বান্ধবীকে ‘ধর্ষণ’ করার পর বিয়ের কথা উঠতেই সোজা কলকাতা থেকে লন্ডনে। লন্ডনে বসেই শুনেছিলেন তাঁর বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ দায়ের করেছেন সেই বান্ধবী। কিন্তু পুলিশের ধরাছোঁয়ার বাইরে থাকায় অনেকটা নিশ্চিত বোধ করেছিলেন তিনি। ৭ বছর লন্ডনে থাকার পর মনে করেছিল চাপা পড়ে গিয়েছিল মামলাটি। যদিও মামলা যে চাপা পড়েনি, তা ধর্ষণের অভিযুক্ত বুঝতে পারলেন মুম্বই বিমানবন্দরে নেমে। তাঁর বিরুদ্ধে আগেই জারি হয়েছিল লুকআউট নোটিস। শেখ সোহেব নামে ওই যুবককে মুম্বই বিমানবন্দর থেকে গ্রেপ্তার করলেন একবালপুর থানার পুলিশ আধিকারিকরা।

আরও পড়ুন:

পুলিশ জানিয়েছে, ধৃত ওই যুবকের নাম শেখ সোহেব। প্রায় আট বছর আগে দক্ষিণ ২৪ পরগনার বজবজ এলাকার এক তরুণীর সঙ্গে ওই যুবকের পরিচয় হয়। দু’জনের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা হয়। অভিযোগ, বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে সোহেব বিভিন্ন জায়গায় ওই তরুণীকে নিয়ে যায়। তাঁকে ‘ধর্ষণ’ করে ওই যুবক। কিন্তু তরুণী বিয়ের প্রসঙ্গ তুলতেই তাঁকে সে এড়িয়ে চলতে থাকে। ততদিনে সোহেব পরিচিতর হাত ধরে লন্ডনে কাজ পেয়ে গিয়েছে। তাই বান্ধবীকে প্রায় কিছু না জানিয়েই সে উধাও হয়ে যায় লন্ডনে। হঠাৎই ওই তরুণী জানতে পারেন যে, তাঁর বন্ধু পালিয়েছে বিদেশে।

সোহেবের বিরুদ্ধে প্রথমে তিনি বজবজ থানায় ধর্ষণের অভিযোগ দায়ের করেন। যেহেতু সোহেব একবালপুর এলাকার বাসিন্দা, তাই আদালত গ্রেপ্তারি পরোয়ানা পাঠিয়ে দেয় কলকাতা পুলিশকে। একবালপুর থানার পুলিশ তল্লাশি শুরু করে। কিন্তু ধর্ষণের অভিযুক্ত হাতের বাইরে। তাঁর বিরুদ্ধে পরোয়ানা জারি করেও ফল মেলেনি। যেহেতু তিনি বিদেশে, তাই পুলিশ তাঁর বিরুদ্ধে লুকআউট নোটিস জারি করে। টানা ৭ বছর লন্ডনে থাকার পর সোহেব মনে করেছিল, মামলাটি চাপা পড়ে গিয়েছে। তাই রবিরার রাতে বিমানে করে মুম্বই বিমানবন্দরে এসে নামেন। আর লুকআউট নোটিস জারি থাকায় সঙ্গে সঙ্গেই ধরা পড়ে যান তিনি। বিমানবন্দরে তাঁকে আটক করে কলকাতা পুলিশকে জানানো হয়। সোমবার মুম্বই পৌঁছন একবালপুর থানার আধিকারিকরা। অভিযুক্তকে পুলিশ গ্রেপ্তার করে কলকাতায় নিয়ে আসে। ধৃতকে জেরা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *