একজন বিবাহিত পুরুষ যদি কোনও মহিলার সঙ্গে লিভ-ইন সম্পর্কে জড়ান, সেটা আইনের চোখে অপরাধ নয়। কয়েকদিন আগেই এমনই মন্তব্য করেছিল এলাহাবাদ হাই কোর্ট। এবার সাম্প্রতিক এক মামলায় মধ্যপ্রদেশ হাই কোর্ট এক বিবাহিত মহিলাকে তাঁর প্রেমিকের সঙ্গে থাকার অনুমতি দিল।

জানা গিয়েছে, এক ১৯ বছরের তরুণী বিয়ের পরও এক অন্য পুরুষের সঙ্গে থাকছিলেন। আদালতে তিনি জানান, ”আমি একজন প্রাপ্তবয়স্ক। নিজের ইচ্ছায় থাকি। আমি আমার স্বামী বা মা-বাবার সঙ্গে থাকতে চাই না।” তরুণীর স্বামী, ৪০ বছরের অবধেশ বিয়ের বছরখানেক পরে আদালতের দ্বারস্থ হন। দাবি করেন, তাঁর স্ত্রী অনুজ কুমার নামে এক ব্যক্তির সঙ্গে থাকছেন, যা বেআইনি। আদালতের নির্দেশে পুলিশ ওই তরুণীকে আদালতে তোলার আগে এক ওয়ান-স্টপ সেন্টারে নিয়ে যায়।

আরও পড়ুন:

সেখানে শুনানির সময় তরুণীর স্বামী, মা-বাবা, পুরুষ সঙ্গী সকলেই হাজির ছিলেন। তরুণী সেখানে পরিষ্কার জানান, স্বামীর সঙ্গে তাঁর বয়সের ফারাক এতটাই যে তাঁর পক্ষে মানিয়ে নিয়ে সংসার করা সম্ভব হচ্ছে না। প্রথমে আদালত ওই তরুণীকে সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার কথা বললেও তরুণী কিন্তু বারবার জানিয়ে দেন, তাঁর ইচ্ছে অনুজের সঙ্গেই থাকার। বিচারপতি আনন্দ পাঠক ও বিচারপতি পুষ্পেন্দ্র যাদবের বেঞ্চ জানিয়ে দিয়েছে, ওই তরুণীর কণ্ঠস্বরই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এখানে। সেই সঙ্গে জানানো হয়েছে, আপাতত আদালত প্রেরিত এক মহিলা ওই তরুণীর সঙ্গে যোগাযোগ রাখবেন পরবর্তী ৬ মাস। তিনি নিশ্চিত করবেন যে ওই তরুণীর কোনও ঝুঁকি নেই এবং তিনি ভালো আছেন।

কয়েকদিন আগে এলাহাবাদ হাই কোর্টে বিচারপতি জেজে মুনির ও বিচারপতি তরুণ সাক্সেনার বেঞ্চ জানিয়েছিল, ”একজন বিবাহিত পুরুষ যদি তিনি অপর একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের সম্মতিতে তাঁর সঙ্গে লিভ-ইন সম্পর্কে জড়ান, তবে তাঁকে কোনও প্রকার অপরাধের দায়েই অভিযুক্ত বা বিচারিক প্রক্রিয়ার সম্মুখীন করা যায় না। নৈতিকতা এবং আইনকে অবশ্যই একে অপরের থেকে পৃথক রাখতে হবে।”

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *