খগেন মুর্মুর এক্স রে রিপোর্টImage Credit: TV9 Bangla
জলপাইগুড়ি: সাংসদের ওপর হামলা, এবার নোটিস দিয়েছেন লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা। রাজ্যের কাছে রিপোর্ট তলব করেছেন স্পিকার। রাজ্য দ্রুত রিপোর্ট না দিলে আইন অনুযায়ী পদক্ষেপ করা হবে। সেটাই স্পষ্ট করে দেওয়া হয়েছে। শিলিগুড়ি পৌঁছে হুঁশিয়ারি সংসদ বিষয়কমন্ত্রী কিরণ রিজিজুর। তিনি বলেন, “আমাদের লোকসভার স্পিকারের ওপরেও ঘৃণ্য হামলা হয়েছে। নোটিস পাঠানো হয়েছে। রাজ্য রিপোর্ট দিতে দেরি করলে প্রিভিলেজ অ্যাকশন নেওয়া হবে। নিয়ম অনুযায়ী তদন্ত হবে।” তিনি এও বলেন, “কেবল সাংসদ-বিধায়কের বিষয় নয়, প্রত্যেক নাগরিকের সুরক্ষা সুনিশ্চিত করতে হবে। ভারতে আইন আছে। সেই আইন নিজের হাতে তুলে নিয়ে কেউ যদি কারোর ওপর হামলা চালায়, দাদাগিরি করে, তাহলে তো পদক্ষেপ করতেই হবে।”
উল্লেখ্য, বিপর্যস্ত উত্তরবঙ্গের পরিস্থিতি পরিদর্শনে গিয়ে আক্রান্ত হয়েছেন বিজেপির দুই জনপ্রতিনিধি। গুরুতর আহত হয়েছেন বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মু। হেনস্থা করা হল অপর জনকেও। ইতিমধ্যেই তৃণমূলের দিকে অভিযোগের আঙুল তুলেছেন রাজ্য বিজেপি নেতৃত্ব। খগেন মুর্মুর আঘাত গুরুতর হলেও এখন তাঁর অবস্থা স্থিতিশীল।
জানা গিয়েছে, খগেন মুর্মু চোখের নীচের হাড় ভেঙে গিয়েছে। অস্ত্রোপচার করতে হবে। তিনি ভর্তি রয়েছেন শিলিগুড়ির বেসরকারি হাসপাতালের আইসিইউ-তে। তবে এখানেই অস্ত্রোপচার হবে নাকি তাঁকে দিল্লির এইমস হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হবে, সেটা এখনও নির্ধারিত হয়নি। যেহেতু চোখের নীচের হাড় ভেঙেছে, সেক্ষেত্রে চোখের মণি কিংবা তার আশপাশের অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কিনা, সেটাই খতিয়ে দেখতে চাইছেন চিকিৎসকরা। ইতিমধ্যেই আহত সাংসদের সঙ্গে হাসপাতালে গিয়ে দেখা করেছেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। খগেন মুর্মুর সঙ্গে কথা বলেন তিনি।
সোমবার দুপুরে দুর্যোগকবলিত নাগরাকাটায় একাধিক এলাকা পরিদর্শনে যান মালদহ উত্তরের সাংসদ খগেন মুর্মু এবং শিলিগুড়ির বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ। বামনডাঙায় ঢোকার আগে বিক্ষোভের মুখে পড়েন দু’জন। লাঠি, জুতো নিয়ে তাঁদের উপর চড়াও হন কয়েকশো মানুষ। নদী থেকে পাথর তুলে ছোড়া হয় বলে অভিযোগ, তাতেই গুরুতর চোট পান দুজনে। এই ঘটনায় ইতিমধ্যেই বিজেপির তরফে ৮ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। কিন্তু এখনও পর্যন্ত কাউকেই গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ।
