সানরাইজার্স হায়দরাবাদ: ১৬৫ (১৯ ওভার) (ট্র্যাভিস হেড ৬৫, ঈশান কিশান ৪২, বরুণ চক্রবর্তী ৩-৩৬, কার্তিক ত্যাগী ২-৩০, সুনীল নারাইন ২-৩১)
কলকাতা নাইট রাইডার্স: ১৬৯-৩ (১৮.২ ওভার) (অঙ্গকৃশ রঘুবংশী ৫৯, অজিঙ্ক রাহানে ৪৩, শাকিব হুসেন ১-১৭)

খবর অনলাইন ডেস্ক: আইপিএল ২০২৬-এ দুর্দান্ত ফর্মে থাকা সানরাইজার্স হায়দরাবাদের টানা পাঁচ ম্যাচের জয়ের ধারা থামিয়ে দিল কলকাতা নাইট রাইডার্স (কেকেআর)। হায়দরাবাদের ধীরগতির পিচে স্পিন জাদুতে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন বরুণ চক্রবর্তী ও সুনীল নারাইন।

হেডের ঝোড়ো ব্যাটিংয়ে শুরু হায়দরাবাদের

প্রথমে ব্যাট করতে নেমে হায়দরাবাদ দুর্দান্ত শুরু করেছিল। ৯ ওভারে মাত্র ১ উইকেটের বিনিময়ে ১০৫ রান তোলে তারা। বিশেষ করে ট্র্যাভিস হেড ঝোড়ো ব্যাটিং করে মাত্র ২২ বলে অর্ধশতরান করেন।

ম্যাচের শুরুতে হেডের ব্যাট থেকে ঝড় ওঠে। বৈভব অরোরার এক ওভারে চারটি বাউন্ডারি মারেন তিনি। পরে নারাইনকেও ছাড়েননি—একটি ছক্কা ও একটি চার মারেন। অন্যদিকে অভিষেক শর্মাকে চাপে রাখেন নারাইন, প্রথম ওভারে মাত্র ৯ রান দেন। দলের ৪৪ রানের মাথায় ক্যামেরন গ্রিনকে ক্যাচ দিয়ে কার্তিক ত্যাগীর শিকার হন অভিষেক।

কেকেআর-এর জয়ের পথ প্রশস্ত করলেন অঙ্গকৃশ রঘুবংশী।

স্পিনেই ম্যাচ ঘোরাল কেকেআর

কিন্তু বরুণ চক্রবর্তীর রহস্যময় স্পিনে হেড আউট হওয়ার পরেই হায়দরাবাদের ইনিংসে শুরু হয় ধস। একের পর এক উইকেট হারাতে থাকে হায়দরাবাদ। বরুণ ও নারাইন মিলে মোট ৫টি উইকেট নেন। হেড ছাড়াও বরুণ তুলে নেন আর স্মরন ও অনিকেত বর্মার উইকেট।

এ দিকে ক্যামেরন গ্রিনের বলে হাইনরিখ ক্লাসেনের দুর্দান্ত ক্যাচ নেন রোভম্যান পাওয়েল, যা ম্যাচের অন্যতম সেরা মুহূর্ত। একই ওভারে সলিল অরোরা ও ঈশান কিশানকে প্যাভিলিয়নে ফেরত পাঠান নারাইন। এই ম্যাচে একটি বড় মাইলফলক ছুঁলেন সুনীল নারাইন। তিনি আইপিএলে ২০০ উইকেটের ক্লাবে প্রবেশ করলেন, যা একটি উল্লেখযোগ্য কীর্তি। হর্শল পটেলকে আউট হায়দরাবাদের শেষ উইকেট নেন কার্তিক ত্যাগী। ১ ওভার বাকি থাকতেই ১৬৫ রানে গুটিয়ে যায় হায়দরাবাদ।

কেকেআর-এর কাছে সহজ লক্ষ্যমাত্রা

১৬৬ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই ঝড় তোলেন ফিন আলেন। যদিও দলের ৪৯ রানের মাথায় তাঁকে আউট করেন প্যাট কামিন্স। ১৩ বলে ২৯ রান করেন আলেন।

পাওয়ারপ্লেতেই ৭১ রান তুলে নেয় কেকেআর। আলেন আউট হয়ে যাওয়ার পরে ম্যাচের হাল ধরেন অঙ্গকৃশ রঘুবংশী এবং অধিনায়ক অজিঙ্ক রাহানে। দু’জনে মিলে ৮৪ রানের জুটি গড়েন। রঘুবংশী ৪৭ বলে ক্যারিয়ারের সেরা ৫৯ রান করেন। আর অজিঙ্ক রাহানে করেন ৩৬ বলে ৪৩ রান।

দলের ১৩৩ রানে রাহানে এবং ১৫১ রানে রঘুবংশী আউট হয়ে যাওয়ার পরে দলকে জয় এনে দেন রিঙ্কু সিংহ ও ক্যামেরন গ্রিন। ১০ বল বাকি থাকতেই ৭ উইকেটে জিতে যায় কেকেআর। এই নিয়ে পর পর ৩টে ম্যাচ জিতে জয়ের হ্যাটট্রিক করল কেকেআর। ‘প্লেয়ার অফ দ্য ম্যাচ’ হন বরুণ চক্রবর্তী।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *