Bankura: হঠাৎ দলবল নিয়ে লোকাল ট্রেনে, কী বলছেন তৃণমূল প্রার্থী?

বাঁকুড়া: ভোটগ্রহণের আর একমাসও বাকি নেই। তাই প্রচারে কোনও খামতি রাখতে চাইছে না রাজনৈতিক দলগুলির প্রার্থীরা। দিনভর কার্যত দৌড়ে বেড়াচ্ছেন। এবার ভোটারদের কাছে পৌঁছে যেতে লোকাল ট্রেনেই উঠে পড়লেন বাঁকুড়ার ইন্দাসের তৃণমূল প্রার্থী শ্যামলী রায় বাগদী। দলবল নিয়ে লোকাল ট্রেনের যাত্রীদের কাছে ভোটদানের আবেদন জানালেন। প্রচারের ফাঁকেই হকারের কাছ থেকে মুড়ি মাখা কিনেও খেলেন। কেন তিনি জিতবেন, সেই ব্যাখ্যাও দিলেন ইন্দাসের তৃণমূল প্রার্থী।   

শুক্রবার সপ্তাহের শেষ কাজের দিনে লোকাল ট্রেনে উঠে যাত্রীদের মধ্যে নিজের ভোট প্রচার সারলেন শ্যামলী রায় বাগদী। এদিন সকালে তিনি দলীয় কর্মী সমর্থকদের সঙ্গে কুমরুল স্টেশনে ট্রেনে উঠে পড়েন। দলের কর্মীদের সঙ্গে নিয়ে চলন্ত ট্রেনেই যাত্রীদের সঙ্গে জনসংযোগ ও ভোট প্রচার সারেন। কখনও যাত্রীদের পাশে ভোট রাজ্য সরকারের উন্নয়নের খতিয়ান দেন। কখনও শিশুকে কোলে বসিয়ে যাত্রীদের সঙ্গে আলাপচারিতায় মেতে ওঠেন। ভোট প্রচারের ফাঁকেই দলের কর্মীদের সঙ্গে জমিয়ে ঝাল মুড়ি খান তৃণমূলের প্রার্থী।

পরে শাসপুর স্টেশনে ট্রেন থেকে নেমে পড়েন শ্যামলী রায় বাগদী। তৃণমূল প্রার্থীর দাবি, গত নির্বাচনে ইন্দাসের মানুষ বিজেপি প্রার্থীকে জেতালেও গত ৫ বছরে ইন্দাস এলাকায় কোনও উন্নয়নের কাজ করেননি বিধায়ক নির্মল কুমার ধাড়া। অন্যদিকে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পে সারা রাজ্যের পাশাপাশি ইন্দাস বিধানসভা এলাকাতেও ব্যাপক উন্নয়ন করেছেন। এদিন প্রচারে সাধারণ যাত্রাদের সেই বিষয়টিই তুলে ধরা হয়েছে।

Bankura Tmc Candidate Campaigning At Train
ট্রেনে প্রচার করছেন ইন্দাসের তৃণমূল প্রার্থী শ্যামলী রায় বাগদী

হঠাৎ কেন ট্রেনে উঠে প্রচার সারলেন? এই প্রশ্নে তৃণমূল প্রার্থী বলেন, “নির্বাচনের আর বেশি দিন সময় নেই। তাই আমরা দ্রুত সবার কাছে পৌঁছতে চাইছি। সেজন্য বাসস্ট্যান্ড, ট্রেনে প্রচার করছি। দিদির উন্নয়নের কথা মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে চেয়েছি। এখানকার বিধায়ক গত ৫ বছরে কিছু করেননি। এখানকার প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রকে সুপার মাল্টিস্পেশালিটি হাসপাতালে পরিণত করার চেষ্টা করব। নদী ভাঙন আটকাতে পদক্ষেপ করব।” নিজের জয়ের ব্যাপারে সম্পূর্ণ আশাবাদী জানিয়ে তিনি বলেন, “উন্নয়নের যে রথ চলছে, তাতে আমরা এক ধাপ এগিয়ে রয়েছি।” ট্রেনে মুড়ি মাখা খাওয়া নিয়ে তাঁর বক্তব্য, “আমরা সাধারণ ঘরের মেয়ে। যখন যেটা পাই, সেটা খাই। কখনও চপ কখনও মুড়ি খাই। এদিন মুড়ি খেয়েই প্রচারে নেমেছি।”



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *