সান্দাকফুতে ঘুরতে গিয়ে মৃত্যু পর্যটকের। তিনি কলকাতার বাসিন্দা। মৃতের নাম ইমরান আলি। অত্যধিক ঠান্ডার কারণেই কি এই মৃত্যু? প্রশ্ন উঠেছে। ফের সান্দাকফুতে প্রবল তুষারপাত হয়েছে বলে খবর। বিভিন্ন এলাকা পুরু বরফের চাদরে ঢাকা।
আরও পড়ুন:
জিটিএ-র ভাইস চেয়ারম্যান রাজেশ চৌহানের জানান, ইমরান আলি এবং রোহিত শেখর ২৪ মার্চ দার্জিলিংয়ে পৌঁছান। মানেভঞ্জন হয়ে তাঁরা ২৬ মার্চ টুংলুতে গিয়েছিলেন। খারাপ আবহাওয়ার কারণে টুংলুতেই তাঁরা থেকে যান। আজ, শনিবার সকালে ডাকতে গিয়ে রোহিত দেখেন ইমরান অচেতন অবস্থায় পড়ে আছেন। ইমরান কলকাতার পার্ক স্ট্রিট, চৌরঙ্গী লেনের বাসিন্দা। পরে পরীক্ষা করে দেখা যায়, অনেক আগেই তাঁর মৃত্যু হয়েছে।
রোহিত বলেন, “আমরা ট্রেকিং করতে এসেছিলাম। কিন্তু আবহাওয়া খারাপ থাকায় সম্ভব হয়নি। ওই কারণে গাড়িতে মানেভঞ্জনে চলে যাই। এরপর টাংলুতে।” কিন্তু কেমন করে ইমরানের মৃত্যু হল সেটা জানাতে পারেননি রোহিত। তিনি বলেন, “শনিবার সকালের আবহাওয়া খুবই খারাপ ছিল। তবু আমি ওকে ডাকতে যাই বাইরের দৃশ্য দেখার জন্য। কিন্তু অনেক ডাকাডাকির পরও সাড়া দেয়নি। এরপর স্থানীয় লোকজনকে ডাকি।”
আরও পড়ুন:
ফের ভারী তুষারপাতে দার্জিলিংয়ের সান্দাকফু যেন বসন্তের সান্তা বুড়ো। পাহাড়ি ঢাল, পাইন ও রডোডেনড্রনের জঙ্গল, সবই শনিবার সকাল থেকে শ্বেতশুভ্র হয়েছে। মনে হতেই পারে প্রকৃতির তুলির টানে ক্যানভাসে ভেসে ওঠা এক অমর্ত্যলোক। প্রায় দুই দশক পর অসময়ে মার্চের শেষ প্রান্তে এমন বিরল ঘটনায় উচ্ছ্বসিত পর্যটকেরা। যদিও রাস্তাঘাট বরফে তলিয়ে থাকায় ল্যান্ড রোভারগুলো চলাচল করতে পারছে না। শুক্রবারের মধ্যে যে পর্যটকরা সেখানে পৌঁছেছেন হোমস্টেগুলোতে ঘরবন্দি হয়েছেন।
সর্বশেষ খবর
