সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে তেল আমদানির অনুমোদন দেয়া হয়।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *