নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে শুরুটা ভালোই পেয়েছিল বাংলাদেশ। সাইফ হাসান ও তানজিদ তামিমের উদ্বোধনী জুটিতে আসে ৪১ রান। ৬৬ রানে দ্বিতীয় উইকেট হারায় স্বাগতিকরা। লিটন আউট হলে ক্রিজে আসেন হৃদয়, এরপর ১১ রান যোগ করতেই তৃতীয় উইকেট চলে যায়। ফিরে যান তানজিদ তামিম। এরপর প্রথমে পারভেজ হোসেন ইমনের সঙ্গে ৫৭ রানের জুটি গড়ে দলকে কক্ষপথে রাখেন হৃদয়। পরে শামীম পাটোয়ারীকে নিয়ে ঝড় তুলে কিউইদের বিপক্ষে জয় নিশ্চিত করেন। ম্যাচ শেষে হৃদয় জানালেন, আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ের পরিকল্পনা নিয়ে ব্যাটিংয়ে নেমেছিলেন তিনি।

ম্যাচসেরা হয়েছেন তাওহীদ হৃদয়। পরে সংবাদ সম্মেলনে আসেন টাইগার ব্যাটার। বলেছেন, ‘লিটন ভাই আউট হওয়ার পরে আমি নেমেছি। লিটন ভাই… আমার স্বাভাবিক পরিকল্পনা যেটা দলের চাহিদা ছিল। ওই পরিস্থিতিতে রান দরকার ছিল। একটু রান একটু কম হয়ে গিয়েছিল ওই সময়টাতে। আমার শুধু পরিকল্পনা ছিল যে আমি আক্রমণ করবো। কারণ আমি যদি পরিকল্পনা না করতে পারি, তাহলে হয়তোবা কঠিন হয়ে যেতো দলের জন্য। তো আমি চেষ্টা করেছি যতটুকু আক্রমণ করা যায়।’

চার নম্বরে নামা হৃদয় ২৭ বলে ২ চার ও ৩ ছক্কায় ৫১ রান করেন। একই স্থানে নেমে আগেও ভালো খেলেছেন। ওয়ানডেতে বর্তমানে ছয় নাম্বারে খেলছেন। ব্যাটিংঅর্ডারে চার নম্বর পজিশনটাই উপভোগ করেন কিনা, এমন প্রশ্নের জবাবে হৃদয় জানালেন, দলের প্রয়োজনে সবসময় ইচ্ছাপূরণ সম্ভব নয়।

বলেছেন, ‘চার নম্বরে আমি খেলেছি ২০২৩ সালে। যদি খেয়াল করে দেখেন আমি কেমন করেছি এটা আমি বলতে চাচ্ছি না। এটা হয়তোবা দেখলে বুঝবেন। খেলার তো ইচ্ছা থাকেই। আসলে সব সময় ইচ্ছা তো পূরণ হয় না কারণ দলটা তো আমার নিজের একার না, দলগত খেলা। তবে অবশ্যই আমি অবশ্যই পছন্দ করি। কারণ আমি ২০১৯ থেকে শুরু করে আমার ক্যারিয়ার যখন থেকে বয়সভিত্তিক বিভাগ থেকে ১৬-১৮ থেকে যখনই খেলি তখন আমি এই স্থানেই খেলেছি।’

‘কিন্তু এখন যে কারণেই হোক, আমি খেলতে পারছি না দলের ভারসাম্য বজায় রাখার কারণে। হয়তোবা টিম ম্যানেজমেন্ট ভালো বিকল্প মনে করেছে, আমি জানি না। কিন্ত একজন পেশাদার খেলোয়াড় হিসেবে আমাকে যদি বলে তুমি ৭-৮-৯ এ ব্যাটিং করো, ওটাই করবো। কারণ আমার জাতীয় দলে সাত পর্যন্ত খেলার অভিজ্ঞতা আছে, শুধু উদ্বোধনী ছাড়া। তো আশা করি যে কোনো একদিন উদ্বোধনীতেও ব্যাটিং করবো।’



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *