বিক্ষোভের আগুনে জ্বলছে ইরান।Image Credit: PTI

তেহরান: পরিস্থিতি আরও জটিল হচ্ছে ইরানে। এবার বন্ধ করা হল আকাশপথ। ইরানের এয়ারস্পেস বন্ধ হওয়ায়, বহু বিমান চলাচলই বন্ধ হয়ে গেল। অন্যদিকে, বিক্ষোভের আঁচও বাড়ছে দেশে। বিক্ষোভকারীদের ফাঁসি দেওয়ার হুমকি দিয়েছে প্রশাসন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও ইরানের নাগরিকদের রক্ষা করতে সে দেশে হামলার হুমকি দিচ্ছেন। সব মিলিয়ে ইরান এখন এক গভীর টানাপোড়েনের মাঝে পড়ে রয়েছে।

বুধবারই জানা যায় যে সাময়িকভাবে ইরানের এয়ারস্পেস বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। শুধু ইরান থেকে ওড়া এবং সে দেশের উদ্দেশ্যে যাওয়া আন্তর্জাতিক বিমানকেই ওঠা-নামার অনুমতি দেওয়া হচ্ছে। বাকি সমস্ত বিমান চলাচল বন্ধ। ফ্লাইটর‌্য়াডার২৪ সূত্রে এই তথ্য জানা গিয়েছে। তবে কেন হঠাৎ আকাশসীমা বন্ধ করা হল, তার ব্যাখ্যা দেয়নি ইরান প্রশাসন। তবে কি মার্কিন হামলার আশঙ্কাতেই এই সিদ্ধান্ত? সূত্রের খবর, বিমানে হামলার আশঙ্কায় আকাশপথ বন্ধ করা হয়েছে। শুধুমাত্র জরুরি আন্তর্জাতিক বিমানকে অনুমতিসাপেক্ষে ওড়ার অনুমতি দেওয়া হচ্ছে।

মার্কিন প্রশাসন ইরানে বড়সড় অভিযান চালানোর জন্য প্রস্তুত হচ্ছে, এই আন্দাজ আগেই পাওয়া গিয়েছিল। ইরানে আন্দোলনকারীদের মৃত্যুর সংখ্যা দুই হাজার পার করতেই প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের যুবদের বলেছেন তারা যেন আন্দোলন না থামায়, সাহায্য আসছে। সূত্রের খবর, ইতিমধ্য়েই আমেরিকা সেনা সরাতে শুরু করেছে।

ইরানও চুপ থাকার পাত্র নয়, প্রতিবেশী দেশ তেহরানে ঢুকে আমেরিকার ঘাঁটিতে হামলার হুমকি দিয়েছে। এদিকে, ইরাক থেকে কুর্দিশ বাহিনীও ইরানে ঢুকতে চাইছে, এমনটাই রয়টার্স সূত্রে খবর। এবার শেষ পর্যন্ত দুই দেশ সরাসরি সংঘাতে জড়ায় কি না, তাই দেখার। মধ্য প্রাচ্যের শক্তিশালী দেশের সঙ্গে পশ্চিমী দুনিয়ার সবথেকে শক্তিধর দেশের সংঘাতই শেষে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের রূপ নেবে?



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *