লন্ডনের হাইকোর্টে পলাতক হীরা ব্যবসায়ী নীরব মোদির প্রত্যর্পণ সংক্রান্ত মামলার শুনানি শেষ হয়েছে। ওই শুনানিতে পলাতক ধনকুবের দাবি করলেন, তাঁর জন্য ভারতে ফেরা ‘ঝুঁকির হবে’। ভারতীয় তদন্তকারী সংস্থাগুলি জিজ্ঞাসাবাদের সময় শারীরিক ও মানসিক ‘নির্যাতন’ চালাবে।

লন্ডনের হাইকোর্টে রয়্যাল কোর্টস অফ জাস্টিসে নীরব মোদির প্রত্যার্পণ মামলা চলছিল। দিনভর শুনানি চলে বিচারপতি জেরেমি স্টুয়ার্ট স্মিথ এবং বিচারপতি রবার্ট জে-র বেঞ্চে। আদালত জানায়, নীরব মোদি এবং ভারত সরকারের আধিকারিকদের জন্য মামলাটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমরা যত তাড়াতাড়ি সম্ভব রায় প্রদান করব। শুনানি চলাকালীন প্রত্যার্পণের ক্ষেত্রে নীরব মোদির আইনজীবীর কোনও যুক্তিই ধোপে টেকেনি। এর পরেই ভারতে তার উপর নির্যাতনের ঝুঁকির কথা জানান পলাতক হীরা ব্যবসায়ীর আইনজীবী।

আরও পড়ুন:

লন্ডনের হাইকোর্টে রয়্যাল কোর্টস অফ জাস্টিসে নীরব মোদির প্রত্যার্পণ মামলা চলছিল। দিনভর শুনানি চলে বিচারপতি জেরেমি স্টুয়ার্ট স্মিথ এবং বিচারপতি রবার্ট জে-র বেঞ্চে।

আরও পড়ুন:

উল্লেখ্য, পিএনবি-সহ ভারতের একাধিক ব্যাংকে জালিয়াতির পর দেশ ছেড়ে পালিয়ে গিয়েছিলেন নীরব মোদি। একইভাবে পালিয়ে গিয়েছিলেন তাঁর আত্মীয় মেহুল চোকসিও। এরপর ২০১৯ সালের ১৪ মার্চ লন্ডনের একটি ব্যাংকে অ্যাকাউন্ট খুলতে গিয়ে গ্রেপ্তার হন নীরব মোদি। প্রায় বছরখানেক আগেই আদালতে তিনি জানান, ”আমার সমস্ত সম্পত্তি ফ্রিজ করে দেওয়া হয়েছে। আইনজীবীর ফি দেওয়ারও সামর্থ্য নেই।” সেই সঙ্গে তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা সমস্ত অভিযোগকে ভিত্তিহীন বলেও দাবি করতে দেখা যায় তাঁকে।

এদিকে ক্রমশ কোণঠাসা হচ্ছেন নীরব। কিছুদিন আগেই তাঁর একটি ফ্ল্যাট বিক্রির অনুমতি দিয়েছে আদালত। এবার আরও সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করল ইডি। তবে নীরব মোদি লন্ডনে থেকেই বিভিন্ন আইনি প্রক্রিয়ায় তাঁর সম্পত্তি দ্রুত বিক্রির প্রক্রিয়ায় বাঁধা দেওয়ার চেষ্টা করছেন। ব্রিটিশ সরকারের সঙ্গে নীরবের প্রত্যর্পণ নিয়ে আলোচনা চালাচ্ছে কেন্দ্র।

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *