এবারও ভোটের কাজে সিভিক ভলান্টিয়ার, গ্রিন পুলিশে ‘না’ কমিশনের। রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজকুমার আগরওয়ালকে লেখা চিঠিতে ECI নির্দেশ দিয়েছে, ভোটের কাজে কোনও সিভিক পুলিশ, গ্রিন পুলিশকে মোতায়েন করা যাবে না। কোথায়, কোন ক্ষেত্রে হবে পুনর্নিবাচন? তাও জানাল নির্বাচন কমিশন।

এই বিষয়ে আরও খবর

নজরে নির্বাচন। ভোটের মুখে ফের রাজ্যে কড়া পদক্ষেপ নির্বাচন কমিশনের। বুধবার রাজ্যের পর্যবেক্ষকদের সঙ্গে ভার্চুয়াল বৈঠকে বসেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার এবং রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়াল। কোন কোন ক্ষেত্রে পুনর্নিবাচন হবে, তাও এই বৈঠকেই স্পষ্ট করে দেয় কমিশন। সূত্রের খবর, মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার বলেন, প্রায় ৩ হাজার ক্যামেরায় নজরদারি চালানো হবে বুথের ভিতরে ও বাইরে। রাস্তাতেও চলছে নাকা চেকিং। যদি কোনও কারনে কোনও বুথের ক্যামেরা বন্ধ থাকে, সেই বুথে অবিলম্বে পুনর্নিবাচন ঘোষণা করা হবে বলে জানিয়েছে কমিশন। ক্যামেরায় গন্ডগোল দেখলেই সঙ্গে সঙ্গে পুনর্নির্বাচনের সিদ্ধান্ত নেওয়ার বিষয়ে সকলকে সতর্ক করার বার্তা দিয়েছেন জ্ঞানেশ কুমার।

সাধারণত ভোটের সময়ে বুথের ২০০ মিটার পর্যন্ত জারি থাকে ১৪৪ ধারা। বুথ সংলগ্ন এলাকায় অবাধ বিচরণ বা জমায়েতে নিষেধাজ্ঞার জন্যই এই কড়াকড়ি। সূত্রের খবর, মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের সঙ্গে বৈঠকে বেশ কয়েকজন সাধারণ পর্যবেক্ষক দাবি করেছেন, শুধু ভোটকেন্দ্র নয়, যে সব জেলাগুলি সংবেদনশীল, অর্থাৎ যেখানে অশান্তি হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল, সেই জেলাজুড়েই নিষেধাজ্ঞা জারি করা হোক। সংবেদনশীল জেলাগুলিতে ১৪৪ ধারা জারি করার আবেদনও কমিশনে জানিয়েছেন পর্যবেক্ষকদের একাংশ।

এদিকে ভোটের কাজে সিভিক ভলান্টিয়ার, গ্রিন পুলিশ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। কমিশনের তরফে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, ভোটের কাজে সিভিক পুলিশ, গ্রিন পুলিশ কোনওভাবেই মোতায়েন করা যাবে না। শুধু তাই নয়, ভোটের ৩ দিন আগে ও পরের দিন ইউনিফর্ম পরে ডিউটিও করতে পারবেন না সিভিক ভলান্টিয়াররা। এর আগে ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচন এবং ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনেও এই নির্দেশ দেয় জাতীয় নির্বাচন কমিশন।

এই বিষয়ে আরও খবর

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *