ফের একবার ষড়যন্ত্রের অভিযোগ। চপারে করে মালদহের মালতিপুর থেকে গাজলে যাচ্ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আচমকাই হেলিকপ্টারের আশপাশে রহস্যজনকভাবে একটা ড্রোন উড়তে দেখা যায়।
মুখ্যমন্ত্রী নিজে দাঁড়িয়ে ড্রোনটি দেখেন। কিছুক্ষণ পরে হেলিকপ্টরে ওঠার সময় ঘটনার পিছনে কে বা কারা আছেন তা নিয়ে সরব হন তিনি। খোঁজ নিতে বলেন পুলিশকে।
অতীতে বারবার মুখ্যমন্ত্রীর আকাশপথে বিপত্তি দেখা গিয়েছে। ২০১৯ সালে খড়গপুরে জরুরি অবতরণ। ২০২১ সালেও দুর্যোগের মুখে পড়ে চপার। ২০২২ সালে উত্তরবঙ্গে অবতরণে সমস্যা। এর জেরে রাজ্য বনাম কেন্দ্রের মধ্যে চাপানউতোরও হয়েছিল।
২০২৫ সালে হেলিকপ্টারে বিমার সমস্যায় উড়ান বাতিল হয়ে যায়। শেষ মুহূর্তে বাতিল হয়ে যায় উড়ান। চলতি বছরেই মার্চের শেষে অন্ডাল থেকে ফেরার পথে দুর্যোগের কবলে পড়ে মমতার বিমান। আকাশেই ঘণ্টা দেড়েক চক্কর কাটতে থাকে মুখ্যমন্ত্রীর বিমান।
তারপর কয়েক সপ্তাহের ব্যবধানে ফের বিতর্ক। তৃণমূল নেতারা যাদিও মালদহের ঘটনায় ষড়যন্ত্রের গন্ধ পাচ্ছে। তৃণমূল মুখপাত্র জয়প্রকাশ মজুমদার বলছেন, বারবার এ ধরনের ঘটনা ঘটছে কেন? এর মধ্যে কী বিশেষ কোনও ষড়যন্ত্র আছে?
যদিও তৃণমূলের তত্ত্ব উড়িয়ে দিচ্ছে বিজেপি। বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলছেন, এসব গাঁজাখুরি গল্প কোথা থেকে আসে? এসব ড্রামা-নাটক সস্তার পাবলিসিটি।
কিন্তু কার ষড়যন্ত্র? তৃণমূলের অভিযোগ মুখ্যমন্ত্রীর জীবনহানির মতো ষড়যন্ত্র থাকলেও থাকতে পারে। এর নেপথ্যে রয়েছে বিজেপির বাংলা দখলের চক্রান্ত।
জয়প্রকাশ মজুমদার বলছেন, “শেষ পর্যন্ত বিজেপি আর কিছু না পেরে বাংলা দখলের উদ্দেশ্যে এত নিচু একটা ষড়যন্ত্র করবে! মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জীবন নিয়ে ছিনিমিনি খেলবে। যদি কোনও ক্ষতি আমাদের নেত্রীর হয় তাহলে শুধু বিজেপি বাংলা থেকে মুছে যাবে তাই নয়, গোটা ভারত থেকে বিজেপি বিতাড়িত হতে হবে।”








