আহমেদাবাদে এয়ার ইন্ডিয়ার ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনায় উঠে এল চাঞ্চল্য়কর তথ্য। আমেরিকার একটি বিমান চলাচল নিরাপত্তা গোষ্ঠী অভিযোগ করেছে যে, গত বছর আহমেদাবাদে বিধ্বস্ত হওয়া এয়ার ইন্ডিয়ার বোয়িং ৭৮৭ বিমানটিতে আগে থেকেই একাধিক প্রযুক্তিগত ত্রুটি ছিল। এবং বিমানটি পরিষেবা দেওয়া শুরু করার পর থেকেই বারবার এই ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হয়েছে। তাদের আরও দাবি, বোয়িং বিমানটির নিরাপত্তা সংক্রান্ত সমস্যাকে অবহেলা করা হচ্ছে বিশ্বজুড়েই। এই চাঞ্চল্যকর দাবি ঘিরে রীতিমতো শোরগোল শুরু হয়েছে।

আরও পড়ুন:

বিষয়টি সম্পর্কে ওয়াকিবহাল মহল জানিয়েছে, ফাউন্ডেশন ফর অ্যাভিয়েশন সেফটি (এফএএস) চলতি বছরের ১২ জানুয়ারি মার্কিন সেনেটে একটি রিপোর্ট জমা দিয়েছে। জমা দেওয়া তথ্যের রূপরেখায় বলা হয়েছে যে, এটি তাদের কাছে থাকা নথির উপর ভিত্তি করে তৈরি। যদিও সেই তথ্য সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটালের তরফে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। মার্কিন সংস্থাটির মত, এই রেকর্ডগুলি ইঙ্গিত দেয় যে ভিটি-এএনবি নিবন্ধিত বিমানটি এয়ার ইন্ডিয়ার হয়ে পরিষেবা শুরু করার প্রথম দিন থেকেই সিস্টেম ব্যর্থতার সম্মুখীন হয়েছিল।

এফএএস অভিযোগ করেছে যে সমস্যাগুলি ইঞ্জিনিয়ারিং, উৎপাদন, গুণমান এবং রক্ষণাবেক্ষণের ত্রুটির জেরে তৈরি হয়েছিল। যার মধ্যে রয়েছে ইলেকট্রনিক এবং সফ্টওয়্যার ত্রুটি, সার্কিট ব্রেকারের বারবার ট্রিপিং, তারের ক্ষতি, শর্ট সার্কিট, বৈদ্যুতিক শক্তি হ্রাস এবং পাওয়ার সিস্টেমের উপাদানগুলির অতিরিক্ত গরম হয়ে যাওয়া। এফএএস দাবি করেছে যে বোয়িং ৭৮৭ প্রোগ্রামটি নির্ধারিত সময়ের তিন বছরেরও বেশি সময় পিছিয়ে ছিল।

আরও পড়ুন:

তারা ৭৮৭ সম্পর্কিত ২,০০০ টিরও বেশি বিমান সিস্টেম ব্যর্থতার প্রতিবেদন বিশ্লেষণ করেছে, যা ১,২৩৫টি বিমানের বিশ্বব্যাপী বহরের প্রায় ১৮% এবং যুক্তি দিয়েছে যে এটি ‘হিমশৈলের চূড়া মাত্র’। এ বিষয়ে বোয়িংয়ের এক মুখপাত্র বলেন, “আমরা ভারতের বিমান দুর্ঘটনা তদন্ত ব্যুরোর কাছে আবেদন করব, যা রাষ্ট্রসংঘের আন্তর্জাতিক বেসামরিক বিমান চলাচল সংস্থার প্রোটোকল, যা অ্যানেক্স ১৩ নামে পরিচিত, মেনে চলবে।” বেসামরিক বিমান পরিবহণ মন্ত্রণালয় ও এয়ার ইন্ডিয়া কোনও মন্তব্য করতে চায়নি এই ইস্যুতে।

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *