ফরাক্কার বিদায়ী বিধায়ক মনিরুল ইসলামকে এবার টিকিট দেয়নি তৃণমূল কংগ্রেস। তাই কংগ্রেস প্রার্থী মোহতাব শেখের মনোনয়ন নিয়ে জটের আবহে কংগ্রেস প্রার্থী হিসেবে শনিবার মনোনয়ন জমা দিলেন তিনি। অধীররঞ্জন চৌধুরীর আশ্বাসেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন মনিরুল। এদিন, জঙ্গিপুর মহকুমাশাসকের দপ্তরে গিয়ে মনোনয়ন পেশ করেন তিনি। যদিও বিদায়ী বিধায়ক জানিয়ে দেন, শেষ পর্যন্ত কংগ্রেসের নির্বাচনী প্রতীক না পেলে তিনি নির্দল প্রার্থী হিসেবে বিধানসভা নির্বাচনে লড়বেন।
এই বিষয়ে আরও খবর
ফরাক্কার প্রার্থী হিসেবে মোহতাব শেখের নাম ঘোষণা করেছে কংগ্রেস। কিন্তু অতিরিক্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের পর দেখা যায় তাঁর নাম বাদ পড়েছে। সুবিচার পেতে প্রথমে কলকাতা হাইকোর্ট ও পরে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন মোহতাব। ৬ এপ্রিলের মধ্যে ট্রাইব্যুনালে আবেদন ও তাঁর ভিত্তিতে যাবতীয় প্রক্রিয়া শেষ করার নির্দেশ দেন সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি । ৬ তারিখই প্রথম দফার নির্বাচনের মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন। ট্রাইব্যুনালে আবেদনের পরেও মোহতাবের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ চলে গেলে কংগ্রেসের প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন বিদায়ী বিধায়ক মনিরুল ইসলাম। তবে মোহতাবের নাম তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হলে মনিরুলের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে। যদিও এবিষয়ে মনিরুল জানিয়েছেন, কংগ্রেসের নির্বাচনী প্রতীক না পেলে তিনি নির্দল প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।
আরও পড়ুন:
উল্লেখ্য, অতিরিক্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের পর দেখা যায় মোহতাব শেখের ছেলে ও পরিবারের অন্য সদস্যদের নাম তালিকায় থাকলেও খোদ কংগ্রেস প্রার্থীর নাম ডিলিট করে দেওয়া হয়েছে। এরপরই তাঁর ভোটে প্রতিদ্বন্দ্বিতা নিয়ে সংশয় তৈরি হয়। এই ঘটনায় হাই কোর্টের হস্তক্ষেপ দাবি করেন মোহতাব শেখের আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য। তাতে প্রধান বিচারপতি সুজয় পালের বেঞ্চ স্পষ্ট জানিয়ে দেন, এসআইআর সংক্রান্ত সমস্ত মামলার শুনানি সুপ্রিম কোর্টে হচ্ছে। শীর্ষ আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী কোনও হাই কোর্ট এধরণের মামলা গ্রহণ করতে পারবে না। কলকাতা হাই কোর্টে শুধুমাত্র সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে প্রশাসনিক দিক তদারকি করছে বলে জানানো হয়। হাই কোর্টই আবেদনকারীকে সুপ্রিম কোর্টে যাওয়ার পরামর্শ দেয়। এরপরই সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন মোহতাব হোসেন। শীর্ষ আদালত জানিয়ে দেয়, নিয়ম মেনে ট্রাইবুনালে আবেদন করতে হবে তাঁকে। আবেদনপত্র খতিয়ে দেখে ৬ তারিখের মধ্যে মোহতাব হোসেনের বিষয়টা নিষ্পত্তি করতে হবে। যাতে মনোনয়ন পেশে কোনওরকম সমস্যায় না পড়তে হয় তাঁকে।
আরও পড়ুন:
এই বিষয়ে আরও খবর
সর্বশেষ খবর
