তিরুবনন্তপুরম: সাতসকালে অগ্নিকাণ্ড, দাউদাউ করে জ্বলে উঠল রেল স্টেশন ও পার্শ্ববর্তী এলাকা। নষ্ট হয়ে গেল ২০০-এর অধিক বাইক। যা ঘিরে এলাকাজুড়ে তীব্র চাঞ্চল্য়? কিন্তু কীভাবেই বা এই অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত? ঘটনা কেরলের ত্রিশূর রেল স্টেশনের। রবিবার সকালে ওই স্টেশনের ২ নং প্ল্যাটফর্ম লাগোয়া পার্কিং লট থেকেই এই অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত ঘটেছে বলে মনে করছে কর্তৃপক্ষ।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, অগ্নিকাণ্ডের সময় সংশ্লিষ্ট পার্কিং লটে প্রায় ৫০০টিরও বেশি বাইক রাখা ছিল। এদিন সকাল সাড়ে ৬টা নাগাদ স্থানীয়রা আগুনের লেলিহান শিখা লক্ষ্য করেন। তারপর নিমেষে দাউদাউ করে জ্বলে ওঠে গোটা এলাকা। আগুন লেগে যায় পার্কিং লটে রাখা বাইক ও স্কুটারগুলিতে। যার জেরে আরও দ্রুত এলাকাজুড়ে ছড়িয়ে আগুন। খবর যায় দমকলের কাছে।

তড়িঘড়ি ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয় দমকলের একাধিক ইঞ্জিন। তারপর মিনিট ৩০-এর কসরত, নিয়ন্ত্রণে আনা হয় আগুনের লেলিহান শিখাকে। কিন্তু তারপর ধোঁয়ায় ঢেকে থাকে এলাকা। যার জেরে প্রায় অচল হয়ে পড়ে স্টেশনটি। আগুনের ভয়ে আগে থেকেই সতর্ক হয়ে পড়ে স্টেশন কর্তৃপক্ষ। ক্ষণিকের জন্য স্থগিত করে দেওয়া হয় পরিষেবা।

প্রত্যক্ষদর্শীদের জানিয়েছেন, শতাধিক বাইক-স্কুটার জ্বলে গিয়েছে। বেশির ভাগ বাইকগুলিই নিত্যযাত্রীদের। দুর্ঘটনার খবর পেয়ে তাঁরা ট্রেন ধরার তাড়া ভুলে পার্কিং লটের দিকে ছুটে আসে। তবে ঠিক কতগুলি বাইক বা স্কুটার এই অগ্নিকাণ্ডের জেরে জ্বলে গিয়েছে, তা জানা যায়নি। এখনও পর্যন্ত নির্দিষ্ট সংখ্যা প্রকাশ করেনি থিশূর স্টেশন কর্তৃপক্ষ। স্থানীয়দের মতে, সংশ্লিষ্ট পার্কিং লটে প্রতিদিন ৫০০-এর অধিক বাইক থাকত। রবিবার সেই সংখ্য়ায় সামান্য হেরফের হতে পারে। তবে ২০০-এর অধিক বাইক জ্বলে গিয়েছে বলেই মনে করা হচ্ছে।

ইতিমধ্যে তদন্তে নেমেছে রেল কর্তৃপক্ষ। সিট গঠন করেছে থিশূর পুলিশ কমিশনারেট। রাজ্য পুলিশের ডিজিও ঘটনাস্থল ঘুরে গিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, কীভাবে অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত তা জানতে তদন্ত শুরু হয়েছে। খতিয়ে দেখা হচ্ছে সিসিটিভি ফুটেজ। মনে করা হচ্ছে, এই আচমকা লাগা আগুনের উৎস খুঁজতে এটাই একমাত্র পথ।





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *