নয়াদিল্লি ও ঢাকা: ৮০ বছর বয়সে প্রয়াত হয়েছেন বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া। ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্য়াগ করেছেন তিনি। তারপরই বাংলাদেশ জুড়ে নেমেছে শোকের ছায়া। ইতিমধ্যে বিএনপি নেত্রীর মৃত্যুতে শোকপ্রকাশ করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীও।

নিজের এক্স হ্য়ান্ডেলে মোদী লিখেছেন, ‘বিএনপির চেয়ারপার্সন ও বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে আমি গভীরভাবে শোকাহত। তাঁর পরিবার এবং বাংলাদেশের সকল মানুষের প্রতি আমাদের আন্তরিক সমবেদনা।’ এদিন খালেদা জিয়ার সঙ্গে প্রথম আলাপের একটি ছবি পোস্ট করেন প্রধানমন্ত্রী। ২০১৫ সালের সেই আলাপের কথা তুলে ধরে মোদী লেখেন, ‘ভারত-বাংলাদেশের সম্পর্কের উন্নয়নের ক্ষেত্রে তাঁর ভূমিকা অনস্বীকার্য। আজ ২০১৫ সালে তাঁর সঙ্গে ঢাকায় হওয়া সাক্ষাতের কথা মনে পড়ছে।’

গত ২৩ নভেম্বর খালেদা জিয়ার সঙ্কটময় শারীরিক পরিস্থিতির কথা জানাজানি হতে পাশে দাঁড়ানোর বার্তা দিয়েছিল ভারত। সেই সময় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী লিখেছিলেন, ‘ আমি প্রতি মুহূর্তে তাঁর সুস্থতার কামনাই করি। পাশাপাশি, এটাও স্মরণ করিয়ে দিতে চাই, ভারত সকল প্রকার সহায়তার জন্য প্রস্তুত।’

ইউনূসের বার্তা

তিনবারের প্রধানমন্ত্রীর মৃত্য়ুতে শোকপ্রকাশ করেছেন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস। এদিন নিজের ফেসবুকে তিনি লেখেন, ‘এই জাতি তাঁর অন্যতম অভিভাবককে হারাল। খালেদা জিয়ার মৃত্য়ুতে আমি গভীরভাবে শোকাহত। বাংলাদেশে গণতন্ত্র, বহুদলীয় রাজনৈতিক সংস্কৃতি, জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে খালেদা জিয়ার ভূমিক অনস্বীকার্য।’

খালেদা জিয়ার সময়কালে বাংলাদেশে গুরুত্ব পেয়েছিল নারী শিক্ষা। নিজের লেখা সেই প্রসঙ্গ তুলে ধরেন ইউনূস। তাঁর কথায়, ‘তিনি মেয়েদের বিনামূল্য শিক্ষা, ভাতা প্রকল্পের সূচনা ঘটিয়েছিলেন। বাংলাদেশের ইতিহাসে তৎকালীন সময়ে যা ছিল বেনজির।’

হাসিনার শোকপ্রকাশ

দু’জনেই প্রাক্তন। দু’জনেই দুই মেরুর। কিন্তু সময়ের ডাকে এসেছে সৌজন্য। মঙ্গলবার খালেদা জিয়ার মৃত্যুর খবর পেয়ে শোকবার্তা দিয়েছেন বাংলাদেশের ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। দলের মারফৎ হাসিনা বলেন, ‘প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে খালেদা জিয়ার অবদান অপরিসীম। তাঁর মৃত্যুতে বাংলাদেশের বর্তমান রাজনীতিতে এবং বিএনপি নেতৃত্বের এক অপূরণীয় ক্ষতি হল।’





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *