বাংলায় এসআইআর নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে মামলা দায়ের। যাদের নাম চূড়ান্ত তালিকায় বাদ পড়েছে, তাদের তরফে মামলা করা হয়েছে। তাঁদের পক্ষে আইনজীবী হিসেবে আবেদন করেছেন মেনকা গুরুস্বামী। প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের এজলাসে দ্রুত শুনানির আর্জি জানিয়েছেন তিনি। 

বাংলায় এসআইআর নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে মামলা দায়ের। যাদের নাম চূড়ান্ত তালিকায় বাদ পড়েছে, তাদের তরফে মামলা করা হয়েছে। তাঁদের পক্ষে আইনজীবী হিসেবে আবেদন করেছেন মেনকা গুরুস্বামী। প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের এজলাসে দ্রুত শুনানির আর্জি জানিয়েছেন তিনি। গুরুস্বামী আবেদনে অভিযোগ করেন, বাংলায় বহু ভোটার আছেন, যাদের নাম আগের ভোটার তালিকায় ছিল। কিন্তু এ বারের তালিকা থেকে বাদ দিয়ে দেওয়া হয়েছে। তারা প্রামাণ্য নথি জমা দিতে চাইলেও তা নেওয়া হচ্ছে না। তবে, বিচারবিভাগীয় আধিকারিকদের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আবেদন করা যায় না বলে উল্লেখ করেন প্রধান বিচারপতি। যদিও, মেনকা গুরুস্বামী ব্যাখ্যা করেছেন যে আবেদনকারীদের উপর আদেশ জারি করা হয়নি এবং তাই তারা প্রতিকার থেকে বঞ্চিত। আবেদনকারীদের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়েছে এবং তাঁদের নথিও নেওয়া হচ্ছে না। মঙ্গলবার এসআইআর-এর অন্যান্য মামলার সঙ্গে এই আবেদন শুনবেন বিচারপতিরা।

প্রধান বিচারপতি আগামীকাল পশ্চিমবঙ্গের অন্যান্য SIR মামলার সঙ্গে নতুন মামলাটি তালিকাভুক্ত করতে সম্মত হয়েছেন। মঙ্গলবার এসআইআর সংক্রান্ত মূল মামলার শুনানি রয়েছে শীর্ষ আদালতে।

পশ্চিমবঙ্গে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে আগে থেকেই মামলা চলছে। শীর্ষ আদালতের নির্দেশে বিচারবিভাগীয় আধিকারিকদেরও এই এসআইআর প্রক্রিয়ায় যুক্ত করা হয়েছে। ২৮ ফেব্রুয়ারি পশ্চিমবঙ্গের চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশিত হয়, যেখানে প্রায় ৬৩ লক্ষ নাম বাদ দেওয়া হয়। ৬০ লক্ষেরও বেশি নাম বিচারাধীন বলে জানা গেছে। গত মাসে, সুপ্রিম কোর্ট SIR প্রক্রিয়ায় দাবি এবং আপত্তির বিচারের জন্য বিচার বিভাগীয় আধিকারিকদের নিয়োগ করেছিল।

পশ্চিমবঙ্গে এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলে গত শুক্রবার থেকে ধর্মতলায় ধর্নায় বসেছেন তৃণমূলনেত্রী তথা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার তাঁর অবস্থান কর্মসূচির চতুর্থ দিনে পড়েছে। রবিবার রাতেই কলকাতায় পৌঁছেছে জাতীয় নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চ। সোমবার সকাল থেকেই বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকে বসেছে তারা। ইতিমধ্যেই কমিশনের কাছে নিজেদের দাবি আলাদা আলাদা করে পেশ করেছে তৃণমূল, বিজেপি, কংগ্রেস ও সিপিএম। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের নেতৃত্বাধীন এই বেঞ্চ ১০ মার্চ পর্যন্ত রাজ্যে থাকবে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *