কী বলছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন?Image Credit: TV9 Bangla

কলকাতা:   খসড়া তালিকায় জীবিতদের মৃত দেখানো- এই অভিযোগে আগেও সোচ্চার হয়েছেন তৃণমূলের সর্ব ভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। গত বৃহস্পতিবার নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চের সঙ্গে মুখোমুখি হন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সঙ্গে ছিলেন তৃণমূলের আরও ৯ সাংসদ। সেখানেও এই বিষয় উত্থাপন করেন অভিষেক। শুক্রবারও দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুরের সভা থেকে আরও একবার ‘এসআইআর’আবহে মৃতদের প্রসঙ্গ উত্থাপন করেন অভিষেক। পাশাপাশি এমন তিন জনকে মঞ্চে তোলা হয়, যাঁদের খসড়া তালিকায় মৃত বলে দেখানো হয়েছে। এবার সেই বিষয়ে রিপোর্ট চাইল কমিশন। কমিশনের বক্তব্য, ভুল ভ্রান্তি হয়ে থাকলেও এই সংখ্যা ৫০-এর বেশি হতে পারে না। প্রত্যেকটি ক্ষেত্রে যদি ভুল তথ্য দেওয়া হয়, তাহলে রিপোর্ট চাওয়া হবে বলে জানিয়েছে কমিশন। এই জন্যই এটা খসড়া তালিকা।

প্রসঙ্গত,  ‘এসআইআর আতঙ্কে’ বিএলও-সহ সাধারণ নাগরিকদের মৃত্যু এবং পরিকল্পনাহীনতা, জীবিতদের মৃত দেখানোর মতো পাঁচটি বিষয়ে কমিশনের উদ্দেশে তৃণমূলের ১০ সাংসদের প্রতিনিধিদল প্রশ্ন তুলেছিলেন। সেখান থেকে বেরিয়ে সাংবাদিক বৈঠক। এসআইআর আবহে একাধিক মানুষের মৃত্যু হয়েছে বলেও কমিশনকে দোষারোপ করেন অভিষেক।

শুক্রবারও দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুরের সভা একেবারে অন্য ধাঁচে করলেন  অভিষেক। এমন তিন জনকে মঞ্চে তোলা হয়, যাঁদের খসড়া তালিকায় মৃত বলে দেখানো হয়েছে। মঞ্চ তৈরি করা হয়েছিল র‌্যাম্পের ধাঁচে। তাঁদের র‌্যাম্পে হাঁটানো হয়। তাঁদের মধ্যে দু’জন ব্যক্তি, এক জন মহিলা। তাঁদের নাম মনিরুল মোল্লা, হরেকৃষ্ণ গিরি এবং মায়া দাস।  দু’জনের বাড়ি মেটিয়াবুরুজ এবং এক জনের বাড়ি কাকদ্বীপে। অভিযোগ, তাঁদের মৃত বলে দেখানো হয়েছে এসআইআর-এর তালিকায়। অভিষেকের বক্তব্য, কেবল দক্ষিণ ২৪ পরগনাতেই এরকম ২৪ জন রয়েছে। পাশাপাশি এসআইআর আতঙ্কে রাজ্যে ৫৬ জনের বেশি মৃত্যুরও অভিযোগ তোলেন তিনি। এবার এই পরিসংখ্যান নিয়ে রিপোর্ট তলব করল কমিশন।

মৃত ভোটার ইস্যুতে রিপোর্টের পাশাপাশি আরও একটি বিষয়ে নোটিস ইস্যু করা শুরু করেছে কমিশন। কমিশন সূত্রে খবর,  এক জন বাবার ৬ জনের বেশি সন্তান, এমন লোকেদের নোটিস বৃহস্পতিবার থেকে দেওয়া শুরু হয়েছে। এরকম ২৪ লক্ষকে চিহ্নিত করেছে কমিশন।

নাম মিলছে না বা ভুল রয়েছে, এরকম লজিকাল ডিসক্রিপেন্সি কেসগুলোতেও ডাকা হবে বলে কমিশন সূত্রে খবর। তবে মাইনর ইস্যুতে ডাকা হবে না। মোট ডিসক্রিপেন্সি ৯৪ লক্ষ ৪৯ হাজার।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *